Monthly Archives: December 2011

পুঁজিবাজারে আসছে ইয়াকিন পলিমার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে পিপি ওভেন ব্যাগ প্রস্তুত কোম্পানি ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড (ইপিএল)। কোন প্রকার প্রিমিয়াম না নিয়েই কোম্পানিটি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে। গতকাল মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণীতে আইপিও সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য বিএমএসএলের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ইয়াকিন পলিমার কোম্পানির চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আক্তার কবির, সচিব একেএম কামরুল হাসান, বিএমএসএলের ভাইস চেয়ারম্যান এএফএম আলমগীর, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম সারওয়ার ভূঁইয়া, ইনচার্জ ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার হাবিব আহসান এবং পরিচালক আবদুুল আওয়াল। জানা গেছে, আইপিওর মাধ্যমে এ কোম্পানি ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। এর ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করবে বাংলাদেশ মিউচুয়াল সিকিউরিটিজ লিমিটেড (বিএমএসএল)। অনুষ্ঠানে ইয়াকিন পলিমারের চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ারুল হক বলেন, বাংলাদেশে ব্যাগিং সেক্টরের মধ্যে ইপিএল বাজারে নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান। পিপি ওভেন ব্যাগ তৈরির পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাম্বো ব্যাগ তৈরি করাও আমাদের লক্ষ্য। এজন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন মূলত তার যোগানের জন্যই আইপিওতে আসা। অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে বিএমএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম সরোয়ার ভূঁইয়া জানান, শিগগিরই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কাছে এ সংক্রান্ত যাবতীয় কাগজপত্র জমা দেয়া হবে। যেহেতু প্রিমিয়াম নেই তাই আশা করা যাচ্ছে এসইসি খুব শিগগিরই এর আইপিও ছাড়ার অনুমোদন দেবে। জানা গেছে, ২০০৩ সালে ইয়াকিন পলিমার বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন (প্রি-আইপিও) ১০ কোটি টাকা। আইপিওর পর পরিশোধিত মূলধন দাঁড়াবে ২০ কোটি টাকা।

সূত্র: মানবজমিন, ৩১ ডিসেম্বর ২০১১

Yeakin Polymer to float IPO

Yeakin Polymer Limited (YPL) and BMSL Investment Limited have recently signed an agreement on issue management. Under the agreement, BMSL will work as issue manager of the initial public offering (IPO) of Yeakin Polymer Limited, said a press release.

The company produces different sizes and grades of pp woven bag (laminated and unlaminated) with HDPE/LDPE liner for packaging industrial raw materials, chemicals, cement, fertiliser, agro products, foodgrain etc. YPL will issue 1,20,00,000 ordinary shares of Tk 10 each through IPO.

SM Akter Kabir, managing director of YPL and Md Golarn Sarwar Bhuiyan, managing director of BMSL signed the agreement on behalf of their respective companies.

Quazi Anwarul Haque, chairman of YPL, AKM Karnrul Hassan, company secretary, YPL, AFM Alamgir, vice chairman of BMSL, Habib Ahsan, director in charge, BMSL and Abdul Awal, director of BMSL were also present at the signing ceremony.

Source: The Financial Express, December 30, 2011

সরাসরি তালিকাভুক্ত হচ্ছে এসেনসিয়াল ড্রাগস

স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে ১ কোটি ২৫ লাখ শেয়ার বিক্রি করা হবে

শেয়ারবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হবে সরকারী মালিকানাধীন একমাত্র ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড। প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের পর দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের মাধ্যমে এই কোম্পানির ১ কোটি ৪ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার বিক্রি করা হবে। সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য ইতোমধ্যেই এসেনসিয়াল ড্রাগসের পৰ থেকে গত অক্টোবরে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আবেদন করা হয়। প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের পর তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া অগ্রসর করতে গত মাসে এসইসির পৰ থেকে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, কোম্পানি এবং ইসু্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এসেনসিয়াল ড্রাগসের মালিকানায় থাকা সম্পদের মূল্য ৩৬৯ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ইকু্যইটির পরিমাণ ১৮১ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। বর্তমানে এর সম্পূর্ণ মালিকানা সরকারের হাতে রয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ইকু্যয়িটির সমপরিমাণ ১ কোটি ৪ লাখ ২৫ হাজার শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এসব শেয়ারের বিক্রয় মূল্য নির্ধারণের পর সরাসরি স্টক এঙ্চেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।
জানা গেছে, ১৯৬২ সালে তৎকালীন পাকিসত্মান কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে গবর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যাল ল্যাবরেটরি নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরম্ন হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যাল প্রডাকশন ইউনিট রাখা হয়। ১৯৮৩ সালে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড নামকরণ করে এটিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। দেশের ওষুধ শিল্প অগ্রসর করে উন্নতমানের জীবন রৰাকারী ওষুধ উৎপাদন এবং দেশে ও বিদেশে বাজারজাত করাই প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য।
বর্তমানে কোম্পানিটি ১৫৫ ধরনের জরম্নরী ওষুধ উৎপাদন করে। কোম্পানির বার্ষিক উৎপাদন ও বাজারজাত ওষুধের মূল্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ঢাকায় অবস্থিত কোম্পানির প্রথম ইউনিটের কারখানার জনবল সংখ্যা ৬৮২। এছাড়া ১৯৮৫ সালে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি বগুড়া নামে একটি পৃথক ইউনিট স্থাপন করা হয়। বগুড়া ইউনিটের জনবল সংখ্যা ৩৪৫। এছাড়া এসেনসিয়াল ড্রাগস খুলনা নামে আরেকটি ইউনিটে সরকারীভাবে কনডম উৎপাদন চালু রয়েছে। এই ইউনিট থেকে প্রতিবছর পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরকে প্রায় ১৫ কোটি কনডম সরবরাহ করা হয়।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার জন্য ২৫টি সরকারী কোম্পানির তালিকা করা হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) আগে থেকেই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত। এসেনসিয়াল ড্রাগস ছাড়াও সাব-মেরিন কেবল কোম্পানি ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দেয়া হয়েছে। একইভাবে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও আবেদনও এসইসির বিবেচনাধীন রয়েছে।
বাকি ২২টি কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি কাজ চলছে। কোম্পানিগুলো হলো_ টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), লিকু্যইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) লিমিটেড, চিটাগাং ড্রাইডক, বাংলাদেশ সার্ভিসেস, টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস), বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস, রূপানত্মরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি, গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড, পঞ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি, সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড, রম্নরাল পাওয়ার কোম্পানি, হোটেলস ইন্টারন্যাশনাল (সোনারগাঁও হোটেল), বাংলাদেশ ইনসু্যলেটর এ্যান্ড স্যানেটারিওয়ার ফ্যাক্টরি লিমিটেড, ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি, কর্ণফুলী পেপার মিলস, জিইএমকো, বাংলাদেশ বেস্নড ফ্যাক্টরি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ ডিসেম্বর ২০১১

পাঁচ বছরে বাজারে আসবে ৭৫ আইপিও

অর্থ মন্ত্রণালয়ে এসইসির দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা

২০১০-১১ অর্থবছরে ১১টি কম্পানির আইপিও বাজারে আনার মাধ্যমে মূলধন বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র অর্ধেক পূরণ করতে পেরেছে সংস্থাটি, আইপিও (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) আনতে পেরেছে ছয়টি কম্পানির। চলতি অর্থবছরে সংস্থাটির লক্ষ্যমাত্রা ১২টি কম্পানির আইপিও বাজারে আনার। অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রায় এ সংখ্যা আরো একটি কম্পানি বাড়ানো হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে ছয়টি আইপিও বাজারে এসেছে।
গত ১৩ ডিসেম্বর এসইসির তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থাটি আগামী পাঁচ বছরে ৭৫টি আইপিও আনবে। এর মধ্যে ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৩টি, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৪টি, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ১৫টি, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৬টি ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৭টি কম্পানির আইপিও বাজারে আনার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সংস্থাটি তাদের প্রধান কার্যক্রম ও কার্যক্রমের সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে বলেছে, সিকিউরিটিজের যথার্থ ইস্যু নিশ্চিতকরণ, সিকিউরিটিতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পুঁজি ও সিকিউরিটি বাজারের উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করা। এটি সম্ভব হলে পুঁজিবাজারে আইপিও, ডাইরেক্ট লিস্টিং, রাইট ইস্যুর মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বা বাজার মূলধনের পরিমাণ বাড়বে।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে পাঠানো এসইসির এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজার মধ্যস্থতাকারীদের সনদ দেওয়া ও নবায়নের গত অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ করতে পারেনি এসইসি। ২০১০-১১ অর্থবছরে মোট দুই হাজার ৫৮৪টি বাজার মধ্যস্থতাকারীর সনদ দেওয়া ও নবায়ন করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বছর শেষে দুই হাজার ১০২টি দেওয়া ও নবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। চলতি ২০১১-১২ অর্থবছরে তিন হাজার ৩২৫টি মধ্যস্থতাকারীকে সনদ দেওয়া ও নবায়নের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ সংখ্যা ছয় হাজার ৮৮৫-এ উন্নীত করা হবে।
দ্বিতীয় প্রধান কার্যক্রম সম্পর্কে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে প্রচলিত বিধি-বিধানের সংস্কার ও নতুন বিধি-বিধান প্রণয়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করা। এটি করা হলে পুঁজিবাজারের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
বাজার মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে রয়েছে স্টক ব্রোকার, সাব ব্রোকার, শেয়ার হস্তান্তরকারী প্রতিনিধি, ইস্যুর ব্যাংকার, মার্চেন্ট ব্যাংকার, ইস্যুর নিবন্ধক, ইস্যুর ম্যানেজার, অবলিখক (আন্ডাররাইটার) এবং সিকিউরিটি মার্কেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে_এমন অন্যান্য মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠান। এসইসির ধারণা, এসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও নবায়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজার শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য ও সম্প্রসারিত হবে।
এসইসির প্রতিবেদনে সংস্থাটির সাম্প্রতিক অর্জন সম্পর্কেও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ২০১১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াতে মোট ২৩টি কম্পানিকে আইপিও, ৪২টি কম্পানিকে রাইট ইস্যু, একটি কম্পানিকে কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু, ছয়টি কম্পানিকে ডাইরেক্ট লিস্টিং এবং ১৯৪টি প্রাইভেট লিমিটেড ও ২২৫টি পাবলিক লিমিটেড কম্পানিকে মূলধন উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তিনটি করপোরেট বন্ড, আটটি ডিবেঞ্চার এবং ২১২টি ট্রেজারি বন্ড তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বেড়েছে।
এসইসি বলছে, সব সিকিউরিটিজের ইস্যু করা মূলধনের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৩২.৮৬ শতাংশ বেড়েছে। ফলে আগের বছরের তুলনায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সব সিকিউরিটিজের মোট বাজার মূলধনের পরিমাণ ৫.৬৭ শতাংশ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার মূলধনের পরিমাণ ১১.৭১ শতাংশ কমেছে। গত জুন পর্যন্ত সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সব (ওটিসি বাদে) কম্পানি ডিপজিটরি ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। ফলে ডিপজিটরি পার্টিসিপেন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৪তে। আর স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের সংখ্যা ৪৫০টি থেকে বেড়ে ৪৯০টিতে দাঁড়িয়েছে।
এসইসির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বাজারে চাহিদার তুলনায় ভালো শেয়ারের সরবরাহ কম। সরকারি মালিকানাধীন কম্পানি ও সংস্থাগুলোর শেয়ার দ্রুত অফলোড করার সুবিধার্থে স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন দরকার। যত দ্রুত সম্ভব পুঁজিবাজারের লেনদেন নিষ্পত্তি করার স্বার্থে ক্লিয়ারিং করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করা, পুঁজিবাজার সম্পর্কিত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির স্বার্থে বিশেষ আদালত গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা ও বন্ড মার্কেট প্রতিষ্ঠা করা।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ২১ ডিসেম্বর ২০১১

বাজারে আসার অপেক্ষায় প্লেসমেন্ট শেয়ার

প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করা কম্পানিগুলো শেয়ারবাজারে আসার উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি কম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়ার অনুমোদন পেয়েছে অথবা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এসব কম্পানির আইপিও বাজারে এলে সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ারের ঘাটতি কিছুটা পূরণ হবে, সেই সঙ্গে লেনদেনে যোগ হবে প্লেসমেন্ট শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আটকে থাকা প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে অনুমোদন দেওয়ার সময় প্রিমিয়াম বাবদ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান বাজারসংশ্লিষ্টরা। পুঁজিবাজারে দুই কোটি পাঁচ লাখ শেয়ার ছেড়ে মোট ৮২ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ারকে গত ১৮ অক্টোবর আইপিও অনুমোদন দেয় এসইসি। আইপিওর মাধ্যমে বিক্রির জন্য কম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। গত ১৮ অক্টোবরে এর আইপিও অনুমোদন দেয়। কিন্তু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে জটিলতার কারণে ১৮ ডিসেম্বর তা স্থগিত করে দেয় এসইসি। ৭০ টাকা দরে শেয়ার বরাদ্দ দিয়ে মূলধন সংগ্রহ করেছিল জিবিবি পাওয়ার। এখন আইপিওতে ৪০ টাকা করে শেয়ার বরাদ্দের অনুমোদন পেয়েছে এ কম্পানি। প্রিমিয়ামের নামে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া শেয়ারপ্রতি অতিরিক্ত ৩০ টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা রাখেনি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ। ১১৫ টাকা দরে আইপিও বাজারে ছাড়তে চেয়ে এসইসির কাছে আবেদন করেছে ইউনিক হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টস। প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মোট তিন কোটি শেয়ার বিক্রি করে ৪৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। কম্পানিটির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৫০ টাকা প্রিমিয়ামসহ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তখন মোট ১৬০ টাকা নেওয়া হয়েছিল।
প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ করা দুটি কম্পানি আইপিও প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলেও এখনো বিনিয়োগকারীদের বিপুল টাকা আটকে রয়েছে প্লেসমেন্ট শেয়ারে। সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে টাকা তুলে নিয়ে এসব প্লেসমেন্ট শেয়ার কিনেছিলেন বিনিয়োগকারীরা।
বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্লেসমেন্ট বরাদ্দ দেওয়া যেসব কম্পানি প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে পুঁজিবাজারে আসতে পারবে, সেগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। আর তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া না হলেও বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করা উচিত। এতে বিনিয়োগকারীরা যেমন হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন, তেমনি আটকে থাকা অর্থ শেয়ারবাজারে ফিরলে বর্তমান মন্দা কাটাতে সহায়ক হবে। ২০০৯ ও ২০১০ সালে সেকেন্ডারি মার্কেট যখন তুঙ্গে, তখন উচ্চ প্রিমিয়ামে শেয়ার বিক্রি করে সাতটি কম্পানি। এর মধ্যে অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সাত কোটি শেয়ার বিক্রি করে ৫২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। কম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৬৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৭৫ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ছয় কোটি শেয়ার বিক্রি করে ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে জিএমজি এয়ারলাইনস। কম্পানিটি শেয়ারপ্রতি প্রিমিয়াম নিয়েছে ৪০ টাকা। ১০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে ২৪০ টাকা প্রিমিয়ামসহ সর্বমোট ১২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ। এই কম্পানিটি প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করেছে। এনার্জি প্রিমা নামে একটি কম্পানি এক কোটি ৫৬ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ১৫৫ কোটি ১০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে। কম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে প্রিমিয়াম নিয়েছে ৮৯ দশমিক ৪২ টাকা। এসটিএস হোল্ডিংস (এ্যাপোলো হসপিটাল) আট কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার শেয়ার বিক্রি করে ১৩০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে। এই কম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে শেয়ারপ্রতি পাঁচ টাকা প্রিমিয়াম নিয়েছে। এ ছাড়া কেয়া কটন মিলস ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে সমপরিমাণ প্রিমিয়ামসহ ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। অতিরিক্ত প্রিমিয়াম নির্ধারণ করায় ইতিমধ্যে এসটিএস হোল্ডিংসের আবেদন বাতিল করেছে এসইসি। আর প্রায় দেড় বছর আগে আবেদন করলেও এসইসির অনুমোদন পায়নি লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ। ব্রোকারেজ হাউসের তালিকাভুক্তির বিষয়ে বাজারসংশ্লিষ্টদের প্রবল আপত্তি থাকায় এই প্রতিষ্ঠানের আইপিও পুরোপুরি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে এসব কম্পানির প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীরা লোকসানের আশঙ্কায় রয়েছেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি কম্পানি এসইসির কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিপুল শেয়ার বিক্রি করেছে। অনেক ক্ষেত্রে আইপিওতে আসার আশ্বাস দিয়ে কম্পানির পরিচালকরা তাঁদের শেয়ার আগাম বিক্রি করে দিয়েছেন। প্লেসমেন্ট নিয়ে কোনো নীতিমালা ছিল না আগে। তাই এ ব্যাপারে এসইসির কোনো ভূমিকা নেই বলে জানান এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান। কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, কম্পানিকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। কিন্তু কোন প্রক্রিয়ায় তারা সেটা সংগ্রহ করবে_সেটা কম্পানির বিষয়। প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কম্পানি যে শেয়ার বিক্রি করেছে, তার চেয়ে কম মূল্যে আইপিওর অনুমোদন পেলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি মীমাংসা করবে কম্পানি ও বিনিয়োগকারী। পুনর্গঠিত এসইসিতে অনুমোদিত প্লেসমেন্ট নীতিমালা অনুযায়ী কোনো কম্পানি ফেসভ্যালুর তিন গুণের বেশি প্রিমিয়াম ধার্য করতে পারবে না। এ বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, প্লেসমেন্ট শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিপুল টাকা আটকে আছে। এ বিষয়ে সব রকম জটিলতা নিরসন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের মুক্ত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে উদ্যোগী হতে হবে। কোনো কম্পানির শেয়ারের ন্যায্য মূল্য কত হওয়া উচিত, তা নির্ধারণ করে আইপিওতে আসার সুযোগ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্লেসমেন্টের সময় নেওয়া অতিরিক্ত প্রিমিয়ামের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে। আর কোনো কম্পানি যদি নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসতে অনাগ্রহী হয়, তাহলে বিনিয়োগকারীদের সব টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

সূত্র: কালের কন্ঠ, ২২ ডিসেম্বর ২০১১

৪ মার্চ থেকে আইপিও আবেদন জমা নেবে সায়হাম কটন মিলস

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ৪ মার্চ থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ৮ মার্চ পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৭ মার্চ পর্যনত্ম কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছানোর সুযোগ থাকবে।
পুঁজিবাজারে ৪ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে সায়হাম কটন মিলস মোট ৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিওর মাধ্যমে বিক্রির জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২০ টাকা মূল্য অনুমোদন করা হয়েছে। কোম্পানির ২৫০টি শেয়ারে একটি মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আইপিও আবেদনের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।
২০০২ সালে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়। বাণিজ্যিক কর্মকা- শুরম্নর জন্য কোম্পানিটি সোনালী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করে। ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে কোম্পানির উৎপাদন কার্যক্রম শুরম্ন হয়।
সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী গত ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ১৪ টাকা ৭৩ পয়সা। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির জন্য জমি ক্রয়, ভূমি উন্নয়ন, ভবন নির্মাণ ও যন্ত্রপাতি সংযোজনে ব্যয় করা হবে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।

সূত্র- জনকন্ঠ, ২৪ ডিসেম্বর ২০১১

এনএলআই মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও আবেদন জমার সময় বৃদ্ধি

ভিআইপিবি এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও আবেদন জমার সময়সীমা বৃদ্ধির অনুমতি দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

বর্ধিত সময় অনুযায়ী আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে। এছাড়া প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন পৌঁছানোর সুযোগ থাকবে। ফান্ডের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৫০০টি শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে।

ভিআইপিবি এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মোট আকার ৫০ কোটি টাকা। এরমধ্যে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ১০ কোটি টাকা দিয়েছে। ১০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে। বাকি ৩০ কোটি টাকা আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই ফান্ডের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে ভিআইপিবি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে রয়েছে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)।

গত ৫ অক্টোবর ১০ বছর মেয়াদী এই মিউচ্যুয়াল ফান্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।

সূত্র: শেয়ারনিউজ২৪.কম, ডিসেম্বর ১৯, ২০১১

GBB Power’s IPO subscription put off

SEC asks the firm to sort out license problem
The Securities and Exchange Commission (SEC) Thursday postponed the IPO (initial public offering) subscription of GBB Power as the company has not yet fixed its license problem, officials said.

Officials said the SEC made the decision after the company failed to submit key papers to the securities regulator concerning its power production license from the government.

The GBB has a RPP (Rental Power Plant) license from the energy regulator and also struck a deal with the state-owned Power Development Board (PDB) to supply electricity to national grid, sources said.

In October the company sought to raise Tk 820 million under the fixed price method from the stock market by offloading 20.5 million shares with face-value at Tk10 each plus Tk30 premium.

The SEC gave consent to the IPO on October 18 on conditions that the firm would submit necessary documents before the start of its subscription from December 18, an official said.

“Unfortunately, GBB has failed to show the IPP license document to us. The SEC had no choice but to postpone the IPO subscription until further notice,” he added.

Source said a company can generate electricity for a certain span of time, which may be three years, with a RPP license.

But officials said the regulator can’t allow a company to go public without an IPP license, as the firm will face problem to produce power after the expiry of the RPP license.

Experts have raised concern over the move by some RPPs to raise fund from the capital market, as these firms are likely to wind up operations once their license period ends.

When asked, a top SEC official said the regulator has asked the GBB Power to furnish full details of its contract with the PDB and the energy regulator.

“We will not allow the company to start subscription before we see all the papers. We will also talk to the government regarding the issue,” he said.

When asked an official of the IDLC Finance, the issue manager of GBB Power, said the company’s license is a “pending” issue.

“The company is likely to get the IPP license very soon. We don’t see any problem here,” the official said.

Meanwhile, the company moved to the High Court seeking an order so as to get an IPP license from the Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC).

The High Court delivered a verdict last month in favour of GBB Power. But the BERC appealed against the ruling in the Supreme Court, saying the HC order needs further clarification.

Source: The Financial Express, December 16, 2011

জিবিবি পাওয়ারের আইপিও গ্রহণের তারিখ বাতিল

বাংলাদেশের প্রথম ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জিবিবি পাওয়ার লিমিটেডের প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের আবেদন (আইপিও) গ্রহণের তারিখ বাতিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দেওয়া এক ঘোষণায় প্রতিষ্ঠানটি বলে, “বিশেষ পরিস্থিতির কারণে আইপিও গ্রহণের তারিখ বাতিল করা হলো। নতুন তারিখ চূড়ান্ত হওয়া মাত্র সেটি জানানো হবে।”

প্রতিষ্ঠানটির আইপিও গ্রহণের সর্বশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর। এর আগে ৪ ডিসেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির আইপিও গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত ছিল।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের প্রিমিয়াম ৩০ টাকাসহ মোট মূল্য ৪০ টাকা। এর ইস্যু ম্যানেজার হিসাবে রয়েছে আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, ডিসেম্বর ১৫, ২০১১