Monthly Archives: October 2011

পাইপ লাইনে ১২ কোম্পানির আইপিও

পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহের জন্য পাইপ লাইনে রয়েছে ১২ কোম্পানির আইপিও। এসব কোম্পানি আইপিও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের অনুমোদন পেলেই বাজারে আইপিও ছাড়বে বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, তালিকাভুক্তির নির্দিষ্ট মূল্য পদ্ধতিতে ৩২০ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার বিক্রি করে প্রিমিয়ামসহ ১৮০৫ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য এ কোম্পানিগুলো এসইসির কাছে আবেদন করেছে। প্রতিটি কোম্পানি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের জন্য গড়ে ৪৬.৪০ প্রিমিয়াম চেয়ে আবেদন করে। কোম্পানিগুলো হলো-ইউনিক হোটেল, এনার্জি প্রিমা, এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢাকা রিজেন্সি, জিএসপি ফিন্যান্স, আর্গন ডেনিমস, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, সায়হাম কটন ও ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং। জানা গেছে, আর্গন ডেনিমস ৩ কোটি ৪২ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ২৪০ কোটি টাকা, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ১২ কোটি টাকা, শাহজিবাজার পাওয়ার ৫ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ২৭০ কোটি টাকা, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যাল ৭২ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ৩৬ কোটি টাকা, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস প্রায় ২ কোটি শেয়ার বিক্রি করে ১০৮ কোটি টাকা, সায়হাম কটন ৩ কোটি ৫৫ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ২৯৯ কোটি টাকা এবং ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডায়িং আড়াই কোটি শেয়ার বিক্রি করে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ ছাড়া ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড ১০ টাকা মূল্যের ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। ১০ টাকা মূল্য এবং ১০৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রাথমিক মূল্য ধরা হয়েছে ১১৫ টাকা। এনার্জি প্রিমা ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩ কোটি ১৩ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ২৯৮ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করার আবেদন করেছে। এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ ৩ কোটি শেয়ার বিক্রি করে ৯০ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ করার আবেদন করেছে। ঢাকা রিজেন্সি আড়াই কোটি শেয়ার বিক্রি করে ১০০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করার আবেদন করেছে। জিএসপি ফিন্যান্স ২ কোটি শেয়ার বিক্রি করে ৬০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহ করার আবেদন করেছে।

Source: The Daily Manabzamin, October 28, 2011

আইসিবি’র ১০০০ কোটি টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ড শিগগিরই

এমএম মাসুদ: ৫০০ কোটি টাকার দুইটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। গতকাল আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) চূড়ান্ত অনুমোদন ও তালিকাভুক্তির কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরই খুব শিগগিরই আইপিও ছাড়ার কাজ শুরু হবে। বৈঠকে উপস্থিত একজন শীর্ষ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, সর্বমোট এক হাজার কোটি টাকার দু’টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আইপিও ছাড়ার সিদ্ধান্ত আইসিবি’র আগের বোর্ড সভায় অনুমোদিত হয়েছিল। যার নাম দেয়া হয়েছে, আইসিবি এনআরবি এনার্জি মিউচ্যুয়াল ফান্ড স্কিম ওয়ান এবং আইসিবি এনার্জি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ফান্ড দু’টির ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ২৫০ কোটি টাকা আইপিও’র মাধ্যমে এবং ২০০ কোটি টাকা প্রি-আইপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। আর বাকি অবশিষ্ট ৫০ কোটি টাকা স্পন্সর হিসেবে থাকবে আইসিবি নিজে। এর প্রতি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা। এ দু’টি ফান্ডের অ্যাসেট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করবে আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। তবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের অন্য একটি সূত্র জানায়, আইপিও ছাড়ার সময় এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে ছাড়া যায় সেজন্য এসইসি’র সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চেষ্টা করে যাচ্ছি; যতদ্রুত সম্ভব শিল্পখাতের সমস্যা দূরীকরণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঙ্কটের সমাধান দিতে আইপিও ছাড়ার সময় নির্ধারণ করা হবে। আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন খান বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সঙ্কটের উন্নয়নের লক্ষ্যে এসব মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠন করা হচ্ছে। পাওয়ার সেক্টরে গড়ে ওঠা নতুন নতুন প্রাইভেট কোম্পানিকে প্রাইভেট ইক্যুইটি বা তারল্য জোগান দিতেই এসব ফান্ড তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, কয়লাসহ এ সংক্রান্ত যে কোন উদ্যোগে এ টাকা বিনিয়োগ করবে আইসিবি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এসব মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হবে বলে জানান তিনি।

Source: The Daily Manabzamin, October 27, 2011

bdipo মাইক্রো অ্যাকাউন্ট চালু করলো

প্রায় ছয় মাস হলো আমরা bdipo-র paid ভার্সন চালু করেছি। আমাদের গ্রাহকরা খুব ভালভাবেই সাড়া দিয়েছে, টাকা দেবার পদ্ধতিটা বুঝতে যদিও একটু সমস্যা হচ্ছিলো। যাহোক, আমরা কিন্তু আমাদের প্রত্যাশিত ফলাফল পাইনি যা থেকে আমাদের খরচটা উঠে আসে। একটু নীরিক্ষা করে বুঝতে পারলাম যে এর প্রধান কারণ হলো অনেক গ্রাহকরাই একটি পেইড অ্যাকাউন্টের পরিবর্তে অনেকগুলি ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলেছেন।

যদিও আমরা ফ্রি অ্যাকাউন্ট রাখার পক্ষে ছিলাম, bdipo-কে চালু রাখা বৃহত্তর স্বার্থে, আমরা আর সেটা পারছি না।

তাই আমরা ৫ টা BO account এর সুবিধা নিয়ে Micro Account চালু করছি। ফ্রি অ্যাকাউন্ট যাদের আছে তারা প্রায় এক মাস সময় পাচ্ছে টাকা দিয়ে মাইক্রো অ্যাকাউন্ট-এ চলে আসার জন্য। Micro Account এ আপগ্রেড করতে যে টাকা দিতে হবে সেটা বিভিন্ন জনের জন্য বিভিন্ন হবে, তবে সেটা হবে ১০০ টাকার কাছাকাছি। bdipo তে login করে, Upgrade মেন্যু আইটেমে ক্লিক করার পর যে পরিমাণ টাকা দেবার কথা বলা থাকবে, খেয়াল রাখবেন আপনি যেন ঠিক ঐ পরিমাণ টাকাই দেন।

১লা ডিসেম্বর ২০১১ থেকে যাদের ফ্রি অ্যাকাউন্ট থাকবে তারা কোনো আসল IPO ফর্ম তৈরি এবং নতুন কোনো লটারির ফলাফল দেখতে পারবেন না।

তবে যারা টাকা দেবার আগে bdipo একটু ব্যবহার করে দেখতে চান আমরা তাদের জন্য Trial Account রাখছি। ট্রায়াল অ্যাকাউন্ট এ BO Account তৈরি করা যাবে, নমুনা ফর্ম তৈরি হবে এবং পুরানো লটারির ফলাফল দেখা যাবে। ১লা ডিসেম্বর ২০১১ –এ সমস্ত ফ্রি অ্যাকাউন্টগুলি ট্রায়াল অ্যাকাউন্টে পরিণত হবে। ট্রায়াল অ্যাকাউন্ট থেকে ফ্রি আকাউন্টে চলে আসা যাবে।

আপনাদের সবাইকে খুব আনন্দময় ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। বন্ধু ও পরিবারকে নিয়ে জীবনটাকে উপভোগ করুন। ফর্ম পূরণ করার মত নিরস কাজ bdipo-র জন্য ছেড়ে দিন।

শুভেচ্ছান্তে,

শায়ের হাসান
bdipo Team

Launching Micro Plan

It is more than six months, we launched the paid versions of bdipo. Our customers took it nicely, except a bit hiccups in the payment process. However, we did not receive expected responses to cover our going cost. After a bit of research we found that the primary reason is that a lot many customers opened multiple free accounts, instead of maintaining one paid account.

Although our team was for keeping a free account, we could not do so for greater sake of keeping the product alive.

So, here we are coming up with Micro Account with the limit of 5 BO accounts. Free account holders have about one month in hand to upgrade to Micro Plan or any other paid plans by paying the due. The amount to upgrade to Micro Plan varies from person to person, but it is about Tk. 100. Please make sure you pay exactly the mentioned amount that will be instructed to you after you click the Upgrade menu item and choose your plan.

With effect from Dec 1, 2011 all existing free account holders will be barred from generating real IPO forms and checking latest results using dynamic search.

However, we are making a Trial Account available for those who want to try our product before deciding to buy. In trial account customers will be able to create BO accounts, generate dummy forms and check an old lottery result dynamically. On December 1, 2011 all existing Free Accounts will be converted to Trial Accounts. Trial account holders can convert to any paid plan, by paying the required amount.

We wish you all a very happy Eid-ul-Azha. Enjoy your life with your friends and family. Leave the boring form-filling-kind-of-jobs to bdipo.

With all the best,

Shaer Hassan
bdipo Team

জিবিবি পাওয়ারের আইপিও অনুমোদন

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ার লিমিটেডের প্রাথমিক গণ-প্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়। কমিশন সভা শেষে এসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৫ লাখ শেয়ার ছেড়ে জিবিবি পাওয়ার মোট ৮২ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। আইপিও’র মাধ্যমে বিক্রির জন্য কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৩০ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৪০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড জিবিবি পাওয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে। জানা গেছে, কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা এবং বর্তমানে পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষ হলে পরিশোধিত মূলধন ৫১ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী জিবিবি পাওয়ারের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২ টাকা ৮৩ পয়সা।

Source: Daily Manabzamin, 19 October, 2011

জাহিনটেক্সে আইপিও লটারি আজ

আবেদনকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারি অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে নির্ধারিত শেয়ারের তুলনায় ১৭ গুণের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। ৫০০ শেয়ারের মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট ৪০ হাজার আবেদনকারী জাহিনটেঙ্রে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এরমধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ বা ৩২ হাজার লট শেয়ার। মিউচ্যুয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত রয়েছে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার। এই দুই ক্যাটাগরির জন্য নির্ধারিত ৩৬ হাজার লট শেয়ারের বিপরীতে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪৯০টি আবেদন জমা পড়েছে। এরসঙ্গে অর্থ জমা হয়েছে ৭৭৪ কোটি ১৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা।
অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জাহিনটেঙ্রে আইপিওতে ২০ লাখ বা ৪ হাজার লট শেয়ার সংরৰিত রয়েছে। এর বিপরীতে প্রবাসীরা প্রায় ১৭ হাজার বা ৫ গুণ আবেদন জমা দিয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২১ কোটি টাকা।
কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ২৫ টাকা নেয়া হয়েছে। ফলে ৫০০ শেয়ারের প্রতি লটের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে ১২ হাজার ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়েছে। আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৮ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেয়া হয়েছে।
জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ৩ আগস্ট সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২৫ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিশোধিত মূলধন ৪৫ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ৪০ কোটি টাকা, চলতি মূলধন হিসেবে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং আইপিও প্রক্রিয়া ও প্রিমিয়ামের ওপর আরোপিত কর বাবদ ৯০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৪৬ টাকা ১ পয়সা। ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্ধ-বার্ষিক হিসেবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩ টাকা ৫ পয়সা। এর ভিত্তিতে বার্ষিক হিসেবে ইপিএস ধরা হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা।
Source: The daily Janakantha, 19 October

বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের আইপিও শুরু হচ্ছে আজ

ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন জমা নেওয়া শুরু হচ্ছে আজ থেকে। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় বাংলাদেশিরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে এ আবেদন জমা দিতে পারবেন। অনাবাসী বাংলাদেশিদের (এনআরবি) ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
গত ১৭ আগস্ট সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডে প্রসপেক্টাস (বিবরণী) অনুমোদন দিয়েছে। এ ফান্ডের আকার হবে ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তাদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এ ফান্ডটির উদ্যোক্তা অংশের টাকা ইতিমধ্যেই এসইসির অনুমোদন সাপেক্ষে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ফান্ডের অবশিষ্ট ৩০০ কোটি টাকার মধ্যে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের জন্য ৫০ কোটি টাকা এবং আইপিওর মাধ্যমে ২৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।
আইপিওর ২৫০ কোটি টাকার মধ্যে ২০০ কোটি টাকা স্থানীয় বাংলাদেশিদের থেকে সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর জন্য ২৫ কোটি টাকা ও এনআরবিদের জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে। এ ফান্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ১০ টাকা। এ ফান্ডের উদ্যোক্তা হচ্ছে_সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক ও আইসিবি ইউনিট ফান্ড। ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপক রেইস ম্যানেজমেন্ট পিসিএল।
Source: Daily Kaler Kantho, October 16, 2011

আবার চাঙ্গা হচ্ছে আইপিও বাজার, নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসতে ইতোমধ্যেই অনেক কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় আবেদন জমা দিয়েছে

কিছুদিন ঝিমিয়ে থাকার পর আবারও চাঙ্গা হচ্ছে প্রাইমারী শেয়ারের বাজার। সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দা অব্যাহত থাকলেও শেয়ারবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে তৎপর হচ্ছেন উদ্যোক্তারা। শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা শেষ হওয়ায় শীঘ্রই নতুন নতুন কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে শুরু করবে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর হলে নতুন অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে মার্চেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন। আর নির্ধারিত মূল্যে বাজারে আসার জন্য ইতোমধ্যেই অনেক কোম্পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় আবেদন জমা দিয়ে রেখেছে।
দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের ৰেত্রে ২০১০ সালের মার্চে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি কার্যকর করা হয়। কিন্তু ওই সময়ের বিধিমালার দুর্বলতার সুযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেৰিতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছরের ২০ জানুয়ারি এই পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করে এসইসি। পরে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে এই পদ্ধতির সংশোধনী অনুমোদন করেছে এসইসি।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত থাকার কারণে স্থবির হয়ে পড়েছিল আইপিও বাজার। এ সঙ্কট কাটাতে আইপিও বাজার (প্রাইমারী মার্কেট) চাঙ্গা করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বাজারে শেয়ারের চাহিদা ও যোগানের (ডিমান্ড এ্যান্ড সাপস্নাই) সামঞ্জস্য বিধানের জন্য নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষার পরিকল্পনা করছে এসইসি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার সরবরাহের ৰেত্রে যাতে দীর্ঘ বিরতি না পড়ে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আবার একসঙ্গে অনেক কোম্পানি আসার ফলে বাজারে যাতে অর্থ সঙ্কট তৈরি না হয়_ সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। তবে এসইসিতে আবেদন করার পর উদ্যোক্তারা যাতে অযথা সময়ক্ষেপণ বা হয়রানির শিকার না হন_ সেদিকেও গুরম্নত্ব দেয়া হচ্ছে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা চালুর পর এই পদ্ধতির আওতায় জমা থাকা আবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হবে। স্থগিতাদেশের আগে এসইসিতে এ ধরনের ৪টি আবেদন জমা ছিল। এরমধ্যে ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর চূড়ানত্ম অনুমোদন পেলেও আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় সেই সময় বাজারে আসতে পারেনি এলায়েন্স হোল্ডিংস লিমিটেড। আর ব্রোকারেজ হাউসের তালিকাভুক্তির ৰেত্রে ডিএসইর নেতিবাচক অবস্থানের কারণে লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজকে অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
অন্যদিকে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ১৩ জানুয়ারি ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টসের আইপিও অনুমোদন করে এসইসি। তবে এর পরপরই বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেনি কোম্পানিটি। এই কোম্পানির শেয়ারের নির্ধারিত মূল্য নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। এর প্রেৰিতে সম্প্রতি কোম্পানিটি বুকবিল্ডিংয়ের পরিবর্তে নির্ধারিত মূল্যে আইপিও অনুমোদনের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে।
এছাড়া বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নাভানা রিয়েল এস্টেট এবং কেয়া কটন মিলস লিমিটেডের আইপিও আবেদন এসইসিতে জমা আছে। এরমধ্যে নাভানা রিয়েল এস্টেট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩৭২ কোটি টাকা এবং কেয়া কটন ৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২৪৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। তবে আগে নির্ধারিত দরে এই দুই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করবে না এসইসি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আসতে হলে কোম্পানিগুলোকে নতুন বিধি অনুযায়ী রোড শো আয়োজন করে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের নির্দেশনা দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
গত জানুয়ারি পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য র্নিধারণের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করেছিল বেশ কিছু কোম্পানি। এরমধ্যে জিএমজি এয়ারলাইন্স এ বছরের ১২ জানুয়ারি রোড শো আয়োজন করে। কোম্পানিটি মোট ৬ কোটি শেয়ার ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে আর্থিক পরিস্থিতি ভাল না থাকায় কোম্পানিটি আপাতত পুঁজিবাজারে আসবে না বলে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
এর আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল গোল্ডেন হারভেস্ট, বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড, অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড, পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং সামিট শিপিং লিমিটেড। এরমধ্যে সরকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাব মেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড ইতোমধ্যেই নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে বাজারে আসার প্রক্রিয়া শুরম্ন করেছে। কোম্পানিটি ৩ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ছাড়বে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। গোল্ডেন হারভেস্ট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব দিয়েছিল। ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ১৬ জানুয়ারি রোড শো আয়োজন করে। এই কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। জাহাজ নির্মাণ শিল্পের প্রথম কোম্পানি হিসেবে পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধানত্ম নেয় আনন্দ শিপইয়ার্ড এ্যান্ড সিস্নপওয়েজ লিমিটেড। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর কোম্পানিটি মোট ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার কথা ছিল। আনন্দ শিপইয়ার্ডের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। অরিয়ন ফার্মা লিমিটেড ৪ কোটি এবং পিএইচপি ফ্লোট গস্নাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধানত্ম নিয়েছিল। এরমধ্যে অরিয়ন ফার্মা আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিযুক্ত করে। আর পিএইচপি ফ্লোট গস্নাসের ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
সামিট গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান সামিট শিপিং লিমিটেড ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য ব্যানকো ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপক নিয়োগ করে। এছাড়া বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড (বিবিএস) নামে একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসার জন্য জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে ইসু্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়েছিল।
অন্যদিকে নির্ধারিত মূল্যে শেয়ার ছাড়ার জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি কোম্পানি এসইসিতে আবেদন করেছে। এরমধ্যে রয়েছে পদ্মা লাইফ ইন্সু্যরেন্স, এনার্জি প্রিমা, আমরা টেকনোলজি, জিএসপি ফাইন্যান্স, এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট, শাহীবাজার পাওয়ার, ডেল্টা স্পিনার্স (আরপিও), সায়হাম কটন মিলস, জিবিবি পাওয়ার, গেস্নাবাল হেভী কেমিক্যাল, জিপিএইস ইস্পাত এবং ফার ইস্ট নিটিং এ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ।
Source: Daily Janakantha, October 16, 2011