Monthly Archives: October 2011

বাংলাদেশ ফান্ডের ইউনিট বিক্রি শুরু

পুঁজিবাজারের আলোচিত বাংলাদেশ ফান্ডের ইউনিট বিক্রি শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী মঞ্চেই ফান্ডটির ৪০ কোটি টাকার ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। বেসরকারি খাতের ঢাকা ব্যাংক ও এবি ব্যাংক ২০ কোটি টাকা করে মোট ৪০ কোটি টাকার সমমূল্যের ইউনিট কেনে। ফান্ডটির প্রতিটি ইউনিটের মূল্য ছিল ১০০ টাকা এবং ১০০ ইউনিটে একটি বাজারগুচ্ছ বা মার্কেট লট।
গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে এই বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি যোগ দিতে পারেননি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার ফজলে রশীদ এবং এবি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক বদরুল এইচ খানের হাতে ইউনিটের সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন। বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান এস এম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফায়েকুজ্জামান।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ফান্ডের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গত এপ্রিল মাসে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেমেয়াদি এই মিউচুয়াল ফান্ডটি গঠন করা হয়। এখন পর্যন্ত এটিই দেশের পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় মিউচুয়াল ফান্ড।
আইসিবি ছাড়া ফান্ডটির অন্য সাত উদ্যোক্তা হলো—রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক (সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা), জীবন বীমা করপোরেশন, সাধারণ বীমা করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল)। এর মধ্যে উদ্যোক্তাদের দেড় হাজার কোটি টাকা বাজারে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে আইসিবি জানিয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মসিউর রহমান বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার দক্ষতা বাড়িয়ে যথাযথভাবে আইনকানুনের প্রয়োগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সময়মতো প্রয়োজনীয় তারল্য সরবরাহ করা হলে বাজার স্থিতিশীল আচরণ করবে।
মসিউর রহমান আরও বলেন, যাঁরা দ্রুত মুনাফার মানসিকতায় কম পুঁজি নিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে আসেন, তাঁরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। আর এসব বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে উত্তেজনায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনে বিঘ্ন সৃষ্টি করেন। বিনিয়োগকারীদের এই আচরণ সুনাগরিকের পরিচয় বহন করে না।
মসিউর বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে ঝুঁকি রয়েছে। তাই ঝুঁকি নেওয়ার মতো মানসিকতা ও আর্থিক ক্ষমতা যাদের আছে তাদেরই এখানে বিনিয়োগ করা উচিত। দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগ করলে লোকসানের ঝুঁকিও কমবে।
এসইসির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর চেয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেশি। যাদের বেশির ভাগই গুজবের ভিত্তিতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। তাই বাজারে উত্থান-পতনও বেশি ঘটে। এই অবস্থায় বাজারের স্থিতিশীলতার স্বার্থে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ফান্ড বড় ভূমিকা রাখবে।’
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানিয়েছেন, দেশে-বিদেশে ব্যক্তিশ্রেণী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ফান্ডটির ইউনিট বিক্রি করা হবে। যেহেতু এটি বেমেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড, তাই ভবিষ্যতে প্রয়োজনে ফান্ডটির আকারও বাড়ানো যাবে।
ফান্ডটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
Source: Daily Prothom Alo, October 11, 2011

বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এসইসি

শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কারের লক্ষে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইসু্য) বিধিমালা, ২০০৬ সংশোধনের লক্ষে গতকাল বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এসইসি। সংশোধনীতে কোন রকম সীমা আরোপ না করে শেয়ারের নির্দেশক মূল্যের বিষয়টি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তবে নতুন বিধিতে এসইসিকে নির্দেশক মূল্য পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠানো বা আইপিও আবেদন বাতিলের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
বুকবিল্ডিংয়ের সংশোধনীতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৪ মাস করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট শেয়ারের ৪০ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে। তবে কোন একটি প্রতিষ্ঠান দর প্রসত্মাবের মাধ্যমে ৫ শতাংশের বেশি শেয়ার বরাদ্দ নিতে পারবে না। দর প্রস্তাব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ৫ কার্যদিবসের মধ্যে এসইসিতে চূড়ান্ত প্রসপেক্টাস জমা দিতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব শেষ হওয়ার পর কমিশনের অনুমোদন নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে আইপিও আবেদন গ্রহণ শুরু করতে হবে।
সংশোধনীতে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানিকে বুকবিল্ডিং প্রক্রিয়ায় নির্দেশক মূল্য প্রস্তাব ও বিডিংয়ে অংশগ্রহণের যোগ্য হিসেবে অনত্মর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি, ব্রোকারেজ হাউস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত রাখার বিধান করা হয়েছে। কমপৰে ২০টি যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরমধ্যে মার্চেন্ট ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি এবং স্টক ডিলার ক্যাটাগরির কমপৰে তিনটি করে প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে। নির্দেশক মূল্য প্রসত্মাবকারী এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য ১০ শতাংশ শেয়ার কেনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও আবেদনের পর কোন কোম্পানির আর্থিক বিবরণী বা সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে অসঙ্গতি চিহ্নিত হলে এসইসির নিজস্ব নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পুনঃনিরীৰার বিধান করা হয়েছে। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে রোড শো’ আয়োজনের কমপক্ষে ৫ দিন আগে কোম্পানির খসড়া বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) ছাপানো কপি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোন প্রস্তাব করা যাবে না। রোড শো অনুষ্ঠানের তিন দিনের মধ্যে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করে এসইসিতে জমা দেয়ার বিধান করা হয়েছে।
Source: The Daily Janakantha, October 1, 2011

১৯ অক্টোবর জাহিনটেক্স আইপিও লটারি

আবেদনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ১৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় ১৭ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
জাহিনটেঙ্রে শেয়ার বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, আগামী ১৯ অক্টোবর আইপিও লটারির আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র বরাদ্দ পাওয়া গেলে ওইদিনই লটারি অনুষ্ঠিত হবে।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। ৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জাহিনটেঙ্রে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট শেয়ার। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার। এই দুই ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারিত ৩৬ হাজার লট শেয়ারের বিপরীতে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪৯০টি আবেদন জমা পড়েছে। এরসঙ্গে অর্থ জমা হয়েছে ৭৭৪ কোটি ১৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা।
অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জাহিনটেক্সে আইপিওতে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরৰিত রয়েছে। এর বিপরীতে প্রবাসীরা প্রায় ১৭ হাজার বা ৫ গুণ আবেদন জমা দিয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২১ কোটি টাকা।
কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হয়েছে। ফলে ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে। আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ১ অক্টোবর পর্যনত্ম প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ৩ আগস্ট সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২৫ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিশোধিত মূলধন ৪৫ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ৪০ কোটি টাকা, চলতি মূলধন হিসেবে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং আইপিও প্রক্রিয়া ও প্রিমিয়ামের ওপর আরোপিত কর বাবদ ৯০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৪৬ টাকা ১ পয়সা। ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যনত্ম অর্ধ-বার্ষিক হিসেবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩ টাকা ৫ পয়সা। এর ভিত্তিতে বার্ষিক হিসেবে ইপিএস ধরা হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা।
Source: The Daily Janakantha, October 11, 2011

Subscription of Bangladesh Fund starts today

The much-awaited public subscription of Tk 5,000-crore Bangladesh Fund will start today, said Investment Corporation of Bangladesh yesterday.

Finance Minister AMA Muhith is expected to attend the programme at Hotel Radisson.

The public subscription will be for Tk 3,500 crore, as the sponsors have contributed Tk 1,500 crore.

Meanwhile, the Securities and Exchange Commission has asked the Bangladesh Insurance Association to submit a proposal of investment in the stockmarket from the fund of life insurance.

“We have urged the regulator to allot 5 percent investment opportunity in every initial public offering,” said Sheikh Kabir Hossain, president of BIA.

Eighteen life insurers have built up a fund of Tk 140 billion by setting aside part of their premium income for future payment obligations.
Source: The Daily Star, October 10, 2011

বিএসসি আজ থেকে আরপিও আবেদন জমা নেবে

পুনঃগণপ্রস্তাবের (আরপিও) মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ (রবিবার) থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের জন্য ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেয়ার সুযোগ থাকবে।
পুঁজিবাজার থেকে নতুন করে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ২৩ আগস্ট বিএসসির পুনঃগণপ্রস্তাবের (আরপিও) আবেদন অনুমোদন করে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠান আরপিওর মাধ্যমে ৬২ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩১৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৪০০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৫০০ টাকা নেয়া হবে। ফলে ৫টি শেয়ারের সমন্বয়ে প্রতিটি লটের জন্য বিনিয়োগকারীদের ২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে।
আরপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থে প্রতিষ্ঠানটি দু’টি জাহাজ কিনবে। এরমধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণৰমতাসম্পন্ন একটি পুরনো মাদার ভেসেল ক্রয়ে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এৰেত্রে আরপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত তহবিল থেকে ১০৫ কোটি টাকা সরবরাহ করা হবে। মাদার ভেসেলের বাকি টাকা অংশীদার প্রতিষ্ঠানের (স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার) কাছ থেকে নেয়া হবে। মাদার ভেসেল ক্রয়ের প্রস্তাবটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের পর কার্যকর হবে। এছাড়া ২০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি পুরনো মালবাহী জাহাজ (প্রডাক্ট কন্টেইনার) কেনা হবে। এই জাহাজ ক্রয়ের পুরো অর্থই আরপিওর টাকা থেকে যোগান দেয়া হবে। আরপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড বিএসসির ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে।
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার সরকারের হাতে রয়েছে। বাকি ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। গত ৫ বছরের ভারিত গড়ের ভিত্তিতে বিএসসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৪৮ টাকা ৭৬ পয়সা। আর সর্বশেষ নিরীৰিত হিসাব অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সম্পদের পরিমাণ (এনএভি) ২৭৮ টাকা ৯০ পয়সা।
Source: Daily Janakantha, October 09, 2011

Orion Pharma submits IPO prospectus

Orion Pharma Ltd has submitted its IPO prospectus to the stockmarket regulator, revising its previous listing plan, its issue manager said.

Earlier the pharmaceutical company wanted to be listed through book building method, but now it plans listing through a fixed price method.

Under the revised plan, the company will float four crore ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 100, using the fixed price method.

Previously, under the book building method, its indicative price was fixed at Tk 140 per share.

The fresh IPO (initial public offering) proposal was submitted to the Securities and Exchange Commission recently, said an official of ICB Capital Management, the issue manager.

“The offer price has been revised at Tk 100 considering the asset value of the company and sectoral price-earnings ratio of the stockmarket,” said Nasir Uddin Ahmed, chief executive officer of ICB Capital Management.

The net asset value per share of the company is Tk 63.83, while price-earnings ratio of the pharmaceutical sector on the Dhaka Stock Exchange is around 16, he said.

The SEC, being instructed by the government, suspended the book building method in January this year following a price debacle in share prices.

Later, a high-profile government probe committee on the share market scam recommended modifying the book building rules, instead of scrapping it, as the system is well practised in other countries.

However, at that time analysts, including the probe committee members, alleged that the book building method was misused by many issuer companies in connivance with the regulator, auditors and issue managers.

Since the suspension of the book building method, Orion Pharma has been waiting for the resumption of the system.

The existing paid-up capital of Orion Pharma, which is contributing to human health care of the country by providing quality branded-generic pharmaceuti-cals, is Tk 155 crore.

The historical earnings per share of the company is Tk 40.08, while the weighted average earnings per share is Tk 2.40, Ahmed said.

The IPO proceeds will be used as working capital and for setting up pharmaceutical units to produce antibiotics and cancer medicines.
Source: The Daily star, October 09, 2011

জাহিনটেক্সে আইপিওতে ৫ লাখ ৬২ হাজার আবেদন

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার বরাদ্দ পাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীরা মোট ৫ লাখ ৬১ হাজার ৯৬০টি আবেদন করেছেন। এসব আবেদনপত্রের সঙ্গে ৭৯৪ কোটি ৮৮ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা পড়েছে_ যা কোম্পানির আইপিও মূল্যের চেয়ে প্রায় ১৬ গুণ বেশি। কোম্পানির পৰ থেকে প্রাথমিকভাবে এই পরিসংখ্যান দেয়া হয়েছে।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হচ্ছে। ফলে ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে। আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যনত্ম স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।
৫০০ শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জাহিনটেঙ্রে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট শেয়ার। মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত রয়েছে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার। এই দুই ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারিত ৩৬ হাজার লট শেয়ারের বিপরীতে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪৯০টি বা ১৫.১৫ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এরসঙ্গে অর্থ জমা হয়েছে ৭৭৪ কোটি ১৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা।
অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জাহিনটেঙ্রে আইপিওতে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরৰিত রয়েছে। এর বিপরীতে প্রবাসীরা মোট ১৬ হাজার ৫০০টি বা ৪.১২ গুণ আবেদন জমা দিয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ২০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ৩ আগস্ট সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২৫ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিশোধিত মূলধন ৪৫ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ৪০ কোটি টাকা, চলতি মূলধন হিসেবে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং আইপিও প্রক্রিয়া ও প্রিমিয়ামের ওপর আরোপিত কর বাবদ ৯০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
Source: The Daily Janakantha, October 05, 2011

১৩ অক্টোবর রংপুর ডেইরির আইপিও লটারি

আবেদনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ১৩ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রংপুর ডেইরি এ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) লটারি অনুষ্ঠিত হবে। আইপিওর জন্য নির্ধারিত ২৯ কোটি ৪১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকার শেয়ারের বিপরীতে মোট প্রায় ৫৪৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
রংপুর ডেইরি এ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ইয়াসিন আরাফাত জনকণ্ঠকে জানান, কোম্পানির আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দ পাওয়ার জন্য প্রায় ৫৪৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫২৭ কোটি টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। বাকি ২১ কোটি টাকা এসেছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছ থেকে। তিনি জানান, আগামী ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কোম্পানির আইপিও লটারি অনুষ্ঠিত হবে।
রংপুর ডেইরি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১ কোটি ৬৩ লাখ ৪১ হাজার ৪০০ শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ২৯ কোটি ৪১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ অর্থ সংগ্রহ করছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৮ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ১৮ টাকা নেয়া হচ্ছে। কোম্পানির ২০০টি শেয়ারে এক মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে।
Source: The Daily Janakantha, October 05, 2011

বুকবিল্ডিংয়ে আগ্রহী নয় অনেক কোম্পানি; জট খুলেছে ॥ সংশোধনীর প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হচ্ছে

প্রায় সাড়ে ৯ মাস পর প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির জট খুললেও এই পদ্ধতিতে বাজারে আসতে আগ্রহ নেই অনেক কোম্পানির। এর আগে এই পদ্ধতিতে বাজারে আসার প্রস্তুতি নেয়া কোম্পানিগুলোর অনেকেই নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসতে আগ্রহী না। আবার আগে উৎসাহ দেখালেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধান্ত থেকে সরে গেছে কোন কোন কোম্পানি। তবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর হলে নতুন অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন।
দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রে ২০১০ সালের মার্চে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়। কিন্তু ওই সময়ের বিধিমালার দুর্বলতার সুযোগে সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেৰিতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছরের ২০ জানুয়ারি এই পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করে এসইসি। পরে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশেস্নষণ ও বাজার সংশ্রিষ্টদের মতামত নিয়ে গত মঙ্গলবার এই পদ্ধতির সংশোধনী অনুমোদন করেছে এসইসি। আগামী সপ্তাহেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতির স্থগিতাদেশও তুলে নেয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাজারে শেয়ারের চাহিদা ও যোগানের (ডিমান্ড এ্যান্ড সাপস্নাই) সামঞ্জস্য বিধানের জন্য নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির ধারাবাহিকতা রৰার পরিকল্পনা করছে এসইসি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার সরবরাহের ক্ষেত্রে যাতে দীর্ঘ বিরতি না পড়ে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আবার একসঙ্গে অনেক কোম্পানি আসার ফলে বাজারে যাতে অর্থ সঙ্কট তৈরি না হয়_ সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তবে এসইসিতে আবেদন করার পর উদ্যোক্তারা যাতে অযথা সময়ক্ষেপণ বা হয়রানির শিকার না হন_ সেদিকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা চালুর পর এই পদ্ধতির আওতায় জমা থাকা আবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হবে। স্থগিতাদেশের আগে এসইসিতে এ ধরনের ৪টি আবেদন জমা ছিল। এরমধ্যে ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর চূড়ানত্ম অনুমোদন পেলেও আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সেই সময় বাজারে আসতে পারেনি এলায়েন্স হোল্ডিংস লিমিটেড। আর ব্রোকারেজ হাউসের তালিকাভুক্তির ৰেত্রে ডিএসইর নেতিবাচক অবস্থানের কারণে লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজকে অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
অন্যদিকে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ১৩ জানুয়ারি ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টসের আইপিও অনুমোদন করে এসইসি। তবে এর পরপরই বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেনি কোম্পানিটি। এই কোম্পানির শেয়ারের নির্ধারিত মূল্য নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। এর প্রেৰিতে সম্প্রতি কোম্পানিটি বুকবিল্ডিংয়ের পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে আইপিও অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে।
এছাড়া বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নাভানা রিয়েল এস্টেট এবং কেয়া কটন মিলস লিমিটেডের আইপিও আবেদন এসইসিতে জমা আছে। এরমধ্যে নাভানা রিয়েল এস্টেট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩৭২ কোটি টাকা এবং কেয়া কটন ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। তবে আগে নির্ধারিত দরে এই দুই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করবে না এসইসি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে হলে কোম্পানিগুলোকে নতুন বিধি অনুযায়ী রোড শো’ আয়োজন করে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের নির্দেশনা দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত জানুয়ারি পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য র্নিধারণের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করেছিল বেশ কিছু কোম্পানি। এরমধ্যে জিএমজি এয়ারলাইন্স এ বছরের ১২ জানুয়ারি রোড শো’ আয়োজন করে। কোম্পানিটি মোট ৬ কোটি শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে আর্থিক পরিস্থিতি ভাল না থাকায় কোম্পানিটি আপাতত পুঁজিবাজারে আসবে না বলে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে।
এর আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল গোল্ডেন হারভেস্ট, বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড, অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড, পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং সামিট শিপিং লিমিটেড। এরমধ্যে সরকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড ইতোমধ্যেই নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে বাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরম্ন করেছে। কোম্পানিটি কোম্পানিটি ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
গোল্ডেন হারভেস্ট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব দিয়েছিল। ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ১৬ জানুয়ারি রোড শো’ আয়োজন করে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রথম কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধানত্ম নেয় আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর কোম্পানিটি মোট ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল। আনন্দ শিপইয়ার্ডের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড ৪ কোটি এবং পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম নিয়েছিল। এরমধ্যে অরিয়ন ফার্মা আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিযুক্ত করে। আর পিএইচপি ফ্লোট গস্নাসের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। সামিট গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান সামিট শিপিং লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিয়োগ করে। এছাড়া বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড (বিবিএস) নামে একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার জন্য জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়েছিল।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে হলে প্রতিটি কোম্পানিকেই পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে শুরম্ন করতে হবে। তবে ইতোমধ্যেই কোন কোন কোম্পানি এই পদ্ধতিতে বাজারের আসার সিদ্ধানত্ম থেকে সরে গেছে। এমনকি দু’ একটি কোম্পানি বর্তমান পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহও হারিয়ে ফেলেছে। তবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর হলে এর বাইরে অনেক কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহী বলে বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

Source: The Daily Janakantha, September 29, 2011