Monthly Archives: June 2011

Two firms may get IPO nod

The securities regulator sits today for giving approval to the initial public offerings of a number of companies, including Rangpur Dairy and Food Products Ltd and Shurwid Industries Ltd.

The Securities and Exchange Commission is also due to give go-ahead to rights offers of several listed companies, said an official.

Rangpur Dairy & Food Products, popularly known as RD Milk, plans to offload more than 1.63 shares to expand business, with a face value of Tk 10 plus a Tk 15 premium, according to the company’s prospectus.

The authorised capital of the company is Tk 100 crore and its paid-up capital stands at Tk 23.66 crore.

The company’s earnings per share were Tk 2.64 and net asset value Tk 20.53 until December 2010. Alliance Financial Service Ltd has been appointed as its issue manager.

Shurwid Industries, a manufacturer of polyvinylchloride (PVC) materials, will offload 1.4 crore shares with face value of Tk 10. It will use the proceeds for repayment of outstanding loan and as working capital.

The net tangible asset per ordinary share is Tk 12.40 as of September 2010 if the revaluation surplus is taken into account, it said. Its annualised EPS is Tk 1.10.

Source: The daily star, 15 June, 2011

শেয়ার পুনঃক্রয় পদ্ধতির খসড়া তৈরিতে কমিটি

শেয়ার পুনঃক্রয় পদ্ধতির (বাইব্যাক) খসড়া তৈরি করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী ৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) নেতৃত্বে কমিটির অন্য সদস্যরা থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি।
সচিবালয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্র জানায়, বৈঠকে মূলত দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একটি হলো বাইব্যাকের খসড়া প্রণয়ন, অপরটি হলো এই পদ্ধতি কোম্পানি আইনের অন্য কোনো ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না তা খতিয়ে দেখা।
দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস শুরু হলে ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাজারসংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে দিনভর বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। ওই দিনই বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী শেয়ার পুনঃক্রয় পদ্ধতি চালুর কথা প্রথম জানান।
অনেক দেশে কোম্পানি আইনে শেয়ার পুনঃক্রয় পদ্ধতি চালু থাকলেও বাংলাদেশের আইনে এখনো তা অনুপস্থিত। প্রায় শত বছর আগে, ১৯১৩ সালের কোম্পানি আইন যখন ১৯৯২ সালে সংশোধিত হয়, তখনো বিষয়টি কোম্পানি আইনের বাইরেই থেকে যায়। অবশ্য ১৯৯৬ সালের শেয়ার কেলেঙ্কারির পর শেয়ার পুনঃক্রয়ের বিষয়টি আলোচনায় এলেও তা স্থায়ী হয়নি।
জানা গেছে, এর আগে শেয়ার পুনঃক্রয় নিয়ে একটি খসড়া প্রস্তুত করে এসইসি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। তবে খসড়াটি প্রস্তুত করা হয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়ার (এসইবিআই) ১৯৯৯ সালের বাইব্যাক রেগুলেশনসের আদলে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কয়েক মাস ধরেই এর ওপর কাজ করছে।
এসইসির প্রস্তুত করা খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি শেয়ার পুনঃক্রয় করার পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে তার মূলধন বাড়াতে পারবে না। দুই বছরের মধ্যে বোনাস শেয়ার ছাড়া অন্য কোনো ধরনের লভ্যাংশও দেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত মূলধন অথবা সিকিউরিটিজ প্রিমিয়াম হিসেবে ব্যবহার করে শেয়ার পুনঃক্রয় করা যাবে। কোম্পানির পর্ষদে পাস হওয়ার এক বছরের মধ্যে পুনঃক্রয় সম্পন্ন করতে হবে।
খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, পুনঃক্রয় আইন লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আর্থিক দণ্ড গুনতে হবে। কোম্পানিকে জরিমানা দিতে হবে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা, কিন্তু সর্বোচ্চের কোনো সীমা নেই।
খসড়ায় বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ও দরপত্র আহ্বান দুইভাবে শেয়ার পুনঃক্রয়ের কথা বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ২৫ শতাংশের বেশি শেয়ার পুনঃক্রয় করা যাবে না। পুনঃক্রয়ের আগে যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি) ও এসইসি থেকে আর্থিক সংগতির সত্যায়ন নিতে হবে। তবে শেয়ার পুনঃক্রয়ের কারণ ও সময়সীমা স্পষ্টভাবে আগেই জানাতে হবে আরজেএসসি ও এসইসিকে।
সাধারণত, তারল্য ব্যবহারের সুযোগ না থাকা, কোম্পানির অবলুপ্তি, বিশেষ পরিস্থিতিতে শেয়ারের মূল্য বাড়ানো, কর কম দেওয়া ইত্যাদি কারণে শেয়ার পুনঃক্রয় করা হয়। কোম্পানি যদি দেখে যে অতিরিক্ত তারল্য বিনিয়োগের কোনো প্রকল্প নেই, তখন ওই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ বাজার থেকে নিজেদের শেয়ার কিনে নেয়। কোম্পানি যদি মনে করে, বাজারে তার শেয়ার অবমূল্যায়িত, তখনো শেয়ার পুনঃক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
২০০০ সালে ভারতের বাজাজ অটো লিমিটেড বাজারে তারল্য ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনে নিয়েছিল। সম্প্রতি ভারতীয় রিলায়েন্স কোম্পানিও এভাবে শেয়ার কিনে নেয়। নগদ লভ্যাংশের ওপর কর বেশি দিতে হলেও অনেক কোম্পানি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা পাইয়ে দিতে পুনঃক্রয়ের পথ বেছে নেয়। যারা কোম্পানি অবলুপ্তির জন্য আদালতের নির্দেশ এড়াতে চায় তারাও বেছে নেয় শেয়ার পুনঃক্রয়ের পথ।
এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এবি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘পুনঃক্রয়ের বিধান থাকতে পারে। যতটুকু জেনেছি, ভারতীয় শেয়ার পুনঃক্রয়ব্যবস্থার আদলে আমাদেরটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি ঠিক নয়। ভারতের বাজার অনেক পরিপক্ব। কোম্পানির সংখ্যা, কোম্পানির সুশাসন, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর আচরণ ইত্যাদির সঙ্গে আমাদের বাজার মিলবে না।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম কমিয়ে কেউ যাতে পুনঃক্রয়ের সুযোগ নিতে না পারে, তার প্রতিরোধব্যবস্থা থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, আইনে শেয়ার পুনঃক্রয়ব্যবস্থা থাকা দরকার। কিন্তু সরকারকে আগে এ ব্যবস্থা চালুর উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার করতে হবে।

Source: The prothom-alo, 15 June, 2011

অনুমোদনের অপেক্ষায় ১১টি কোম্পানির ২৮৫ কোটি টাকার আইপিও

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে ১১টি কোম্পানি পাইপলাইনে রয়েছে। এ কোম্পানিগুলো আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ২৮৫ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার টাকা উত্তোলণের জন্য পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছে।

এসইসি’র সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

এসইসি’র সূত্রে জানা যায়, আবেদন করা কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১০টি কোম্পানির ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির প্রস্তাব করেছে।

আর একটি কোম্পানি রিপিট আইপিও’র মাধ্যমে বাজার থেকে টাকা উত্তোলণ করার প্রস্তাব করেছে।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লি:, সেন্ট্রাল ডেপোজিটরি বাংলাদেশ লি:, সুহৃদ ইন্ডস্ট্রিজ লি:, জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লি:, এনার্জি প্রাইম লি:, আমরা টেকনোলোজি লি:, ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স কোম্পানি লি:, জিপিএস ফাইনান্স কোম্পানি বাংলাদেশ লি:, এলআইএস ইন্ডস্ট্রিজ লি: এবং পদ্মা ইসলামী লাইফ।

আর রিপিট আইপিওতে রয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন(বিএসসি)।

সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাই মাস থেকে নভেম্বর মাসে এ সব কোম্পানিগুলো বাজারে আসার জন্য এসইসি’র কাছে আবেদন করেছিল। তবে দীর্ঘ ৫ মাস পুঁজিবাজার বির্পযয় এবং এক মাস এসইসি’র কোরাম সংকটের কারণে এসব কোম্পানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়েছে।

এ বিষয়ে এসইসি’র সদস্য অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী বাংলানিউজকে বলেন, এসইসি’র কোরাম পূর্ণ হওয়ার বয়স মাত্র একদিন। এর মধ্যে কি করা যেতে পারে। আমরা এসইসি’র কোন কাজ ‘পেইনডিং’ রাখবো না। একটু কাজ করার সময় দিন। কাজ না করলে পরে আপনারাই আমাদের সমালোচনা করবেন।

তিনি বলেন, আমরা সর্বপ্রথম এসইসির ১৯৬৯ এর আইন সংস্কার এর কাজ করবো। এর জন্য বৃহম্পতিবার কমিশন সভাও করা হচ্ছে। এর পর একে একে সব কাজ করবো।

জানা যায়, আইপিওর মাধ্যেমে রংপুর ডেইরি বাজার থেকে মোট ১৬ কোটি ৩৪ লাখ ১৪ হাজার টাকা উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ১২ টাকা।

সেন্ট্রাল ডেপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বাজার থেকে মোট ৪০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ৫০ টাকা।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন(বিএসসি) বাজার থেকে মোট ৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা ও প্রিমিয়াম ৯০০ টাকা।

সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ বাজার থেকে মোট ১৪ কোটি  উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা এবং কোনো প্রিমিয়াম নেই।

জাহিনটেক্স ইন্ডস্ট্রিজ লি: বাজার থেকে মোট ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ২০ টাকা।

এনার্জি প্রাইম লি:, বাজার থেকে মোট ৩১ কোটি ৪০ লাখ টাকা উত্তলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ৮৫ টাকা।

ক্রিস্টাল ইন্সুরেন্স কোম্পানি লি: বাজার থেকে মোট ৯ কোটি টাকা উত্তলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা ও প্রিমিয়াম ৫০ টাকা।

জিপিএস ফাইনান্স কোম্পানি বাংলাদেশ লি: বাজার থেকে মোট ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ২০ টাকা।

এলআইএস ইন্ডস্ট্রিজ লি: বাজার থেকে মোট ৩০ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও প্রিমিয়াম ২০ টাকা।

পদ্মা ইসলামী লাইফ বাজার থেকে মোট ১২ কোটি টাকা উত্তোলন করবে। যার অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা ও প্রিমিয়াম ২০০ টাকা।আমরা টেকনোলোজি লি: বাজার থেকে মোট ৩০কোটি টাকা উত্তোলন করবে।  কোম্পানিটির অভিহিত মূল্য সুনির্দিষ্ট করে জানা যায়নি।

Source: banglanews24.com , 2 June, 2011

MJL listing sees light

A long-running stalemate over the listing of MJL Bangladesh Ltd ended yesterday, as the issuer and the bourse reached a consensus to cut the price to Tk 115 each share.

However, it will take another two weeks to list the fuel company on the premier bourse, as some processes will have to be completed before that.

Although the IPO price of each MJL share was Tk 152.40, the company will be listed on the Dhaka bourse with a price of Tk 115 each. The rest Tk 37.40 will be returned to the investors through refund warrants.

The decision was taken at a board meeting of the Dhaka Stock Exchange yesterday, where MJL Managing Director Azam J Chowdhury was also present.

After the meeting, DSE President Shakil Rizvi said: “We have decided to give a listing approval to MJL for the greater interest of the stockmarket and the investors.”

However, before giving the approval, the DSE will convey its decision in writing to the Securities and Exchange Commission.

“Finally, we have agreed on the listing of MJL, which is the largest IPO after Grameenphone,” Chowdhury said.

“We have discussed with the regulator and the bourse authorities so many times to resolve the issue, and now the uncertainty is over,” he said.

He also said it may take two weeks to complete the refund warrant process, and then they will be ready for the listing.

The stalemate loomed over the listing of MJL after the regulator suspended book building method for initial public offering in January following a government instruction.

The SEC yesterday asked the bourses to take necessary steps about the listing.

Earlier, the MJL had offered several compensation packages for the listing, but the stock exchanges did not agree.

The company had said it would buy back shares if the prices go below the offering value within six months of trading and it would compensate the investors.

Later, as the bourses declined to consider the proposal, MJL came up with a package that it would issue 30 percent bonus shares before listing. It was also not accepted by the DSE.

Then the MJL had offered to give cash dividends to primary shareholders and compensation to investors if its share prices go below the offer price within the first six months of trading.

In its next move, the company wanted to offer more than 100 percent cash dividends and 15 percent to 20 percent compensation to the shareholders.

But, none of the proposals was accepted by the Dhaka bourse.

Source: The daily star, 2 June, 2011

 

DSE to decide MJL listing today

FE Report

The Dhaka Stock Exchange(DSE) high-ups are going to take final decision on MJL Bangladesh listing issue today (Wednesday).

The DSE high-ups are going to meet today as MJL authority met them Tuesday.

Sources at the DSE said a high powered delegation of MJL Bangladesh led by its Chairman Azam Z Chowdhury met the DSE high-ups and unveiled company’s future business plan.

On condition of anonymity, a DSE board member told the FE that after the meeting they were convinced about the business prospect of the company.

“We may offer a new indicative price for MJL listing considering the generalinvestors’ interest,” he added.

“The DSE is giving importance on making a quick disposal of the MJL issue. Regulator SEC is also giving emphasis on the issue.”

He said the DSE will scrutinise the proposal submitted by the MJL authority and will give its final decision on the issue through an official press briefing today.

Source: The financial express, 01 June, 2011