Monthly Archives: January 2012

১৮ মার্চ থেকে আইপিও আবেদন জমা নেবে সাবমেরিন কেবল

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ১৮ মার্চ থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ২২ মার্চ পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছানোর সুযোগ থাকবে।
এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি সাবমেরিন কেবল কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সাব মেরিন কেবল কোম্পানি মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এরমধ্যে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত থাকবে। আইপিওর জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ আইডিবির কাছ থেকে গৃহীত ঋণ পরিশোধ, আইপিও খরচ এবং চলতি মূলধন খাতে ব্যয় করা হবে।
২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ৪৯ পয়সা। আর শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৬৯ পয়সা। বর্তমানে এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৮৭ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষে এই মূলধন ১১৮ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার টাকায় দাঁড়াবে।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবমেরিন কেবল প্রজেক্টের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বিএসসিসিএল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে। বিএসসিসিএল বর্তমান ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪.৬০ গিগাবাইট (জিবিপিএস)। বর্তমানে কোম্পানিটি কার্যক্ষমতার মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে। দেশে তথ্য-প্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির কার্যক্ষমতার ব্যবহার বাড়বে। এতে কোম্পানির আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের টেলিযোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রবেশদ্বার হিসেবে বিএসসিসিএল প্রতিনিধিত্ব করছে। এ কোম্পানির মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি ৪৪.৬ জিবিপিএস। এরমধ্যে মাত্র ১১ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সারাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের পরও ৩৬.৬ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ অব্যবহৃত রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা মাথায় রেখে আগামী ৫ বছর পর্যন্ত সারাদেশের চাহিদা নিরূপন করা হয়েছে ৩৭.০৭৫ জিবিপিএস। তারপরও উদ্বৃত্ত থাকবে ৭.৫২৫ জিবিপিএস। এছাড়া সাবমেরিন কেবল আবার আপগ্রেড করা হচ্ছে যা তৃতীয় আপগ্রেড নামে পরিচিত। এই আপগ্রেডেশনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে সস্তামূল্যে আরও প্রায় ৭ মিলিয়ন এমআইইউকেএম অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএসসিসিএল’র ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইথ হবে ৮০ জিবিপিএস যা আগামী বছরের মধ্যেই ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বর্ধিত ব্যান্ডউইডথ বিদেশে বিক্রি বা লিজ দেয়া সম্ভব হবে। বিদেশে ব্যান্ডউইডথ রফতানির মাধ্যমে কোম্পানি বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে। পাশাপাশি কোম্পানির ব্যান্ডউইডথ দিয়ে ব্রডব্যান্ড সার্ভিস, ডাটা ট্রান্সমিশন, কল সেন্টার সার্ভিস, সফটওয়্যার রফতানি ইত্যাদি স্বল্প খরচে সম্ভব হবে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৯ জানুয়ারী ২০১২

গত বছর বাজারে যুক্ত হয়েছে ৫৮৭ কোটি নতুন শেয়ার

আইপিও, রাইট ও বোনাসের মাধ্যমে আসা এসব শেয়ারের মূল্য ৮৬৫৮
কোটি টাকা

২০১১ সালে পুঁজিবাজারে ৫৮৭ কোটি ৬১ লাখ ৯৪ হাজার ২২৬টি নতুন শেয়ার যুক্ত হয়েছে। নতুন তালিকাভুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির রাইট ও বোনাস ইসু্যর মাধ্যমে এসব শেয়ার বাজারে এসেছে। নতুন করে যুক্ত হওয়া এসব শেয়ারের ইসু্য মূল্য ছিল ৮ হাজার ৬৫৮ কোটি ৫৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। তবে বিপুল সংখ্যক এই শেয়ারের মূল্য যোগ হওয়ার পরও ধারাবাহিক মন্দার কারণে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের বাজার মূলধন ও সূচক ব্যাপকমাত্রায় কমে গেছে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বমোট শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট ও কর্পোরেট বন্ডের মোট সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৪১ কোটি ৯০ লাখ। ২০১১ সালে নতুন তালিকাভুক্ত ১৩টি কোম্পানির আইপিও, একটি কোম্পানির আরপিও শেয়ার এবং বিভিন্ন কোম্পানির রাইট ও বোনাস ইসু্যর ফলে বাজারে নতুন ৫৮৭ কোটি ৬১ লাখ ৯৪ হাজার ২২৬টি শেয়ার যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যনত্ম ডিএসইতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট শেয়ার, ইউনিট ও বন্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯ কোটি ৫১ লাখ ৯৪ হাজার ২২৬টি।
ডিএসই থেকে প্রাপ্ত হিসাবে দেখা গেছে, একটি কোম্পানির পুনঃগণপ্রসত্মাবসহ (আরপিও) গত বছর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে মোট ১৪টি কোম্পানির ১৩৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭ হাজার ১০টি শেয়ার বাজারে যুক্ত হয়েছে। এসব শেয়ারের পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১ হাজার ৬৮৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ওই বছর রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে বাজারে এসেছে ১১৬ কোটি ৯৯ লাখ ৭ হাজার ৭৫৯টি শেয়ার_ যার মোট মূল্য ১ হাজার ৮৫৮ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। এছাড়া গত বছর তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ৫ হাজার ১০৯ কোটি ৭০ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের ৩৩৬ কোটি ৯৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪৫৭টি শেয়ার ইসু্য করা হয়েছে। এর আগে ২০১০ সালে আইপিও, রাইট ও বোনাসের মাধ্যমে ৪২০ কোটি ৫ লাখ ৭১ হাজার ২০০ শেয়ার যুক্ত হয়েছিল। এরমধ্যে আইপিওর মাধ্যমে ২৩৩ কোটি ১০ লাখ ৭৭ হাজার ৭৮১টি, বোনাস ইসু্যর মাধ্যমে ৭৫ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজার ৬৩৬টি, রাইট ইসু্যর মাধ্যমে ৮৮ কোটি ৪০ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৩টি এবং সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ২৩ কোটি ২৩ লাখ ৯৩ হাজার শেয়ার বাজারে আসে।
এক বছরে আইপিও, রাইট ও বোনাস মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ নুতন শেয়ার যুক্ত হওয়ার পরও গত বছর ডিএসইর বাজার মূলধন ৮৯ হাজার কোটি টাকা বা ৩৪ শতাংশ কমে গেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ সালের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন ২ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়। ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। এক বছরে ডিএসইর বাজার মূলধন মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫০.৮০ শতাংশ থেকে কমে ১৯.৭৪ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০৯ সালের ৩০ জুন তালিকাভুক্ত সকল কোম্পানির শেয়ারের বাজার মূল্য ও আয়ের (পিই) গড় অনুপাত ছিল ১৮.৪৪। সে সময় বাজার মূলধন ছিল ১ লাখ ২৪ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা। ২০১০ সালের জুনে পিই অনুপাত বেড়ে ২৪.০৮-এ দাঁড়ায়। ওই সময় বাজার মূলধন দাঁড়ায় ২ লাখ ৭০ হাজার ৭৪ কোটি টাকায়। ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর ডিএসইর গড় পিই অনুপাত ছিল ২৯.১৬। ওইদিন বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ২৬ হাজার ৭৩৯ কোটি টাকা।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৪ জানুয়ারী ২০১২

জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিওতে ৩ লাখ ২১ হাজার আবেদন

জমা পড়েছে ৪৮৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা
প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের শেয়ার বরাদ্দ পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীরা মোট ৩ লাখ ২১ হাজার ৬৪৫টি আবেদন করেছেন। এসব আবেদনপত্রের সঙ্গে ৪৮৪ কোটি ২৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা পড়েছে_ যা কোম্পানির আইপিও মূল্যের চেয়ে প্রায় ৯ গুণ বেশি। কোম্পানির পৰ থেকে প্রাথমিকভাবে এই পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে।
জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হচ্ছে। ফলে ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে। আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ৮ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যনত্ম স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২১ জানুয়ারি পর্যনত্ম প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।
৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জিএসপি ফাইন্যান্সের শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট শেয়ার। মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত রয়েছে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার। এই দুই ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারিত ৩৬ হাজার লট শেয়ারের বিপরীতে ৩ লাখ ১২ হাজার ৮৮৭টি আবেদন জমা পড়েছে। এরসঙ্গে অর্থ জমা হয়েছে ৪৭৩ কোটি ৩৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা_ যা নির্ধারিত লৰ্যমাত্রার ৯.৮৬ গুণ।
অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিওতে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরৰিত রয়েছে। এর বিপরীতে প্রবাসীরা গত ১৮ জানুয়ারি পর্যনত্ম মোট ৮ হাজার ৭৬৭টি আবেদন জমা দিয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা_ যা নির্ধারিত লৰ্যমাত্রার ১০.৯৫ গুণ।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১ নবেম্বর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জিএসপি ফাইন্যান্সের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৬১ পয়সা।
আইপিওর জন্য কোম্পানির আন্ডাররাইটার হিসেবে কাজ করছে_ আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এমটিবি ক্যাপিটাল, দি সিটি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।

সূত্র:দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৩ জানুয়ারী ২০১২

Padma Life Ins IPO subscription from today

Initial public offering (IPO) subscription of Padma Life Insurance will begin today and continue till January 26 this year.

For Non-Resident Bangladeshis (NRBs), the date is, however, extended to February 4, 2012, company sources said.

The company will float 12 million shares at an offer price of Tk 10 each to raise Tk 120 million. The market lot will be 500 shares.

The Net Asset Value (NAV) per share of Padma Islami Life Insurance Limited is Tk 36.26 based on the actuarial valuation report on the financial statements for the year ended on December 31, 2010.

The Earning Per Share (EPS) of the company is Tk 2.72 for the year ended on December 31, 2010.

The proceeds from the IPO will be used to make partial loan repayment and to meet up the IPO expenses.

The company is is mainly engaged in Ekak Bima, Takaful Bima Prokalpa, Islami Sanchayee Bima Prokalpa, PDPS Prokalpa, Takwah Bima Prokalpa, Baitul Mal Bima Prokalpa, Al-Insuf Bima Prokalpa, Al-Amana Bima Prokalpa Group Insurance (GI), and non- traditional Micro Insurance business.

Union Capital will act as the issue manager for the IPO.

Source: Daily Sun, 22 January 2012

সাবমেরিন কেবল তুলবে ১০৮ কোটি টাকা

আইপিও অনুমোদন করল এসইসি
শেয়ারবাজারে আসছে সরকারি মালিকানাধীন আরও একটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেড। সরকারি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার অংশ হিসেবে শিগগিরই এটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে।
গত মঙ্গলবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভায় কোম্পানিটিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সভায় একটি মিউচুয়াল ফান্ডেরও আইপিও প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এসইসি জানিয়েছে, সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানিটি তিন কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে ১০ লাখ শেয়ার কোম্পানিটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে প্রতিটি শেয়ারের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। প্রিমিয়াম বাবদ কোম্পানিটির কোষাগারে জমা হবে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানিটি ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক বা আইডিবির ঋণ পরিশোধসহ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহার করবে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) জমা দেওয়া কোম্পানিটির প্রসপেক্টাস বা বিবরণী থেকে জানা যায়, এটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পর যা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০০৮ সালের ২৪ জুন সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।
এ ছাড়া এসইসির মঙ্গলবারের সভায় এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড মিউচুয়াল ফান্ড-১ নামে ১০০ কোটি টাকার একটি ফান্ডের আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে আইপিওর মাধ্যমে তহবিলটির পাঁচ কোটি ইউনিট বাজারে ছেড়ে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। বাকি ৫০ কোটি টাকা এরই মধ্যে তহবিলের উদ্যোক্তা ও প্রাক-আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।
ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। আর এটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।

সূত্র: প্রথম আলো, ১৯-০১-২০১২

Green light for BSCCL IPO, NCC Bank mutual fund

The Securities and Exchange Commission (SEC) yesterday approved the initial public offering (IPO) prospectus of Bangladesh Submarine Cable Company Ltd (BSCCL) to go public to raise a fund of Tk 1.08 billion.

The decision came at a meeting of SEC with its chairman M Khairul Hossain in the chair.

The company will float 31 million ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 35 including a premium of Tk 25.

Of the total shares, one million shares will be kept for the officials of the company as reserve.

The IPO proceeds will be utilised to pay loans taken from Islamic Development Bank (IDB), to bear IPO expense and rest for working capital. ICB capital management will act as the issue manager of the IPO.

The SEC meeting also approved the prospectus of ‘NCC Bank Mutual Fund One’ to offload units worth Tk 500 million.

The size of the fund is Tk 1 billion, of which Tk 500 million will be raised through IPO and rest will be collected through sponsor directors.

Face value of each unit is Tk 10 while the market lot will be of 500 units.

LR Global is the issue manager for the fund.

Source: Daily Sun, 19 January 2012

সাবমেরিন কেবল কোম্পানির আইপিও অনুমোদন

৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১০৮.৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিটি
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকারী মালিকানাধীন বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বুধবার এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাৰরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাবমেরিন কেবল কোম্পানি মোট ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এর মধ্যে কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১০ লাখ শেয়ার সংরক্ষিত থাকবে। আইপিওর জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ আইডিবির কাছ থেকে গৃহীত ঋণ পরিশোধ, আইপিও খরচ এবং চলতি মূলধন খাতে ব্যয় করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উলেস্নখ করা হয়েছে।
২০১০ সালের বার্ষিক হিসাবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৬ টাকা ৩৫ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ৬০ পয়সা। বর্তমানে এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষ এ মূলধন ১১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকায় দাঁড়াবে।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ এ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের (বিটিটিবি) সাবমেরিন কেবল প্রজেক্টের মাধ্যমে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বিএসসিসিএল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। কোম্পানিটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিয়েছে। বিএসসিসিএল বর্তমান ব্যান্ডউইথ ৰমতা হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৪৪.৬০ গিগাবাইট (জিবিপিএস)। বর্তমানে কোম্পানিটি কার্যৰমতার মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করতে পারছে। দেশে তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির কার্যৰমতার ব্যবহার বাড়বে। এতে কোম্পানির আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশের টেলিযোগাযোগের ৰেত্রে প্রবেশদ্বার হিসাবে বিএসসিসিএল প্রতিনিধিত্ব করছে। এ কোম্পানির মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি ৪৪.৬ জিবিপিএস। এর মধ্যে মাত্র ১১ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সারাদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণের পরও ৩৬.৬ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ অব্যবহৃত রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা মাথায় রেখে আগামী ৫ বছর পর্যনত্ম সারাদেশের চাহিদা নিরূপণ করা হয়েছে ৩৭.০৭৫ জিবিপিএস। তারপরও উদ্বৃত্ত থাকবে ৭.৫২৫ জিবিপিএস। এছাড়া সাবমেরিন কেবল আবার আপগ্রেড করা হচ্ছে_ যা তৃতীয় আপগ্রেড নামে পরিচিত। এ আপগ্রেডেশনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে সসত্মা মূল্যে আরও প্রায় ৭ মিলিয়ন এমআইইউকেএম অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএসসিসিএলের ব্যবহারযোগ্য ব্যান্ডউইথ হবে ৮০ জিবিপিএস_ যা আগামী বছরের মধ্যেই ব্যবহার করা সম্ভব হবে। সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বর্ধিত ব্যান্ডউইডথ বিদেশে বিক্রি বা লিজ দেয়া সম্ভব হবে। বিদেশে ব্যান্ডউইথ রফতানির মাধ্যমে কোম্পানিটি বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে। পাশাপাশি কোম্পানির ব্যান্ডউইথ দিয়ে ব্রডব্যান্ড সার্ভিস, ডাটা ট্রান্সমিশন, কল সেন্টার সার্ভিস, সফটওয়্যার রফতানি ইত্যাদি স্বল্পখরচে সম্ভব হবে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৯ জানুয়ারী ২০১২

পাইপলাইনে ৯০ কোটি শেয়ার

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২৩শে মার্চের মধ্যে কোম্পানিরগুলোর ৩০ শতাংশ এবং ব্যক্তিগতভাবে কমপক্ষে দুই শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কোটা পূরণে কোম্পানিগুলোকে কিনতে হবে প্রায় ৫০ কোটি শেয়ার। বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, উদ্যোক্তা পরিচালকরা নির্ধারিত সময় শেয়ার ক্রয় সম্পন্ন করলে বাজারে শেয়ার সঙ্কট দেখা দেবে। এতে স্বাভাবিকভাবে শেয়ারের চাহিদা ও যোগানের মধ্যে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হবে। এজন্য শিগগিরই নতুন কোম্পানির অনুমোদন দেয়া প্রয়োজন। এতে নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির যেগুলোর তুলনামূলকভাবে শেয়ারের সংখ্যা কম রয়েছে সেই কোম্পানিগুলোর শেয়ার অতি মূল্যায়িত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। এসইসি’র সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, ৩২টি কোম্পানি পুঁজিবাজারে ৯০ কোটি শেয়ার ছাড়ার আবেদন করেছে। চলতি বছরের প্রথম দিকেই পুঁজিবাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছে নতুন ৩২টি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া তালিকাভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান পুনঃগণপ্রস্তাবের (আরপিও) আবেদন করেছে। তালিকাভুক্তির পর বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়বে প্রায় ৯০ কোটি। এর মধ্যে প্রাথমিক গণঃপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন পেয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান। আবেদনকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানের আইপিও অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। এর মধ্যে রয়েছে জিএসপি ফিন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড এবং সায়হাম কটন মিলস। তথ্যমতে, অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা বাকি ২৯টি প্রতিষ্ঠানের ২৭টি নির্ধারিত মূল্যে শেয়ার ছাড়তে আগ্রহী। এছাড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এসেন্সিয়াল ড্রাগস কোম্পানি সরাসরি তালিকাভুক্তি ও বস্ত্র খাতের প্রতিষ্ঠান ডেল্টা স্পিনার্স লিমিটেড পুনঃগণপ্রস্তাবের (আরপিও) মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করতে আবেদন করেছে। জানা গেছে, আবেদনকৃতদের মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক গণঃপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়ার আবেদন পর্যবেক্ষণের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, এনার্জি প্রিমা লিমিটেড, শাহজীবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, কেয়া কটন মিলস, অর্গান ডেনিমস লিমিটেড, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড, আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনপত্রও খুব শিগগির যাচাই-বাছাই করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী এ প্রসঙ্গে, বলেন, বাজার এখন স্থিতিশীলতার দিকে এগুচ্ছে। এখন বাজারে আইপিও আসলে নতুন বিনিয়োগকারী আসবেন। এসইসি সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড শেয়ারবাজারে ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এ প্রতিষ্ঠানটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আরেক সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেন্সিয়াল ড্রাগস কোম্পানি শেয়ারবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য গত ২৪শে অক্টোবর এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছিল। কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের মোট ১ কোটি ৪ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার বিক্রি করবে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের চারটি প্রতিষ্ঠান আইপিও আবেদন এসইসি’র বিবেচনাধীন রয়েছে। এরমধ্যে এনার্জি প্রিমা লিমিটেড ৩ কোটি ১৪ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২৯৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৮৫ টাকা প্রিমিয়াম চেয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তা নবায়নের জন্য বলা হয়েছে। শাহজীবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৭০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার প্রতি ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৬০ টাকা সংগ্রহের অনুমোদন চেয়ে এসইসিতে আবেদন করেছে। সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড ৩৫ টাকা দরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। তবে এত টাকার প্রিমিয়ামে মানুষের সাড়া মিলবে কিনা সেটাও একটি ভাবনার বিষয়। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবিত আইপিওর আকার ৪২ কোটি টাকা। সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ৭৫ টাকা মূল্যে (প্রিমিয়াম ৬৫ টাকা) ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ২২৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে। এছাড়া অপেক্ষাধীন আইপিও আবেদনের মধ্যে বস্ত্র খাতের ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড ৪০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৫০ টাকা দরে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে মোট ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। কেয়া কটন মিলস সর্বোচ্চ ৫ কোটি শেয়ার ছাড়তে আগ্রহী। প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার থেকে ২০০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে। এক্ষেত্রে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৪০ টাকা। এনভয় টেক্সটাইল নামে একটি প্রতিষ্ঠান ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৬৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আইপিও আবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৪৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৫৫ টাকা সংগ্রহ করতে চায়। অর্গান ডেনিমস লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার প্রতি ৭০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৮০ টাকা সংগ্রহ করতে চায়। হামিদ ফেব্রিকস লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারপ্রতি ২৬ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৬ টাকা সংগ্রহ করতে আগ্রহী। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৩৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার প্রতি ৩৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এমপি স্পিনিং মিলস ২ কোটি ৪৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের আবেদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি ৪০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৫০ টাকা দর নির্ধারণ করা হয়েছে। মতিন স্পিনিং মিলস ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১৭৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ৫৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৬৫ টাকা। কেয়া স্পিনিং মিলস শেয়ারপ্রতি ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৪০ টাকা মূল্যে ৪ কোটি শেয়ার ছাড়বে। এ প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার থেকে ১৬০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১০৫ টাকা প্রিমিয়াম চেয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২৯৯ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিষ্ঠানটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের জন্য ৪০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৫০ টাকা সংগ্রহের আবেদন করেছে। আমরা টেকনোলজিস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান ৩ কোটি শেয়ার ছাড়বে। প্রতিষ্ঠানটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ২১ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৩১ টাকা সংগ্রহের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে। সব মিলিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি ৯৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৯০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানটির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে ২০ টাকা করে প্রিমিয়াম চাওয়া হয়েছে। গোবাল হেভি কেমিক্যালস নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। এ প্রতিষ্ঠানটি ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ শেয়ারপ্রতি ৩০ টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড ৫ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৪০০ কোটি ৫ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারে ৬০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৭০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ওষুধ খাতে তালিকাভুক্তির জন্য আগ্রহী অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৯০ টাকা প্রিমিয়াম চেয়েছে। মোট ১০০ টাকা দরে ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে প্রতিষ্ঠানটি ৪০০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস ৪৭ টাকা দরে ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ার প্রতি ৩৭ টাকা প্রিমিয়ামসহ সর্বমোট ৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মোপ্লাস্টিক নামে একটি প্রতিষ্ঠান ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪০ টাকা দরে ২ কোটি শেয়ার ছাড়বে। প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার থেকে মোট ৮০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১৮০ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। আইপিওর জন্য প্রতিষ্ঠানটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আনন্দ শিপিং অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড ২ কোটি ১২ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৮৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা সংগ্রহ করার আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ শেয়ার প্রতি ৪০ টাকা সংগ্রহ করতে চায়। সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৫ টাকা দরে মোট ৯০ লাখ শেয়ার ছাড়ার জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সর্বমোট ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে। সানফ্লাওয়ার ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে কোন প্রিমিয়াম ছাড়াই ১২ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে।
অন্যদিকে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ডেল্টা স্পিনার্স লিমিটেড পুনঃগণপ্রস্তাবের (আরপিও) মাধ্যমে নতুন অভিহিত মূল্য ১০ টাকা হিসেবে ৩ কোটি শেয়ার ছাড়তে চায়। পরিবর্তিত অভিহিত মূল্য অনুযায়ী কোম্পানিটি ২০ টাকা প্রিমিয়ামসহ শেয়ারপ্রতি ৩০ টাকা হিসেবে মোট ৯০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদন করেছে। এছাড়া জেনারেশন নেক্সট, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন বাজারে আইপিও নিয়ে আসতে আবেদন করেছে বলে জানা গেছে।

সূত্র: মানবজমিন, ১৫ জানুয়ারী, ২০১২