Monthly Archives: April 2011

নর্দার্ন পাওয়ার বন্ডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি এসইসি

নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের ৫০ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইসু্যর অনুমোদন প্রদানের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল বুধবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় বন্ডটির অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। বাজারে আসার ব্যাপারে অনুমোদন দেয়নি সংস্থাটি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসইসি সূত্রে জানা যায়, নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়া হয়। একইসঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদনের জন্যও আবেদন করা হয়। ওই আবেদন পাওয়ার পর পরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরম্ন করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে গত সোমবার ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। বন্ড ইসু্য করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের বিষয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় আলোচনা করা হয়। তবে গুরম্নত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র না থাকায় বিষয়টি অনুমোদন দেয়নি এসইসি।
এসইসির উর্ধতন এক কর্মকর্তা জানান, এসইসিতে জমা দেয়া নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কাগজপত্রের ঘাটতি রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হবে। ওইসব কাগজ পাওয়া গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এসইসিতে দেয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এৰেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।
নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত বন্ডের সুদের হার এবং শেয়ারে রূপানত্মরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কী কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইসু্য করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তার চেয়ে কমপৰে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপানত্মরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এসইসির বিধি অনুযায়ী কোন কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা পূর্ণ হলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। আবার গত ডিসেম্বরে কোম্পানিকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেয়ার সময় এসইসি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার শর্ত বেধে দিয়েছিল। ফলে নর্দার্ন পাওয়ারকে এক বছর পরই পুঁজিবাজারে আসতে হবে। কোম্পানির আইপিওতে অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত (প্রিমিয়াম) অর্থ সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্তির পর শেয়ারবাজারে কোম্পানির শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হওয়াই স্বাভাবিক। ওই সময় কোম্পানির ইসু্যকৃত বন্ডকে অভিহিত মূল্যে শেয়ারে রূপানত্মর করা হলে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের পাশাপাশি বন্ডে বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নেয়ার সুযোগ পাবেন। তালিকাভুক্তির আগেই কোম্পানির উদ্যোক্তা ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের জন্য বিপুল মুনাফার সুযোগ তৈরি করে রাখার জন্যই রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করা হচ্ছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন।

Source: The daily janakantha, 7 April, 2011

রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট স্কীম মিউচ্যুয়াল ফা-ের প্রসপেক্টাস অনুমোদন

৫৫ কোটি টাকার রিলায়েন্স ওয়ান ফার্স্ট স্কীম মিউচ্যুয়াল ফাণ্ডের প্রসপেক্টাসের অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। আজ বুধবার কমিশনের নিয়মিত সভায় এ ফাণ্ডের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
৫৫ কোটি টাকার এ ফাণ্ডে উদ্যোক্তারা ১১ কোটি টাকা যোগান দিবেন। এছাড়া প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং আইপিওর মাধ্যমে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে। এ ফাণ্ডের প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ১০ টাকা এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হচ্ছে এইমস অব বাংলাদেশ।

Source: sheershanews.com, 7 April, 2011

এমজেএল-এর ৩০ শতাংশ বোনাস দেয়ার প্রস্তাব

মোবিল যমুনা লুব্রিকেন্টস (এমজেএল) কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের ৩০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রস্তাব জানিয়েছে মোবিল। আজ বুধবার এমজেএল-এর চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের কাছে এ প্রস্তাব দিয়েছেন বলে ডিএসই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল হক জানিয়েছেন।
এর আগে ২২ মার্চ পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি শর্তসাপেক্ষে এমজেএলকে তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসইতে প্রেরণ করে। ২৪ এপ্রিল ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এমজেএলকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
কোম্পানি আইনের ৫৭-এর ২ (এ) ধারা অনুযায়ী শেয়ারহোল্ডারদের বোনাস শেয়ার দেয়ার প্রস্তাব মৌখিকভাবে ডিএসইকে জানায় এমজেএল এবং বোনাস শেয়ার লেনদেন শুরু হওয়ার আগে শেয়ার হোল্ডারদের দেয়া প্রস্তাব দিয়েছে এমজেএল। এ বিষয়টি দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিএসই প্রস্তাব আকারে এসইসি’র অনুমোদনে পাঠাবে বলেও জানা গেছে।

Source: sheershanews.com, 7 April, 2011

SEC for conditional approval to go public

The Securities and ExchangeCommission (SEC) has opined to offer conditional approval of floating initial public offerings (IPO) by the insurance companies with low paid up capital, officials said Tuesday.

The Insurance Act 2010 has set paid up capital for life and general insurance companies to Tk 300 million and Tk 400 million respectively.

In line with the act, SEC in November last year has set minimum paid up capital to Tk 300 million for insurance companies intending to float IPO. Besides, it set the minimum IPO size at Tk 120 million which won’t be less than 10 per cent of the paid up capital of the company.

Insurance companies which started business under the Insurance Act-1938 got approval with paid up capital for life insurance at Tk 75 million and for general insurance Tk 150 million.

With the new act passed in the parliament last year, many existing insurance companies whose paid up capital is below the newly set minimum level failed to go public.

The Ministry of Finance last month sought opinion of the SEC on how to allow the existing insurance companies to float IPO with paid up capital below the new minimum level.

The SEC on Sunday last opined that the insurance companies can get approval to float IPO and those can be given time to raise their paid up capital within a time frame.

Besides, they can be allowed to raise paid up capital through issuing rights and bonus shares. But they won’t be allowed to pay cash dividend before their paid up capital reach at newly set minimum level.

Secretary General of Bangladesh Insurance Association (BIA) Molla Nurul Islam told the FE that a good number of insurance companies failed to float IPO due to the newly set minimum paid-up capital.

A total of 60 private insurance companies, including a foreign company, are now operating in the country. Of them, 18 are life insurance, and 42 are the general insurance, companies. Besides, two state-owned entities — Jiban Bima Corporation (JBC) and Sadharan Bima Corporation (SBC) — are also operating in life and insurance business respectively.

Some 44 insurance companies with an issued capital worth Tk.9.08 billion are listed with the stock exchanges.

The insurance sector witnessed a growth of about 30 per cent last fiscal which in China was 34 per cent and in India 32 per cent.

Source: The financial express, 6 April, 2011

বন্ডের আড়ালে প্লেসমেন্ট বাণিজ্য!

বন্ডের আড়ালে পুঁজিবাজারে নতুন করে পেস্নসমেন্ট বাণিজ্যের আয়োজন করেছে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড। চড়া সুদে রূপান্তরযোগ্য বন্ড ইসু্য করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) আবেদন জমা দিয়েছে কোম্পানিটি। মাত্র ৬ দিনের মাথায় তড়িঘড়ি করে এই আবেদন অনুমোদনের জন্য আজ (বুধবার) এসইসির কমিশন সভা ডাকা হয়েছে। একটি বেসরকারী কোম্পানির আইপিও বা বন্ড অনুমোদনের জন্য জরুরী বৈঠক ডাকার ঘটনা এসইসির ইতিহাসে নজিরবিহীন। শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন নিয়ে মাত্র তিন মাস আগে নর্দার্ন পাওয়ারের উদ্যোক্তারা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করে ১৭৫ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য গত ৩০ মার্চ এসইসিতে একটি আবেদনপত্র জমা দেয়। একই সঙ্গে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) বন্ডটির ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের অনুমোদনের জন্যও আবেদন করা হয়। ওই আবেদন পাওয়ার পর পরই তড়িঘড়ি করে বন্ডটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরম্ন করে এসইসি। আবেদন পাওয়ার পর মাত্র তিন কার্যদিবসের মধ্যে গত সোমবার ট্রাস্টির দায়িত্ব পালনের জন্য আইসিবিকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। একই দিন বন্ড ইসু্য করে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদনের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে কমিশনের জরম্নরী বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু ওইদিন একজন সদস্য অনুপস্থিত থাকায় কমিশন বৈঠকের কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় বৈঠকের তারিখ পুনর্নিধারণ করা হয়। শুধু নর্দার্ন পাওয়ারের বন্ড অনুমোদনের জন্য আজ (বুধবার) কমিশনের জরম্নরী বৈঠক ডাকা হয়েছে।
এসইসিতে দেয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর। অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে। মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ৰেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।
নর্দার্ন পাওয়ারের প্রসত্মাবিত বন্ডের সুদের হার এবং শেয়ারে রূপানত্মরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কি কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইসু্য করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তারচেয়ে কমপৰে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপানত্মরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
পুঁজিবাজার বিশেস্নষকদের মতে, এসইসির বিধি অনুযায়ী কোন কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা পূর্ণ হলে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। আবার গত ডিসেম্বরে কোম্পানিকে ৯০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেয়ার সময় এসইসি আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার শর্ত বেধে দিয়েছিল। ফলে নর্দার্ন পাওয়ারকে এক বছর পরই পুঁজিবাজারে আসতে হবে। কোম্পানির আইপিওতে অভিহিত মূল্যের অতিরিক্ত (প্রিমিয়াম) অর্থ সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্তির পর শেয়ারবাজারে কোম্পানির শেয়ার অভিহিত মূল্যের চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হওয়াই স্বাভাবিক। ওই সময় কোম্পানির ইসু্যকৃত বন্ডকে অভিহিত মূল্যে শেয়ারে রূপানত্মর করা হলে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের পাশাপাশি বন্ডে বিনিয়োগকারীরাও পুঁজিবাজার থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা তুলে নেয়ার সুযোগ পাবেন। তালিকাভুক্তির আগেই কোম্পানির উদ্যোক্তা ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের জন্য বিপুল মুনাফার সুযোগ তৈরি করে রাখার জন্যই রূপানত্মরযোগ্য বন্ড ইসু্য করা হচ্ছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন।
জানা গেছে, ২০০৯ সালের ১২ অক্টোবর নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশন লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত করেন। প্রাথমিকভাবে এই কোম্পানির উদ্যোক্তা ছিলেন রাজশাহী থেকে নির্বাচিত সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ এনামুল হক। প্রাথমিকভাবে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ লাখ টাকা। এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ৪০ লাখ এবং তাঁর স্ত্রী তহুরা হকের নামে ১০ লাখ টাকার শেয়ার ছিল। পরে বেঙ্মিকো গ্রম্নপের প্রতিষ্ঠান বেঙ্টেঙ্ লিমিটেডের কাছে ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ইসু্য করে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৯০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৯১ কোটি টাকা উন্নীত করার জন্য এসইসিতে আবেদন করা হয়। ২৭ ডিসেম্বর এসইসির পৰ থেকে এরমধ্যে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের নামে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৪ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার শেয়ার ইসু্য করে ৪৫ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং বেঙ্টেঙ্ লিমিটেডের নামে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার শেয়ার ইসু্য করে ৪৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু এসইসি শুধুমাত্র বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দিলেও কোম্পানির পরিচালকরা শেয়ার হসত্মানত্মরের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেন।
গত ২৭ ফেব্রম্নয়ারি রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি (আরজেএসসি) থেকে প্রাপ্ত রিটার্ন অব এলটমেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, এসইসির পৰ থেকে দুই শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমতি দিলেও কোম্পানির শেয়াহোল্ডার সংখ্যা বেড়ে আটে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে রয়েছেন_ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (৪৯.৮৭%), বেঙ্টেঙ্ লিমিটেড (৪৯.৯৭%), তহুরা হক (০.১১%), মোসলেহউদ্দীন (০.০১%), মমিনুল ইসলাম (০.০১%), নিউ ইংল্যান্ড ইকু্যয়িটি লিমিটেড (০.০১%), শোর ক্যাপিটাল হোল্ডিংস লিমিটেড (০.০১%) এবং ক্রিসেন্ট লিমিটেড (০.০১%।

Source: The daily janakantha, 6 April, 2011

তালিকাভুক্তির ব্যাপারে এমজেএলকে কোনো শর্ত দেয়নি ডিএসই

মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের (এমজেএল) তালিকাভুক্তির কোনো শর্ত দেয়নি ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই)। এছাড়া কোম্পানিটির তালিকভুক্তির ব্যাপারে ডিএসই কোনো সুপারিশও করেনি। আজ মঙ্গলবার শীর্ষ নিউজ ডটকমকে একথা জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আহসানুল ইসলাম টিটু।
আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, মবিল যমুনার তালিকাভুক্তির ব্যাপারে এসইসিকে ডিএসইর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে জানানো হয়েছে। তবে তাতে কোনো শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি। এমজেএল তাদের প্রস্তাবে যে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি জানিয়েছে তা কোম্পানি আইনের পরিপন্থি হওয়ায় ডিএসই অনুমোদন দেয়নি।
উল্লেখ্য, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় গত ২০ জানুয়ারি এ পদ্ধতিটি অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে স্থগিত করে এসইসি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২৩ জানুয়ারি মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও প্রক্রিয়া স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু ততোদিনে কোম্পানি দুটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিওর মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহ করে ফেলে। এজন্য আইনি জটিলতা এড়াতে শর্তসাপেক্ষে কোম্পানি দুটিকে আইপিও লটারি অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়া হয়। শর্তটি হচ্ছে, তালিকাভুক্তির এক মাসের মধ্যেই বরাদ্দ মূল্যের চাইতে দর কমে গেলে কোম্পানি শেয়ার বাইব্যাক করবে। এ শর্ত মেনে কোম্পানি দুটি আইপিও লটারি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বরাদ্দ দেয়। কিন্তু বাইব্যাক বিষয়ে কোনো আইন না থাকার কারণে শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে এসইসির পক্ষ থেকে নতুন শর্ত দেয়া হয়। এসইসির শর্তানুযায়ী, শেয়ার লেনদেন শুরুর পরবর্তী ৬ মাস পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব চায় এসইসি। এসইসির এ শর্ত মানতে সম্মতি প্রকাশ করে এমজেএল। যার পরিপ্রেক্ষিতে এসইসি এমজেএলকে তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসইতে পাঠায়। ২৪ জানুয়ারি ডিএসই বোর্ডসভা এমজেএল-এর ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রস্তাব কোম্পানি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে করায় তার অনুমোদন দেয়নি।
কোম্পানি আইনের ৫৭-২এর (সি) ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়া সত্ত্বেও এসইসি মবিল যমুনাকে তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসইতে পাঠানোর ব্যাপারে আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, এক্ষেত্রে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার মতো একটি কাজ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কোনো ধরনের বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই এসইসি এমজেএলকে তালিকাভুক্তির জন্য ডিএসইতে পাঠিয়ে দিয়েছে। এটি করার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থা অবিবেচকের পরিচয় দিয়েছে। উপরন্তু ডিএসই ধ্বংস করে দেয়ারও একটি পাঁয়তারা চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর অর্থসংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ সভায় রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টসের ৪ কোটি শেয়ার পুঁজিবাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এছাড়া ওই সভায় মবিল যমুনা বাজারে আসার পদ্ধতি হিসেবে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি সুপারিশ করা হয়। আইপিওর মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ খুলনায় একটি লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম ইউনিট, তেল শোধনাগার ও এমজেএল-এর নিজস্ব ভবন তৈরির কাজে ব্যবহার করা হবে বলেও জানানো হয়।

Source: sheershanews.com, 6 April, 2011

আইপিওর অর্থে সহযোগী কোম্পানির শেয়ার কিনছে মালেক স্পিনিং

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) বিবরণীতে দেয়া ঘোষণা অনুযায়ী নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে না পেরে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত টাকায় সহযোগী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড।
গতকাল ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড (এনএসএল) নামে একটি নতুন কোম্পানি চালু করার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যনত্ম গ্যাস সরবরাহ না পাওয়াতে নতুন ওই কোম্পানি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে আইপিওর অর্থ দিয়ে কোম্পানিটি তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান জেএম ফেব্রিঙ্ লিমিটেডের ৯৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নিয়েছে।
জানা গেছে, জে এম ফেব্রিঙ্ মালেক স্পিনিংয়ের পরিচালকদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। গাজীপুরের মির্জাপুরে ৪ একর জায়গার উপরে জেএম ফেব্রিঙ্রে কারখানা অবস্থিত। কোম্পানিটির উৎপাদন ৰমতা ৫০-৬০ শতাংশ বাড়াতে ১০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রাক্কলন করা হয়েছে। জেএম ফেব্রিঙ্ ১০০ শতাংশ রফতানিমুখী পোশাক তৈরি করে।
এই কোম্পানির ৬ লাখ ২৫ হাজার শেয়ারের মধ্যে ৬ লাখ ২৪ হাজার ৯০০ শেয়ার মালেক স্পিনিংয়ের নামে হসত্মানত্মর করার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। এজন্য শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত ১০০ কোটি টাকা থেকে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। ওই কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের হসত্মানত্মর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৪০ ৩৮৮০ টাকা। এৰেত্রে জে এম ফেব্রিঙ্রে ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১১৪০ টাকা প্রিমিয়াম রাখা হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধানত্ম গ্রহণের পর গত ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয়া হয়।
কিন্তু এক খাতের জন্য মূলধন সংগ্রহের পর অন্য খাতে ব্যয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে সংশিস্নষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। শুধু তাই নয়, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পর অতিরিক্ত দরে নিজস্ব মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার সুযোগ দেয়া হলে তা ভবিষ্যতে খারাপ উদারহণ হয়ে থাকবে বলে অনেকে মনে করছেন।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য ২০১০ সালের মে মাসে মালেক স্পিনিং মিলস লিমিটেড আইপিও বিবরণী প্রকাশ করে। এতে কোম্পানির নিজস্ব প্রকল্প হিসেবে নিউ এশিয়া সিনথেটিক লিমিটেড নামে পিইটি গ্রানুয়েলস এবং পলিস্টার স্টাপল ফাইবার উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহের ঘোষণা দেয়া হয়। কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২৫ টাকা সংগ্রহ করা হয়। কোম্পানিটি ৬-১০ জুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আবেদনপত্র জমা নেয়। ২৯ জুলাই মালেক স্পিনিং ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত হয়। ২ আগস্ট থেকে দেশের দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরম্ন হয়।
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পর ৯ মাস পার হলেও কোম্পানিটি ঘোষিত নতুন প্রকল্প বাসত্মবায়ন শুরম্ন করেনি। এ বিষয়ে কোম্পানির পৰ থেকে আগেই জানানো হয়, সরকারের পৰ থেকে নতুন শিল্পে গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখার কারণে পিইটি গ্রানুয়েলস এবং পলিস্টার স্টাপল ফাইবার কারখানা স্থাপনের সিদ্ধানত্ম স্থগিত রাখা হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত টাকায় জে এম ফেব্রিঙ্রে শেয়ার কেনার সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে।
কেউ কেউ মনে করেন, এভাবে সুযোগ দেয়া হলে অনেক ভুয়া কোম্পানি নানা ধরনের কারণ দেখিয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা নেয়ার চেষ্টা করবে_ যা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৰতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করেছে ৭৭.৫ শতাংশই সহযোগী কোম্পানিতে চলে যাবে। আর ব্যক্তি মালিকানাধীন ওই কোম্পানিতে অর্থ স্থানানত্মরের মানে হলো পরোৰভাবে উদ্যোক্তাদের পকেটে চলে যাওয়া।
বিশেস্নষকদের মতে, দেশের শেয়ারবাজার বর্তমানে ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদনমুখী খাতের বিকাশের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য বিপুল পরিমাণ মূলধন যোগান দেয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

Source: The daily janakantha, 5 April, 2011

বোনাস শেয়ার দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্ত হচ্ছে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্ট

বোনাস শেয়ার দেওয়ার শর্তে তালিকাভুক্ত হচ্ছে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্ট। বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে বাইব্যাকের বিকল্প হিসেবে বোনাস শেয়ার দেওয়ার ব্যাপারে দুই কোম্পানি ও স্টক এক্সচেঞ্জের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে উভয় পক্ষেরই সমর্থন রয়েছে।

তবে বোনাস ঘোষণায় অর্থবছর পরিবর্তন নিয়ে জটিলতায় পড়েছে এমআই সিমেন্ট। আইনের মধ্যে থেকে এ জটিলতা কাটিয়ে উঠলে দু সপ্তাহের মধ্যেই এ কোম্পানি দুটি তালিকাভুক্ত হতে পারবে বলে জানিয়েছেন ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী।

কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, বোনাস শেয়ার ঘোষণা করতে হলে বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) পাশ হতে হবে। মবিল যমুনার আর্থিক বছর জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব করা হয়। সেক্ষেত্রে গত ডিসেম্বরে তাদের বছর শেষ হয়েছে। এখনো বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। এরইমধ্যে তাদের আর্থিক প্রতিবেদনও তৈরি হয়েছে।  কোম্পানি বোনাস শেয়ার দিতে চাইলে যে কোনো সময় বোর্ড মিটিং করে ঘোষণা দিতে পারবে এবং বার্ষিক সাধারণ সভায় তা অনুমোদনেরও সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু অর্থ বছর নিয়ে জটিলতায় পড়েছে এমআই সিমেন্ট। এ কোম্পানির অর্থবছর হিসাব করা হয় জুন থেকে জুন পর্যন্ত। সে হিসাবে কোম্পানির ২০১০ অর্থবছরের ৯ মাস চলছে। ফলে কোম্পানিকে বোনাস শেয়ার দিতে হলে অর্থবছর পরিবর্তন করতে হবে। তবে এ কোম্পানির ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন বোনাস ঘোষণার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, মবিল যমুনার এখনো এজিএম হয়নি। ফলে এ কোম্পানির ক্ষেত্রে বোনাস ঘোষণার সুযোগ রয়েছে। তবে এমআই সিমেন্টের অর্থবছর এখনো শেষ হয়নি। আইনগত ভাবে এ জটিলতা কাটিয়ে উঠলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই এ কোম্পানি দুটি তালিকাভুক্ত হতে পারবে।

তিনি বলেন, প্রিমিয়াম এ্যাকাউন্ট থেকে ক্ষতিপূরণ দিলে তা আইনে গ্রহণযোগ্য হবে না। বোনাস দিলে শেয়ারের দর কিছুটা কমে আসবে। এতে লোকসান হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।

এ ব্যাপারে সিএসইর প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, বোনাস শেয়ারের শর্তে আসলে তালিকাভুক্তিতে স্টক এক্সচেঞ্জের আপত্তি থাকবে না। মবিল যমুনার ইজিএম করে বোনাস ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে আইনি প্রক্রিয়ায় অর্থবছর পরিবর্তন করে বোনাস ঘোষণা দিতে পারে এমআই সিমেন্ট।

এদিকে এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বোনাস শেয়ার দেয়ার ব্যাপারে এখনো চুড়ান্ত কোনো আলোচনা হয়নি। তবে আগে আমরা আর্থিক পর্যালোচনা অনুযায়ী এমআই সিমেন্ট অতিমূল্যায়িত হয়নি তা প্রমাণ করতে চাই। প্রসপেক্টাসে এমআই সিমেন্টের যে লাভ দেখানো হয়েছে তার চেয়েও বেশি লাভে রয়েছে কোম্পানিটি। আমরা কোম্পানির এ আর্থিক অবস্থান আবারো প্রযেকশনের মাধ্যমে তুলে ধরতে চাই।

তালিকাভুক্তিতে বিলম্ব হওয়ায় কোম্পানিদুটিতে ৭ লাখ বিনিয়োগকারীর ৯৪৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা আটকে আছে। মবিল যমুনার ৪ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ৪ লাখ বিনিয়োগকারী লটারি পেয়েছেন। এ কোম্পানির মার্কেট লট ১০০টিতে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে।

এমআই সিমেন্টে ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ৩ লাখ বিনিয়োগকারী লটারি পেয়েছেন। এ কোম্পানির মার্কেট লট ১০০টিতে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৩৪ কোটি টাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

শর্ত নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে গত ২৪ মার্চ মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তি নাকচ করে দেয় দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। ওই দিনই কোম্পানিদুটিকে তালিকাভুক্তির জন্য দুই সপ্তাহ সময় বাড়িয়ে দেয়া হয়। মবিল যমুনার ক্ষেত্রে ৩১ মার্চ থেকে এবং এমআই সিমেন্টের ৬ এপ্রিল থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

Source: banglanews24.com, 5 April, 2011

MJL, MI Cement seek jt meet with SEC, DSE

The authorities of Mobil Jamuna Lubricants (MJL) and MI Cement have demanded immediate joint meeting with the regulatory body and authorities of stock exchanges to resolve listing issues of the two companies.

Azam Z Chowdhury, chairman of MJL, told the FE that although they had accepted all the proposals of regulatory body, they were yet to be listed with the bourses due to opposition from different quarters.

“It is high time to hold a meeting with the authorities concerned to sort out ways of listing of the two companies complying with the existing laws for the greater interest of the general investors,” said Mr Chowdhury.

According to DSE sources, high officials of MJL recently visited the DSE office and proposed to offer bonus shares to its primary shareholders with a view to compensating them.

Following the proposals, the DSE authorities made some observations, the sources added.

Chief Finance Officer of the MI Cement Muktar Hossain Talukder told the FE that they did not think so that their shares were overpriced.

But if the regulatory body suggests to make any compensation to the investors we are ready to do it, he added.

He said that they discussed the listing issue with DSE authorities several times without any substantial results.

Meanwhile, some capital market experts have opposed the proposal to issue bonus shares by means of compensation to the primary shareholders of MJL, saying that it would convey wrong message in the market and would also set up a bad instance.

Source: The financial express, 5 April, 2011