Monthly Archives: July 2011

আইপিওর মূল্য নির্ধারণে পর্যালোচনা কমিটি গঠন

নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে আসা কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) শেয়ারের মূল্য পর্যালোচনার জন্য একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন ও কার্যপরিধি নির্ধারণের বিষয়টি অনুমোদন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালা সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এসইসির মুখপাত্র সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান।
কমিটির সদস্যরা হলেন, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট বাংলাদেশের (আইসিএবি) চেয়ারম্যান, দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যান্টেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) চেয়ারম্যান, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিইও এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অথবা হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি বা তাঁদের নির্ধারিত প্রতিনিধি।
অন্যদিকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির খসড়া নীতিমালার ওপর সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের (স্টেকহোল্ডার) মতামত পাওয়ার পর সাধারণ মানুষের মতামতের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে।
এই দুটি সিদ্ধান্ত ছাড়াও বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে কর্মরত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের (অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ) নিয়ে ভুলভ্রান্তি পরীক্ষার জন্য একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কমিটি ভুলভ্রান্তি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করবে।
একই সঙ্গে গবেষণা ও উপদেষ্টা সেবা নীতিমালা প্রণয়নের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাইট শেয়ার: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ১: ১ রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল মঙ্গলবার এসইসির নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি বাজারে ২১ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৩১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ ক্ষেত্রে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম পাঁচ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের পরিচালনা পর্ষদ গত ২০ মার্চ শেয়ারধারীদের জন্য ১: ১ রাইট শেয়ার (প্রতিটি শেয়ারে একটি রাইট শেয়ার) ঘোষণা করে। এ ক্ষেত্রে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২১০ কোটি টাকা।
এ ছাড়া গতকালের সভায় বেক্সটেক্সকে একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে এসইসি।
এই অনুমোদনের ফলে বেক্সটেক্সকে অধিগ্রহণের জন্য বেক্সিমকো লিমিটেড ১০৭ কোটি ২৮ লাখ ২৯ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ১০ কোটি ৭২ রাখ ৮২ হাজার ৯২০টি শেয়ার ইস্যু করবে। কোম্পানি আইন অনুযায়ী উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বেক্সিমকোর সঙ্গে একীভূত হলে বেক্সটেক্সের শেয়ারধারীরা তাঁদের কাছে থাকা বেক্সটেক্সের পাঁচটি শেয়ারের বিপরীতে বেক্সিমকো লিমিটেডের একটি করে শেয়ার পাবেন।

Source: Prothom alo, 27 July, 2011

এক মাসের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির শেয়ার: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা: আগামী এক মাসের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে আসবে। এক সঙ্গে সবগুলো না এলেও ধাপে ধাপে এগুলো বাজারে আসবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

বুধবার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রণালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানির প্রতিনিধিদের বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালমান এফ রহামন এ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কোম্পানির পাশাপাশি কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানিও পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়ার জন্য আবেদন করেছে। এগুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

সালমান এফ রহামান পুঁজিবাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ‘বাজার এখন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আস্থা ফিরে আসছে। কিন্তু বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো না গেলে এটা ধরে রাখা সম্ভব হবে না। বরং নতুন করে বিপর্যয় নেমে আসার আশংঙ্কা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যে কোনো কোম্পানির জন্য সরকার কর্পোরেট কর নির্ধারণ করে দিয়েছে।’

বাজারে যেসব কোম্পানির (বিশেষত বিদেশি কোম্পানিগুলো যেমন- মেরিকো, গ্রামীণ ফোন) অল্প শেয়ার আছে এবং যাদের বেশি শেয়ার আছে তারা সবাই সমান সুযোগ ভোগ করে থাকে।’

যাদের বেশি শেয়ার আছে তাদের বেশি ইনসেনটিভ দেওয়ার জন্য তিনি প্রস্তাব করেন। এক্ষেত্রে সরকার কয়েকটি ধাপে কর ধার্য করতে পারে বলেও তিনি অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

পুঁজিবাজরে যাদের অল্প শেয়ার অছে তাদের জন্য পৃথক মার্কেট করার সুপারিশ করেন প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, লন্ডনের শেয়ারবাজারে এ ধরণের ব্যবস্থা চালু আছে।

প্রতিনিধিরা বলেন, বিদেশি কোম্পানি যেন তাদের পুঁজি দ্রুত তুলে নিতে না পারে সেজন্য দুই বছরের সময়সীমা নির্র্ধারণ করে দেওয়া উচিত। যতদ্রুত সম্ভব এ প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি দল

Source: banglanews24.com, 21 July, 2011

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার আসছে শিগগিরই

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তাগাদা পাওয়ার পর সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ছাড়ার কাজে গতি এসেছে।

গত সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ বিষয়ে তাগাদা দিয়ে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ- আইসিবিকে চিঠি পাঠানো হয়। আইসিবি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের ইস্যু ম্যানেজার।

আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান রোববার সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার যত দ্রুত সম্ভব বাজারে আসতে শুরু করবে। ”

এ মাসে কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আসবে কি না- জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আমরা চাইলেই তো আনতে পারি না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের চুক্তি করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আমরা চিঠিও পাঠিয়েছি।”

পুঁজিবাজারে শেয়ারের চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য রাখতে বেশ কিছুদিন ধরেই আরো সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও বাজার বিশ্লেষকদের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হচ্ছে।

গত ১০ ফেব্র”য়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের জানান, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ধাপে-ধাপে সরকারি ২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে। এর মধ্যে পাঁচটি ইতোমধ্যেই বাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে। তাদের আরো শেয়ার ছাড়া হবে।

এর চার দিনের মাথায় ১৪ ফেব্র”য়ারি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) জানায়, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে।

তবে এর পরদিন ১৫ ফেব্র”য়ারি অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত বাতিল হয়নি। ফেব্র”য়ারিতে যে দুটো প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে আসার কথা ছিলো, সেগুলো ফেব্র”য়ারিতে আসছে না। তবে পর্যায়ক্রমে সবগুলোই আসবে।

যে সব সরকারি প্রতিষ্ঠান নতুনভাবে তালিকাভুক্ত হবে তাদের বেশিরভাগের শেয়ার মূল্য নির্ধারণ করা হবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে। এছাড়া সরাসরি তালিকাভুক্তির (ডিরেক্ট লিস্টিং) মাধ্যমেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আসবে।

অর্থমন্ত্রী গতবছর থেকেই সরকারি কোম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়ার কথা বলে এলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। মন্ত্রী এর আগে বলেছিলেন, ২০১০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়া হবে।

তবে এরই মধ্যে রূপালি ব্যাংকের আরো শেয়ার বাজারে ছাড়া শুরু হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এ ব্যাংকটির ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ শেয়ার বাজারে রয়েছে। বাকিটা রয়েছে সরকারের কাছে।

গত বছরের ২৪ নভেম্বর ডিএসইএর ওয়েবসাইটে বলা হয়, সরকার রূপালি ব্যাংকের আরো ২৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ (২৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৮০) শেয়ার বাজারে ছাড়বে।

পরে ১৫ ডিসেম্বর ডিএসই ওয়েবসাইটে আরেক ঘোষণায় বলা হয়, সরকার ২৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৮০ শেয়ারের পরিবর্তে ৩০ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ শেয়ার ছাড়বে।

বুধবার ডিএসই ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, ৩০ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ শেয়ারটি শেয়ারে মধ্যে বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩০টি।
Source: bdnews24.com , 17 July, 2011

আটকে গেছে প্লেসমেন্ট শেয়ারের ১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা

ঢাকা: প্রাইভেট প্লেসমেন্টের নামে আবারও শুরু হয়েছে অনৈতিক বাণিজ্য। কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধির জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগেই প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ তুলে নিচ্ছে কোম্পানি উদ্যোক্তারা। পাশাপাশি কিছু কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিপুল সংখ্যক শেয়ার বরাদ্দ নিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই আগাম বিক্রির জমজমাট ব্যবসা শুরু করেছে।

ফলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি না হওয়ায় প্লেসমেন্ট শেয়ারের ১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা দীর্ঘ দিন ধরে আটকে রয়েছে।

তাই কোম্পানিরগুলোর আইপিও ছাড়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় টাকা ফেরত না পাওয়ার আশংকা করছে বিনিয়োগকারীরা।

ডিএসইর এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত না হওয়ার আগেই ৭টি কোম্পানিতে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের ১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা আটকে রয়েছে।

এ কারণে কোম্পানিগুলোর আইপিও নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এসইসিকে অনুরোধ জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ আবু আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘কোম্পানি প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে পুঁজিবাজারে আসতে পারবে। সেগুলোর বিষয়ে দ্রুত এসইসির সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেওয়া না হলেও বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করা উচিত এসইসির। এতে বিনিয়োগকারীরা যেমন হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন, তেমনি আটকে থাকা অর্থ শেয়ারবাজারে ফিরলে তা বর্তমান মন্দা কাটাতে সহায়ক হবে।’

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ মে এসইসির জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকার বেশি পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছে এসইসি।

ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা অতিক্রম করলে ও তিন বছর বাণিজ্যিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকলে ওই কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে। যেসব  কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ইতিমধ্যেই ৫০ কোটি টাকা অতিক্রম করেছে সেসব কোম্পানিকে প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে এক বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে বলা হয়েছে।

সে অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকার বেশি পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানি নতুন করে মূলধন বৃদ্ধির জন্য সরাসরি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েই মূলধন সংগ্রহ করতে পারে।

অথচ প্রজ্ঞাপনটি কার্যকর হওয়ার পরও এসইসির পক্ষ থেকে এ ধরনের কোম্পানিকে  শেয়ারবাজারের বাইরে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

Source:banglanews24.com, 16 July, 2011

SEC signs up Padma Islami MF

The Padma Islami Life 1st Mutual Fund has recently been registered with the Securities and Exchange Commission, said National Asset Management Ltd — the asset manager of the fund — in a statement on Sunday.

The market lot of the Tk 100-crore-fund has 500 units with a face value of Tk 10 each.

Padma Islami Life Insurance Ltd is sponsoring the close-end mutual fund for which Eastern Bank and BRAC Bank will be the trustee and custodian respectively.

Source: The daily star, 07 July, 2011

Trust deed of AB Bank 1st MF signed

The signing ceremony of the Trust Deed of “AB Bank 1st Mutual Fund” between AB Bank Limited and Bangladesh General Insurance Company Limited was arranged by AB Bank Limited at the Corporate Head Office recently.

The ceremony was held in presence of high officials from AB Bank Limited, Bangladesh General Insurance Company Limited and RACE Management PCL.

AKAH Chaudhuri, Managing Director & CEO; Anisuzzaman Chowdhury, Financial Consultant of Bangladesh General Insurance Company Limited and M. Fazlur Rahman, Additional Managing Director (Corporate); Majedur Rahman, Additional Managing Director (Risk Management Unit); Shamim Ahmed Chaudhury, Deputy Managing Director (Operations) were present in the meeting.

Source: The financial express, 06 July, 2011

SEC okays IPO of Rangpur Dairy, rejects CDBL’s proposal

FE Report

Securities regulator after its restructuring, approved first initial public offering (IPO) of a company— Rangpur Dairy— but disagreed with IPO proposal of Central Depository Bangladesh Limited (CDBL) on sensitivity ground on Tuesday, officials said.

The decision came at a commission meeting, chaired by Securities and Exchange Commission (SEC) chairman Professor M. Khairul Hossain, held at the SEC office.

As per regulatory approval, Rangpur Dairy and Food Products will offload more than 16.3 million ordinary shares of ten taka each, at an offer price of Tk 18, including a premium of Tk 8.

The company’s existing paid-up capital is more than Tk 236.5 million. The company’s earning per share (EPS) and net asset value (NAV) are Tk 0.88 and Tk 16.97 respectively, according to financial statement of January-April, 2010.

The policy makers of recast SEC at first approved the IPO of a mutual fund—LR Global Bangladesh Mutual Fund One— at its previous meeting.

SEC Spokesman Mohammad Saifur Rahman said the securities regulator has disagreed with the IPO proposal of CDBL considering its sensitivity ground.

“CDBL preserves information of electronic shares of all listed companies. That’s why steps have taken to keep the company above controversy,” Mr. Rahman said.

Meanwhile, the leaders of both the bourses opposed the move to CDBL listing on the same ground at a meeting held with securities regulator.

They opined that investors would raise questions against this sensitive organisation if the company fails to carry out regular activities including annual general meeting (AGM) and dividend offers properly.

“The regulator has not agreed with the listing proposal of CDBL, considering overall situation,” SEC spokesman said.

After the recent stock market debacle, the government completed the overhauling in SEC by appointing Chairman Professor M Khairul Hossain and three members—Professor Helal Uddin Nizami, Md. Amzad Hossain and Arif Khan in May, 2011.

Newly recast securities regulator adopted a cautious approach to approve new IPO proposals as the recent stock crash prompted its high ups to take time to scrutinise the proposals and examine their financial details.

Presently, thirteen firms are awaiting regulatory approval to raise about three billion taka from the market through fixed price method.

The companies include Surid Industries, Jahintex, Energy Prima, Aamra Technology, Crystal Insurance, GSP Finance and Padma Islami Life Insurance.

Source: The financial express, 06 July, 2011

Trading of Reliance Insurance Mutual fund to be started from 07 July, 2011

“Reliance One” the first scheme of Reliance Insurance Mutual Fund: As per decision of the Board of Directors of DSE, trading of the units of “Reliance One” the first scheme of Reliance Insurance Mutual Fund will start at DSE on 07.07.11 under ‘A’ category. DSE Trading Code for “Reliance One” the first scheme of Reliance Insurance Mutual Fund is “RELIANCE1” and DSE company code # 12187.