Monthly Archives: August 2011

তিন কোটি শেয়ার ছাড়ছে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি

তালিকাভুক্ত ২৬ সরকারি কোম্পানির মধ্যে সাবমেরিন কেবল কোম্পানি (বিএসসিসিএল) সবার আগে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন করেছেন তারা। ঈদের পরপরই বিএসসিসিএলের শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। জানা গেছে, কোম্পানিটি ৮ কোটি ৭০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৩ লাখ ১০ হাজার শেয়ার বাজারে দিয়ে দিচ্ছে। বিএসসিসিএলের ইস্যু ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম পাবে বিএসসিসিএল। তাতে সব মিলে তাদের অ্যাকাউন্টে ১০৮ কোটি টাকা জমা পড়বে বলে জানিয়েছেন কোম্পানির সচিব আবদুস সালাম। একই সঙ্গে কোম্পানির ৮৭ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন বেড়ে ১১৮ কোটি টাকা হবে বলেও জানান তিনি।
কোম্পানি সচিব জানান, এক মাসের মধ্যেই আইপিও বাজারে আসবে বলে এসইসি তাদের জানিয়েছে। তিনি জানান, আইপিওর মাধ্যমে পাওয়া টাকা দিয়ে ২০০৬ সালে সাবমেরিন কেবল সংযোগ দেওয়ার আগে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কাছ থেকে যে ঋণ নেওয়া হয়েছিল তার কিছু অংশ শোধ করা হবে। ৩৪০ কোটি টাকা ঋণের আর মাত্র ৭৫ কোটি টাকা বাকি আছে। একই সঙ্গে এ অর্থ থেকে ভারতের সেভেন সিস্টার রাজ্যগুলোয় ব্যান্ডউইথ রফতানির কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
জরুরি অবস্থার মধ্যে ২০০৮ সালে ১ জুলাই যাত্রা করা কোম্পানিটি প্রথম বছরেই লাভ করে। ২০০৮-০৯ অর্থবছর তাদের লাভ হয় ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। পরের অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকায়। আর গত অর্থবছরে লাভের এ অঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ কোটি পেরিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রথম অর্থবছরে লাভ করার পরই বিএসসিসিএলের বোর্ড পুঁজিবাজারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি হিসেবে তখন এক রকম বাধ্য হয়েই বোর্ড পুঁজিবাজারে যাওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। পুঁজিবাজারে যাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে ক্রেডিট রেটিং ট্রিপল ‘এ’ অর্জন করে বিএসসিসিএল। পরে গত ১৩ জানুয়ারি বিশেষ এক রোডশোর আয়োজন করে কোম্পানিটি।

Source:  Samakal, 29 August, 2011

প্রতিটি শেয়ারের দাম ৫০০ টাকা নির্ধারণ

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) পুনঃপ্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আরপিও) সংশোধনী এনেছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত এ কোম্পানি আরপিওর জন্য শেয়ারের যে দাম নির্ধারণ করেছিল, সংশোধিত প্রস্তাবে তা অর্ধেকে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের এ সিদ্ধান্ত গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
ডিএসইর ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, বিএসসির আরপিওর জন্য ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম ৫০০ টাকায় পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে প্রতিটি শেয়ার এক হাজার টাকা চাওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে প্রিমিয়াম বা অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছিল ৯০০ টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে ৪০০ টাকা প্রিমিয়াম চাওয়া হয়েছে।
বিএসসির ইস্যু ব্যবস্থাপক রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশের (আইসিবি) একজন কর্মকর্তা জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সঙ্গে আলোচনার পরই শেয়ারের দাম অর্ধেক কমানো হয়েছে।
জানা গেছে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে বিএসসিকে শেয়ারের দর কমাতে বলেছে এসইসিই। এসইসির কাছে জমা দেওয়া প্রস্তাবে বিএসসি ৬২ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার ছেড়ে জনসাধারণের কাছ থেকে ৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সংশোধিত প্রস্তাব অনুযায়ী কোম্পানিটি এখন তুলতে পারবে ৩১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
কোম্পানিটির ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক সরকার। আর বাকি ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে জনসাধারণের হাতে।

Source: Prothom Alo

পুঁজিবাজার থেকে ৭০০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে সিটিসেল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়ায় বাজারে আসছে দেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর কোম্পানি প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (সিটিসেল)। আইপিও প্রক্রিয়ায় পুঁজিবাজার থেকে ৭০০ কোটি টাকা মূলধন উত্তোলনের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ জন্য ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে এএএ কনসালট্যান্টস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার্স লিমিটেডকে নিয়োগ দিয়েছে দেশের প্রথম ও অন্যতম প্রধান এ মোবাইল অপারেটর। সিটিসেলের শীর্ষ এক কর্মকর্তাও এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং ইস্যু ম্যানেজার এএএ কনসালট্যান্টস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার্সের কয়েক কর্মকর্তাও তা স্বীকার করেছেন। সরকার মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য চাপ দিয়ে আসছে। তালিকাভুক্তির শর্তে কোম্পানিগুলোকে ১০ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধাও দিয়েছে সরকার। কিন্তু গ্রামীণফোন ছাড়া এখনও কোন কোম্পানি এ সুবিধা নেয়নি। এদিকে ইস্যু ম্যানেজার এএএ কনসালটেন্টস অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল অ্যাডভাইজার্স সূত্রে জানা গেছে, সিটিসেলের আইপিও আবেদনের প্রাথমিক নথিপত্র তৈরির কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ইস্যু ম্যানেজারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্তমানে কোম্পানিটির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের কাজ চলছে। সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির বিধি অনুযায়ী, আইপিওর সব শর্ত পূরণ করে মূলধন উত্তোলনের আবেদন করা হবে। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (বিটিএল) নামে সিটিসেল কোম্পানিটি বাংলাদেশে সেলুলার, পেজিং ও অন্যান্য ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য নিবন্ধন পেয়েছিল। ১৯৯০ সালে হাচিনসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (এইচবিটিএল) এবং বিটিএলের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বাণিজ্যিক আকারে এএমপিএস মোবাইল প্রযুক্তিতে ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সেলুলার অপারেটর হিসেবে যাত্রা করে। পরের বছর প্যাসিফিক মটরস বিটিএলের ৫০ শতাংশ অংশীদারিত্ব কিনে নেয়। ১৯৯৬ সালে এইচবিটিএল নাম পরিবর্তন করে প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (পিবিটিএল) এবং ‘সিটিসেল ডিজিটাল’ নামে বাজারে তাদের সেলুলার পণ্য নিয়ে আসে। ২০০৮ সালের ২৮শে মার্চ সিটিসেল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তর হয়। জানা যায়, এর পর ২০০৮ সালের ১৪ই জুলাই কোম্পানিটি ৪৩০ কোটি টাকার মূলধন বৃদ্ধি করে। এ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা হচ্ছে- প্যাসিফিক মটরস লিমিটেড, প্যাসিফিক ট্রেডার্স লিমিটেড, প্যাসিফিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ফারইস্ট টেলিকম লিমিটেড, সিংটেল এশিয়া প্যাসিফিক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, সিংটেল কনসালটেন্সি লিমিটেড ও সিঙ্গাপুর টেলিকম পেজিং লিমিটেড।

বীমা কোম্পানির আইপিও অনুমোদনে এসইসিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

৪০ কোটি টাকা ন্যুনতম মূলধনের শর্ত শিথিল করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির বাইরে থাকা বীমা কোম্পানিগুলোকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমতি প্রদানের জন্য সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বিদ্যমান আইনকানুন ও বিধিবিধানের আলোকে আইপিও আবেদন করা এ প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণে গত সপ্তাহে কমিশনের প্রতি এ নির্দেশনা দেয়া হয়।
জানা গেছে, পরিশোধিত মূলধন নিয়ে জটিলতার কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে ছয়টি বীমা কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া। বীমা কোম্পানির জন্য শেয়ারবাজারে আসা বাধ্যতামূলক হলেও পরিশোধিত মূলধনের নূ্যনতম শর্ত পূরণ না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের আইপিও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি এসইসি। পরে বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে মূলধনী শর্ত শিথিলের পরামর্শ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় এসইসি। এর মধ্যে নতুন বীমা আইন অনুযায়ী কর্তৃপৰ গঠন না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন মতামত দেয়া হবে না বলে জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আইপিও জটিলতায় আটকে ছিল এ কোম্পানিগুলো। পরে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপৰ গঠনের পর চলতি বছরের ১০ এপ্রিল বীমা কোম্পানিকে গণপ্রসত্মাবের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রির ওপর মতামত দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। এ মতামত অনুযায়ী বীমা আইন, ২০১০-এর বিধান অনুযায়ী লাইফ ও নন-লাইফ বীমাসমূহের পরিশোধিত মূলধন যথাক্রমে ৩০ কোটি ও ৪০ কোটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এ আইন জারির হওয়ার পূর্বে বিদ্যমান নিবন্ধিত বীমা কোম্পানিসমূহের জন্য বিধির দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ও সময়সীমার মধ্যে ওই পরিমাণ মূলধন থাকার শর্ত পূরণ করতে হবে। মূলধন উত্তোলন করার জন্য এ আইন প্রবর্তনের তারিখ থেকে ৩ বছর সময় দেয়া হবে।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্সু্যরেন্স পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এসইসিতে আবেদন করে। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে ৪ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রসত্মাব দিয়েছে। কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১০০ টাকা প্রিমিয়াম চাওয়া হয়েছে।
মেঘনা ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি আইপিওর মাধ্যমে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যর ৯ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৯ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে। কোম্পানিটি গত বছরের ২৮ এপ্রিল এসইসিতে আবেদন জমা দেয়। একই দিন আবেদন জমা দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্সু্যরেন্স কোম্পানি লিমিটেডও। কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে ৯ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে সাড়ে ১৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৫০ টাকা প্রিমিয়াম চাওয়া হয়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আইপিও আবেদন জমা নেবে জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ

প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ করবে জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। প্রবাসী বাংলাদেশী (এনআরবি) বিনিয়োগকারীদের ১ অক্টোবরের মধ্যে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে।
জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ আইপিওর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের জন্য গত ৩ আগস্ট সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) অনুমোদন লাভ করে। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা সংগ্রহ করা হবে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানির ইসু্য ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২৫ কোটি টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পরিশোধিত মূলধন ৪৫ কোটি টাকায় উন্নীত হবে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ব্যাংক ঋণ পরিশোধে ৪০ কোটি টাকা, চলতি মূলধন হিসেবে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং আইপিও প্রক্রিয়া ও প্রিমিয়ামের ওপর আরোপিত কর বাবদ ৯০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ৪৬ টাকা ১ পয়সা। ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যনত্ম অর্ধবার্ষিক হিসাবে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল প্রায় ৩ টাকা ৫ পয়সা। এর ভিত্তিতে বার্ষিক হিসাবে ইপিএস ধরা হয়েছে ৬ টাকা ৯ পয়সা।
জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজ ২০০২ সালের ১১ জুন একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে কোম্পানির কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরম্ন হয়। ২০১০ সালের ৭ মার্চ জাহিনটেঙ্ ইন্ডাস্ট্রিজকে লিমিটেড কোম্পানিতে রূপানত্মর করা হয়। কোম্পানিটি তৈরি পোশাক ও সোয়েটার উৎপাদন ও রফতানির কর্মকা-ে নিয়োজিত।

আইপিওতে আসছে ১৪ বীমা কোম্পানি

সব জটিলতা কাটিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে জীবন বীমা ও সাধারণ বীমা’র ১৪টি কোম্পানি। এরই মধ্যে এ কোম্পানিগুলো তাদের প্রসপেক্টর এবং ইস্যু ম্যানেজার নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) কাছে এ কোম্পানিগুলো শেয়ার বাজারে ছাড়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) জন্য আবেদন করবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। যে কোম্পানিগুলো আইপিওতে আসছে: জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে- হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পদ্মা ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সান লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং গোল্ডেন লাইফ ইন্স্যুরেন্স। অন্যদিকে সাধারণ বীমা কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- সাউথ এশিয়ান ইন্স্যুরেন্স,  ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স। জানা যায়, বীমা আইন অনুযায়ী লাইসেন্স পাওয়ার তিন বছরের মধ্যে কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে। কিন্তু এসব ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা না হওয়ায় তারা শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারছে না। এ কারণে এ কোম্পানিগুলোকে প্রতিদিন ১ হাজার টাকা করে জরিমানা গুনতে হচ্ছে। এ জরিমানা থেকে রক্ষার জন্য ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে এসইসি’র নিয়ম শিথিল করার জন্য আবেদনও করা হয়েছে। সূত্র মতে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ৪০ কোটি টাকা হওয়া বাধ্যতামূলক হওয়ার কারণে বীমা কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

নতুন বীমা আইনে জীবনবীমা কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে বীমা আইনের শর্ত পূরণ করলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে না। এ জটিলতা এড়াতে বীমা কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের শর্ত শিথিল করার প্রস্তাব দিয়ে জুলাই মাসে প্রথম দিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় এসইসি। জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদনকারী বীমা কোম্পানিগুলোর কোনটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধনই ১০ কোটি টাকার বেশি নয়। বীমা আইনে সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তাদের পরিশোধিত মূলধন ২৪ কোটি টাকা এবং জীবন বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে ১৮ কোটি নির্ধারণ করে দেয়া আছে। কোম্পানিগুলো উদ্যোক্তা অংশের মূলধনের এ শর্ত পূরণ করে এসইসিকে অবহিত করলে তাদের আইপিও অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এসইসি সূত্রে জানা গেছে, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য গত বছরের ২৬শে জানুয়ারি এসইসিতে আবেদন করে। কোম্পানিটি আইপিও’র মাধ্যমে ৪ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব দিয়েছে। কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১০০ টাকা প্রিমিয়াম চাওয়া হয়েছে। মেঘনা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি আইপিও’র মাধ্যমে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যর ৯ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৯ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে। কোম্পানিটি গত বছরের ২৮শে এপ্রিল এসইসিতে আবেদন জমা দেয়। একই দিন আবেদন জমা দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডও। কোম্পানিটি আইপিও’র মাধ্যমে ৯ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে সাড়ে ১৩ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। কোম্পানির ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৫০ টাকা প্রিমিয়াম চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আইপিওর পরিমাণ ৯ কোটি টাকা। মোট শেয়ারের সংখ্যা ৯ লাখ। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা। কোম্পানিটি গত বছরের ২৯শে এপ্রিল এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছে। পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের আইপিও’র মাধ্যমে ১১ কোটি ২৫ হাজার টাকা সংগ্রহের জন্য এসইসিতে আবেদন করেছে। এ কোম্পানির মোট শেয়ারের সংখ্যা ৪ লাখ ৫০ হাজার। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা এবং শেয়ার প্রতি ১৪৫ টাকা প্রিমিয়াম চাওয়া হয়েছে। এ কোম্পানিও গত বছরের ২৯শে এপ্রিল আবেদন করেছে। ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স পুঁজিবাজার থেকে ৯ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায়। ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৬ কোটি টাকা।

আগের বীমা আইন অনুযায়ী পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশের ৩ বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছেড়ে সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকায় এবং জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর পরিশোধিত মূলধন ৩ কোটি থেকে ৯ কোটি টাকায় উন্নীত করা বাধ্যতামূলক। তবে নতুন বীমা আইনে পরিশোধিত মূলধনের বাধ্যবাধকতা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিটি কোম্পানিকেই উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে মূলধন সংগ্রহের পাশাপাশি আইপিও’র পরিমাণও বাড়াতে হবে।

Source: Manobzamin

এসইসির অনেক প্রস্তাবে ডিএসইর ভিন্নমত

বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কার্যালয়ে সকাল ১১টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাজারসংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনী চূড়ান্ত করা হবে। এতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জসহ বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে এই পদ্ধতির কয়েকটি দিক নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। ডিএসই সূত্রে এ ভিন্নমতের তথ্য জানা গেছে।
এনএভি ও ইপিএসের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্যসীমা বেঁধে দিতে এসইসি যে প্রস্তাব দিয়েছে তাতে ভিন্নমত রয়েছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই)। এসইসিতে জমা দেওয়া ডিএসইর লিখিত মতামতে এই ভিন্নমত প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়ার এই ব্যবস্থাকে বুকবিল্ডিংয়ের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী বলে মনে করছে ডিএসই। এসইসির প্রস্তাব অনুযায়ী বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোনো শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কম্পানির তিন বছরের গড় শেয়ারপ্রতি আয়ের (ইপিএস) ১৫ গুণ এবং নিট সম্পদ মূল্যের (এনএভি) ৩ গুণের বেশি হতে পারবে না। এক্ষেত্রে নির্দেশক মূল্য কম্পানির এনএভির চেয়ে কম হতে পারবে না।
এসইসির প্রস্তাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়েছে। ডিএসইর দেওয়া মতামতে লক ইনের সময় ১৫ দিন বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এসইসির প্রস্তাবে নির্দেশক মূল্য প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠানকে একইসঙ্গে ১০ শতাংশ শেয়ার ক্রয়ের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হলেও ডিএসই এতে আপত্তি জানিয়েছে। তবে একক প্রতিষ্ঠানের ক্রয়সীমা ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে ডিএসই। এসইসির খসড়ায় কম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এই প্রস্তাবটি সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার পক্ষে ডিএসই। ডিএসইর মতামতে বলা হয়েছে, কোনো কম্পানির আর্থিক বিবরণী সন্দেহজনক হলে এসইসি ইচ্ছা করলে তা পুনঃনিরীক্ষা করতে পারে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কম্পানিকে ব্যয় বহন করতে হবে। দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুঁজিবাজারে নতুন কম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে।

Source: Kaler Kantha

৬ মাসের মধ্যে নতুন অনেক প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে আসবে ॥ অর্থমন্ত্রী

আগামী ৬ মাসের মধ্যে পুঁজিবাজারকে ‘বড় পুঁজি’ সংগ্রহের কেন্দ্রে পরিণত করার আশ্বাস দিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি আরও বলেছেন, এর মধ্যে নতুন অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ হসত্মানত্মর অনুষ্ঠানে পুঁজিবাজার নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। পুঁজিবাজারে গত এক সপ্তাহে দরপতন হলেও অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজার এখন স্থিতিশীল। এখন শুধু শেয়ারের দাম বাড়ছে আর কমছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে নতুন অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসবে। তখন পুঁজিবাজারের অবস্থার অনেক পরিবর্তন হবে। এ বছরেই বিনিয়োগের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সরকারী বন্ড ছাড়া হবে।
সরকারী ব্যাংকের শেয়ারগুলো বাজারে ছাড়া হবে কি না- এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই হবে। সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কখন আসবে এ সময়সীমার ব্যাপারে আইসিবি ও এসইসি বলতে পারবে। একসঙ্গে সব প্রতিষ্ঠান এসে গেলে বাজারে সমস্যা হবে।
অনুষ্ঠান শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি সাংবাদিকদের বলেন, সরকারী ২৩ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে ছাড়ার বিষয়ে সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডেসকো, তিতাস গ্যাস, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলের আরও শেয়ারবাজারে ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলের আরও শেয়ার ইতোমধ্যে ছাড়া শুরম্ন হয়েছে। শফিকুর জানান, ৩০ আগস্টের মধ্যে বাজারে আসবে এ্যাসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের আরও শেয়ার এবং হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, গ্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ ও সাবমেরিন কেবলসের শেয়ার। বাকি ১৪টি প্রতিষ্ঠান দ্রম্নততম সময়ে শেয়ারবাজারে আসবে ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক সরকারকে ৫ কোটি টাকা লভ্যাংশ হসত্মানত্মর করে। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি মুনাফা করেছে প্রায় ৬৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

Source: Daily Janakantha

SEC approves ABFMF prospectus

The securities regulator has approved the prospectus of AB Bank First Mutual Fund (ABFMF), a closed-end mutual fund which will go public with a size of Tk 1.5 billion.

The Securities and Exchange Commission (SEC) at its Tuesday’s meeting approved the prospectus, said Executive Director of the SEC Mohammad Saifur Rahman.

Of the Tk 1.50 billion, Tk 750 million will be raised through private placement and sponsorship. The remaining Tk 750 million will be raised through initial public offering (IPO).

The face value of ABFMF’s each unit will be Tk 10 and a market lot will contain 500 units.

Race Asset Management has been appointed fund manager of the fund.

Source: Financial Express

৩ কোটি ১৪ লাখ শেয়ার ছাড়তে চায় এনার্জি প্রিমা, নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে ২৯৮ কোটি টাকা সংগ্রহে এসইসিতে আবেদন

বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত থাকায় নির্ধারিত মূল্যে (ফিঙ্ড প্রাইজ) পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আবেদন জানিয়েছে বিদু্যত খাতের কোম্পানি এনার্জি প্রিমা লিমিটেড। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৩ কোটি ১৪ লাখ শেয়ার ছেড়ে ২৯৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা সংগ্রহের জন্য কোম্পানিটি গত মাসে এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছে। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি শেয়ারের বিপরীতে ৮৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৯৫ টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করা হয়েছে। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এনার্জি প্রিমার ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। পুঁজিবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থে কোম্পানিটি ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, এনার্জি প্রিমার অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমানে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১১৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পরিশোধিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে।
জানা গেছে, ২০০৮ সালের ১৫ জানুয়ারি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে এনার্জি প্রিমা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল এই কোম্পানিকে পাবলিক লিমিটেডে রূপান্তর করা হয়। কোম্পানিটি নিজস্ব বিদু্যতকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে বিদু্যত উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে থাকে। ইতোমধ্যে এনার্জি প্রিমা সিলেটের কুমারগাঁও ও ফেঞ্চুগঞ্জ, হবিগঞ্জের শাহজিবাজার এবং বগুড়ায় মোট চারটি বিদু্যতকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে ২০০৮ সালের জুলাই ও নবেম্বরে যথাক্রমে কুমারগাঁও ও শাহজিবাজার কেন্দ্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরম্ন হয়।
সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী এনার্জি প্রিমার বর্তমান সম্পদের মূল্যমান ৬৬২ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০১০ সালে ৬ টাকা ৩৭ পয়সা। তবে মূলধন সংগ্রহের জন্য দু’দফায় নতুন শেয়ার ইসু্যর পর ইপিএস ৩ টাকা ১৯ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আর আইপিও প্রক্রিয়া শেষে নতুন শেয়ার যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ইপিএস ২ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়াবে।

প্রাইম ফাইন্যান্স ইউনিট ফান্ডের এনএভি ঘোষণা
বেসরকারী খাতে দেশের প্রথম ইউনিট ফান্ড ‘প্রাইম ফাইন্যান্সিয়াল ফার্স্ট ইউনিট ফান্ডের’ নিট সম্পদ মূল্য ঘোষণা করেছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। গত ৪ আগস্ট পর্যন্ত ফান্ডের মোট সম্পদ মূল্য ক্রয় মূল্য অনুসারে ২০ কোটি ৯৪ লাখ ২১ হাজার ৯৮৫ টাকা এবং বাজার মূল্য অনুসারে ২০ কোটি ৪৪ লাখ ১৯ হাজার ৩১০ টাকা। সকল সম্পদ ও দায় নিষ্পত্তির পর প্রতি ইউনিটে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের বিপরীতে নিট সম্পদ মূল্য ক্রয় মূল্য অনুসারে ১০১.৮১ টাকা এবং বাজার মূল্য অনুসারে ৯৯.৩৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
প্রাইম ফাইন্যান্সিয়াল ফার্স্ট ইউনিট ফান্ডের ইউনিট সার্টিফিকেটের প্রতি ইউনিটের বিক্রয় মূল্য ১০২ টাকা এবং পুনঃক্রয় মূল্য ৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১০ আগস্ট পর্যনত্ম এই মূল্য কার্যকর থাকবে।