Monthly Archives: May 2011

MI Cement makes debut on DSE Sunday

The board of directors of Dhaka Stock Exchange (DSE) has finally approved the listing proposal of MI Cement. The company will make its debut in DSE Sunday (May 22). 

The DSE board Wednesday approved the listing proposal following a meeting with the newly appointed chairman of the Securities and Exchange Commission (SEC).

Sources said Chairman of the SEC Dr M Khairul Hossain also directed the DSE authorities to approve MI Cement listing proposal by supporting the views of his predecessor.

Under the chairmanship of Ziaul Huq Khondoker, the SEC directed the DSE twice to approve MI Cement listing in line with a provision of Securities and Exchange Commission Ordinance, 1969.

Finally, the DSE board decided to give the final approval after holding discussion with the newly appointed SEC chair.

However, the company made debut in the Chittagong Stock Exchange (CSE) on May 8.

Meanwhile, the securities regulator Wednesday further allowed MJL Bangladesh two weeks more time to be listed with the bourses.

An official of the SEC said the regulator granted the extension as the company authorities earlier applied to the regulator seeking four weeks more for the purpose.

On April 21 the regulator allowed two weeks to the MJL authorities for the purpose.

But the MJL authorities failed to meet the deadline, as the bourses refused to accept their listing proposal due to overpriced.

Under the book building system, MJL Bangladesh offloaded 40 million shares with an offer price of Tk 152.40, including a premium of Tk 142.40 each, against Tk 10.

Source: the financial express, 19 may, 2011

অবশেষে এমআই সিমেন্ট ডিএসইতে তালিকাভুক্ত হচ্ছে

অবশেষে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

বুধবার দুপুরে ডিএসইর পরিচালনা পষর্দের সঙ্গে এসইসি চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেনের আলোচনা শেষে ডিএসই সভাপতি মো. শাকিল রিজভী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

দুপুর একটায় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সভা কক্ষে এ আলোচনা হয়।

শাকিল রিজভী বলেন, ‘এসইসির নির্দেশক্রমে ও ডিএসইর আইনানুযায়ী এমআই সিমেন্টেকে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।‘

তবে কবে নাগাদ লেনদেন শুরু হবে এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।

আলোচনায় এসইসির সদস্য হেলাল উদ্দিন নিজামী উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসইর পক্ষ থেকে শাকিল রিজভী ছাড়াও ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শাহজাহান ও পরিচালক আহমদ রশীদ (লালী) উপস্থিত ছিলেন ।

Source: banglanews24.com, 18 May, 2011

DSE finalises listing of 3 issues, places MI Cement fate on SEC chair

The board of directors of Dhaka Stock Exchange(DSE) has finalised the trading date for three IPOs (initial public offerings).

Among the three IPOs, one is a power generation company and another two are mutual funds.

Source: The financial express, 17 May, 2011

According to the decision, Southeast 1st Mutual Fundand EBL NRB Mutual Fundwill make debut Thursday (May 19), while Barkatullah Electro Dynamics Limited, a power generation company, on Sunday (May 22).

Meanwhile, the board puts the MI Cement’s listing chance on the decision of new chairman of the Securities and Exchange Commission (SEC).

The board of the premium bourse of the country met Monday on the issue but opted for discussion with the newly appointed capital market regulatory body chief.

দুই কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করা দুই কোম্পানি—এমআই সিমেন্ট ও এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।
বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) শর্ত সাপেক্ষে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি দিলেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি দেয়নি।
আর এমজেএল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তালিকাভুক্তির বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ অবস্থায় কোম্পানি দুটির প্রাথমিক শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়েছেন লাখ লাখ বিনিয়োগকারী।
এ অবস্থায় এসইসি গত রোববার এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে আবারও নির্দেশ দিয়েছে। জানা গেছে, এসইসির নির্দেশের পর ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ আজ রোববার এ ব্যাপারে বৈঠক করবে।
এর আগে ৩ মে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদে এসইসির আগের নির্দেশনা নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ডিএসইর কয়েকজন পরিচালক এসইসির নির্দেশের সমালোচনা করেন। বলেন, প্রয়োজনে বিষয়টি আইনিভাবে সমাধান করা হবে।
কিন্তু সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ ১৯৬৯-এর ২০(এ) ধারা অনুযায়ী, বিনিয়োগকারী ও পুঁজিবাজারের স্বার্থে স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রতিষ্ঠানকে তারা লিখিত নির্দেশনা দিতে পারে। এসইসির এ নির্দেশনা পরিপালন করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। এমনকি এ নির্দেশনা পরিপালনের জন্য ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকও জরুরি নয়, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সক্ষম। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেটি করতে দেওয়া হয়নি।
শেয়ারবাজারে ধসের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ জানুয়ারি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে এমআই সিমেন্ট ও এমজেএল লিমিটেডের শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয়েছে উল্লেখ করে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে সরকার। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি। এর ধারাবাহিকতায় কোম্পানি দুটিকে কয়েক দফায় শর্ত দেয় সংস্থাটি। প্রথম দফায় বলা হয়, তালিকাভুক্তির এক মাসের মধ্যে প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে শেয়ারের দর কমে গেলে প্রাথমিক শেয়ারধারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ার কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের কিনতে হবে। পরে এর মেয়াদ ছয় মাস করা হয়। কোম্পানি দুটি উভয় প্রস্তাবেই তালিকাভুক্তির জন্য সম্মতি দেয়। কিন্তু এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে জটিলতার আশঙ্কায় কোম্পানি দুটির প্রিমিয়ামের টাকায় কেবল প্রাথমিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে প্রস্তাবটি কোম্পানি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে ডিএসই বিরোধিতা করে। এ সময় ডিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানি দুটিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিপূরণের শর্ত হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীর জন্য ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এতে কোম্পানির উদ্যোক্তা শেয়ারধারীদের নিয়ন্ত্রণমূলক শেয়ারের অনুপাত কমে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। সে কারণে পরবর্তী সময়ে এসইসি তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দাম কমে গেলে উদ্যোক্তারা ক্ষতিপূরণ দেবেন, এ শর্তে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দেয়। এসইসির নির্দেশ মেনে কোম্পানিটি ক্ষতিপূরণের বিপরীতে নিরাপত্তা জামানত হিসেবে ৫০ লাখ শেয়ার ডিএসইতে ও ২৫ লাখ শেয়ার সিএসইতে গচ্ছিত বা লিয়েন দিয়েছে। একই সঙ্গে কোম্পানির এস্ক্রো হিসাবে পাঁচ কোটি টাকা জমা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড প্রাথমিক শেয়ারধারীদের জন্য ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। এ ছাড়া কোম্পানিটি প্রস্তাব করেছে নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার পরও লেনদেন শুরুর ছয় মাস পর্যন্ত শেয়ারের দাম বরাদ্দ মূল্যের চেয়ে নিচে নামলে সর্বোচ্চ ১০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবে কোম্পাটি ৮০ কোটি টাকা নগদ লভ্যাংশ বাবদ এবং দর কমে গেলে আরও ৪০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছে বলে এসইসিকে জানিয়েছে। এসইসিতে কোম্পানিটির এ প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে।
ডিএসইর অভিযোগ, ক্ষতিপূরণের শর্তে তালিকাভুক্তির বিধান বিশ্বের কোথাও নেই। তাই এ প্রক্রিয়ায় তালিকাভুক্তি দেওয়া হলে ভবিষ্যতেও অতিমূল্যায়িত কোম্পানিগুলো এ ধরনের সুযোগ চাইবে। তবে এসইসি সূত্র বলছে, একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে কোম্পানি দুটিকে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তি দিতে হচ্ছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলে হয়তো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রসঙ্গটি উঠত না।
তা ছাড়া অতিমূল্যায়নের দায় ডিএসই এড়াতে পারে না। কারণ দরপত্রের মাধ্যমে শেয়ার দুটির মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। সেই সময় তাদের সদস্য ডিলারই সর্বোচ্চ দাম প্রস্তাব করে শেয়ার দুটির দর বাড়াতে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে। অথচ যে পর্যায়ে শেয়ার দুটির দাম উঠেছে, তার চেয়ে ৪০ শতাংশ কম দাম হওয়ার সুযোগ ছিল।

Source: Prothom-alo, 15 May, 2011

সিএসইতে শুরু এমআই সিমেন্টের লেনদেন

এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে অবিলম্বে তালিকাভুক্ত করতে আবারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
অন্যদিকে এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির মেয়াদ আরও ১৪ দিন বাড়ানো হয়েছে। সংস্থাটির এক জরুরি সভায় গতকাল রোববার এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এসইসি এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্তির জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতি নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু ৩ মে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ এসইসির ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করে। এসইসি ডিএসইর অনুরোধ নাকচ করে আবারও তালিকাভুক্তির নির্দেশনা জারি করেছে।
তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এসইসির নির্দেশনা মেনে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জটিতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন শুরু হয়েছে। প্রথম দিনই শেয়ারটির সর্বোচ্চ দাম ওঠে ১৫২ টাকা। সিএসইতে এদিন মোট ছয় লাখ ৪৭ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য আট কোটি ৪৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা।
সকালে সিএসই ঢাকা কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ফখরউদ্দিন আলী আমহদ এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্লা, পরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মোল্লা মোহাম্মদ মজনু, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মোল্লা, মোহাম্মদ আলমাস শিমুল। সিএসইর পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ মামুন, উপপ্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদ সাজিদ হোসেইন ও পরিচালক মোহাম্মদ মফিজউদ্দিন।
ফখরউদ্দিন আলী আহমদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই সঙ্গে পুঁজিবাজারও। পুঁজিবাজারের সাময়িক প্রতিবন্ধকতা কেটে যাবে—এ আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, কোম্পানিটির শেয়ারের লেনদেন শুরু হওয়ায় বাজারে নতুন বিনেয়োগ আসবে।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি এমজেএল ও এমআই সিমেন্টের শেয়ার অতিমূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।

Source: prothom-alo, 9 May, 2011

এমআই সিমেন্ট সিএসইতে তালিকাভুক্ত

ঢাকা, ৫ মে (শীর্ষ নিউজ ডটকম): বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে আশা এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। আজ সিএসই’র বোডসভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় হয় বলে জানিয়েছে এসইসি কর্তৃপক্ষ।
এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মুক্তার এইচ. তালুকদার বলেন, তালিকাভুক্তির অনুমোদনপত্র হাতে পেয়েছি। আশা করা যাচ্ছে রোববার অথবা সোমবার সিএসইতে এমআই সিমেন্টের শেয়ারের লেনদেন শুরু হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিএসই) এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরিকে তালিকাভুক্ত করার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশনা জারি করে। এসইসি’র নির্দেশ অনুসারে সিএসই প্রতিষ্ঠানটিকে তালিকাভুক্তি দিলেও মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। উপরন্তু, এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির আবেদনটি পুনর্বিবেচনার জন্য এসইসিতে প্রেরণ করে ডিএসই। এদিকে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরির তালিকাভুক্তির বর্ধিত সময় আজই শেষ হচ্ছে।

Source: Sheershwanews.com, 5 May, 2011

এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করছে না ডিএসই

এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বরং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে যেসব বিনিয়োগকারীর শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। যদিও ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর উপস্থিতিতে এক বৈঠকে কোম্পানিটিকে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি।
জানা গেছে, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ গতকাল এসইসির সেই নির্দেশকে উপেক্ষা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভীর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম বলেন, বাজারের বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তাঁদের টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে এসইসির কাছে আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোম্পানিটিকে যে শর্তে তালিকাভুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তার নজির বিশ্বের কোথাও আছে কি না জানা নেই। এ ছাড়া বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ বাবদ যে শেয়ার ডিএসইর কাছে জামানত রাখার কথা বলা হয়েছে, প্রয়োজনের সময় তা বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তে হবে। এসব সমস্যার কথা বিবেচনা করে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই।
এদিকে বাজারসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এমআই সিমেন্টের কোনো প্লেসমেন্টের শেয়ার ছিল না। তাই ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের কেউ কেউ এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির ব্যাপারে শুরু থেকেই নাখোশ ছিলেন। তাঁদের মতে, প্লেসমেন্ট না পেয়েই তাঁরা এখন কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তি দিচ্ছেন না।
গত ২০ জানুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ারঅতি মূল্যায়িত উল্লেখ করে সরকার তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া স্থগিত করে। পরে সরকারের নির্দেশে শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয় এসইসি।
এদিকে, সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের কোম্পানির শেয়ারের দাম কোনোভাবেই অতি মূল্যায়িত নয়। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ারের মূল্য-আয় অনুপাত ১৬-এর নিচে, যা সিমেন্ট খাতের তালিকাভুক্ত যেকোনো কোম্পানির চেয়ে কম।

Source: The prothom-alo, 4 May, 2011

Bourses reject MI Cement listing

The bourses rejected the listing of MI Cement Factory Ltd in the stockmarket yesterday.

The bourses requested the Securities and Exchange Commission (SEC) to ask the company to return the initial public offering (IPO) money to the investors for the market’s greater interest.

Ahasanul Islam, senior-vice president of Dhaka Stock Exchange, said: “We requested the SEC to ask the company to return money to the investors as per the section 20(A).”

Now the market is facing a credit crunch, so it will be best to return the money of the investors, said a director of MI Cement. After the SEC is restructured, the company could go for new IPO, he added.

Earlier, MI Cement proposed that sponsor directors will compensate the investors if share prices go below offer price within first six months of trading. The company was supposed to deposit Tk 5 crore in security funds to fulfil the compensation package before receiving the listing approval from the bourses.

Source: The daily star, 4 May, 2011.