Monthly Archives: November 2011

৮ জানুয়ারি থেকে জিএসপি ফাইন্যান্সের আইপিও আবেদন

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের ১৯ জানুয়ারির মধ্যে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ১ নবেম্বর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে জিএসপি ফাইন্যান্স মোট ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিও মাধ্যমে বিক্রির জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে।
জানা গেছে, জিএসপি ফাইন্যান্সের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এই কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৬১ পয়সা।
আইপিওর জন্য কোম্পানির আন্ডাররাইটার হিসেবে কাজ করছে_ আইডিএলসি ফাইন্যান্স, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, এমটিবি ক্যাপিটাল, দি সিটি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক।

সূত্র: দৈনিক জনকন্ঠ, নভেম্বর ৩০, ২০১১

Submarine Cable listing in Jan

State-owned Submarine Cable Company Limited (SCCL) will be listed in the share market in January next year, a top government official has said.

“The prospectus of the company has already been submitted to the Securities and Exchange Commission. Trading in its shares will start in January after getting clearance next month,” telecommunications secretary Sunil Kanti Bose told reporters on Tuesday.

According to the prospectus, Submarine Cable will offload 31 million shares worth Tk 1.085 billion.

The price of every issue has been fixed at Tk 35, including Tk 10 face value and Tk 25 as premium. The Investment Corporation of Bangladesh (ICB) is the issue manager.

Starting off in June 2008, the firm has an authorised capital of Tk 1 trillion while the value of properties against every share is Tk 17.57.

The prospectus said the company’s earning per share for every Tk 10 share was Tk 3.49 in the last financial year.

Source: bdnews24.com, November 29, 2011

জানুয়ারিতে শেয়ার বাজারে আসছে সাবমেরিন কোম্পানি

আগামী জানুয়ারিতে শেয়ার বাজারে আসছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।

সেই সঙ্গে বাংলাদেশ বাংলাদেশ টেলি-কমিউনিকেশন কোম্পানি লি.(বিটিসিএল), টেলিটকসহ রাষ্ট্রায়ত্ত সব টেলিযোগাযোগ কোম্পানিকে শেয়ার বাজারে আনা হবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ভবনে এক অনুষ্ঠানে সাবমেরিন কেবল কোম্পানির চেয়ারম্যান ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস এ কথা জানান।

তিনি বলেন, শেয়ার বাজারে আসার সব প্রক্রিয়া ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করবে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি। এরপর জানুয়ারি মাসে বাজারে আসবে সাবমেরিন কোম্পানি।

৫৪ কোটি টাকা লাভ করেছে সাবমেরিন কোম্পানি

সাবমেরিন কেবল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন জানান, ২০১০-১১ অর্থ বছরে ৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা লাভ করেছে। কোম্পানিটি ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ এবং এর আগের বছর ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয় করেছে। এ লাভের ওপর প্রথম বছরে ১০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৩০ এবং তৃতীয় বছরে ২০ শতাংশ ডিভিড্যান্ড দিয়েছে কোম্পানি।

সূত্র: বাংলানিউজটোযেন্টিফোর.কম, নভেম্বর ২৯, ২০১১

IPO subscription of GBB Power Limited from December 4

IPO subscription of GBB Power Limited will be started from 4 December, 2011 and will be closed on 11 December, 2011. For NRB applicants, it will remain open till 20 December, 2011.

Market lot for the IPO is 200. Face value is 10/= and offer price is 40/= including a premium of 30/=

Forms are available for download at http://new.bdipo.com/companies .

You can also generate automated IPO form by logging with your bdipo account.

Source: bdipo.com

জিবিবি পাওয়ারের আইপিও আবেদন ৪ঠা ডিসেম্বর

বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ার লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন নেয়া শুরু হবে আগামী ৪ঠা ডিসেম্বর। স্থানীয় বাংলাদেশীরা (আরবি) ১১ই ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। অনাবাসী বাংলাদেশীরা (এনআরবি) আবেদন করতে পারবেন ২০শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) গত ১৮ই অক্টোবর শেয়ার বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য জিবিবি পাওয়ারকে অনুমোদন দেয়। শেয়ার বাজারে ২ কোটি ৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে জিবিবি পাওয়ার মোট ৮২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিও’র মাধ্যমে বিক্রির জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড জিবিবি পাওয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে। জানা গেছে, কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষ হলে পরিশোধিত মূলধন ৫১ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী জিবিবি পাওয়ারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৮৩ পয়সা। শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ২২ টাকা ৫২ পয়সা। ৩১শে ডিসেম্বর ২০১০-এর নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী এ তথ্য প্রকাশ করে কোম্পানিটি। জানা গেছে, কোম্পানিটি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে। পরে পাওয়ার গ্রিডের মাধ্যমে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছে বিক্রি করে।

সূত্র: মানবজমিন, ২৯ নভেম্বর, ২০১১

২৮ নভেম্বর জাহিনটেক্স ও রংপুর ডেইরির লেনদেন শুরু হচ্ছে

দুই স্টক এক্সচেঞ্জে আগামী  ২৮ নভেম্বর জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং  রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের  লেনদেন শুরু হচ্ছে।

রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস কোম্পানিটি  আইপিওর মাধ্যমে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৪১ হাজার ৪০০ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ২৯ কোটি ৪১ লাখ ৪০ হাজার  টাকা  সংগ্রহ করেছে । কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৮ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ১৮ টাকা নেয়া হয়েছে। কোম্পানির ২০০টি শেয়ারে এর মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের প্রতিটি লটের জন্য ৩ হাজার ৬০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে  । গত ১৩ অক্টোবর  রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস এর লটারির  ড্র অনুষ্ঠিত হয় । এ কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হয়েছে। ফলে প্রতি লটের জন্য আবেদনকারীকে মোট ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে।  কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ড্র গত ১৯ অক্টোবর  অনুষ্ঠিত হয় । এ কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে ট্রিপল এ কনসালটেন্ট অ্যান্ড  ফাইন্যান্সিয়াল এডভাইজারস  লিমিটেড।

Source: www.sharenews24.com

পদ্মা লাইফের আইপিও অনুমোদন

শেয়ারবাজারে আসছে জীবন বিমা খাতের কোম্পানি পদ্মা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) গতকাল মঙ্গলবারের নিয়মিত সভায় কোম্পানিটির শেয়ারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন অনুমোদন করা হয়।
এ নিয়ে পুনর্গঠিত এসইসি মোট ছয়টি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করল। অন্য পাঁচটি কোম্পানি হলো: বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি), জিএসপি ফাইন্যান্স, রংপুর ডেইরি, জাহিনটেক্স এবং জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড।
সভাশেষে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এসইসি জানিয়েছে, পদ্মা লাইফ ইনস্যুরেন্স ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এক কোটি ২০ লাখ শেয়ার বাজারে ছাড়বে। এর মাধ্যমে এটি বাজার থেকে ১২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে, যা দিয়ে কোম্পানিটির ঋণ পরিশোধ করা হবে। কোম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল। কোম্পানিটির প্রতিটি মার্কেট লট বা বাজারগুচ্ছে থাকবে ৫০০ শেয়ার। ২০১০ সাল শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে প্রকৃত সম্পদমূল্য (এনএভি) দেখানো হয়েছে ১৪ টাকা ৩৭ পয়সা। পদ্মা লাইফ ইনস্যুরেন্স বাজারে এলে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৪৫টিতে।

সূত্র: প্রথম আলো, ২৩ নভেম্বর, ২০১১