Monthly Archives: April 2011

MJL sweetens offers for listing

The Securities and Exchange Commission could not decide on the listing of MJL Bangladesh Ltd yesterday, as the listing conditions are yet to be settled.

The SEC, Dhaka Stock Exchange, Chittagong Stock Exchange and MJL discussed the listing issue yesterday in a meeting, chaired by SEC Chairman Ziaul Haque Khondker. MJL put forward two offers in an effort to list on the bourses.

The offers are cash dividends to primary shareholders and compensation to investors if the share prices go below the offer price within the first six months of trading, an SEC official said.

In its next move, the company might offer more than 100 percent cash dividends and 15 percent to 20 percent compensation to the shareholders, the SEC official added.

“After approval from the board meeting we will submit a letter to the SEC,” said Azam J Chowdhury, managing director of MJL. “We are very optimistic about the listing,” he added.

Meanwhile, stocks returned to the red yesterday as the investors became nervous on the current market situation.

The benchmark general index of Dhaka Stock Exchange lost 32 points, or 0.53 percent, to close at 6,050 points, while the selective categories index of Chittagong Stock Exchange slumped 28 points, or 0.25 percent, to 10,913.

“Dhaka stocks started on a positive note adding more than 100 points but turned bearish as the session progressed. Investors are yet to be confident as many recommendations of probe report are still pending,” said Lankabangla Securities in its daily market analysis.

Of the total 252 issues traded on the DSE floor, 181 declined, 68 advanced and three remained unchanged. Turnover on the DSE stood at Tk 666 crore, up Tk 159.31 crore from the previous day.

Source: The daily star, 30 April, 2011

 

Regulator directs bourses to list MI Cement

The stockmarket regulator yesterday directed twin bourses to list MI Cement Factory Ltd on their trading boards, a move that ends a stalemate over the listing of the cement maker.

The Securities and Exchange Commission issued a circular after a meeting on the MI Cement issue, said an SEC official.

“The bourses will have to list MI Cement immediately after fulfilment of the conditions that the company proposed, and agreed by the regulator as well as the bourses,” the official said.

Earlier, MI Cement proposed that sponsor directors will compensate the investors if share prices go below the offer price within the first six months of trade. The company will deposit Tk 5 crore in security funds to fulfil the compensation package before receiving the listing approval from the bourses.

Also, the company will set aside a fourth of total shares from the directors’ portion for the bourses. If the compensation amount crosses Tk 5 crore, the exchanges could go for selling those shares.

MI Cement has already raised Tk 335.05 crore from the public using the book-building method by floating 3 crore ordinary shares of Tk 10 each with issue price of Tk 111.60 per share.

Data submitted by the company to the DSE shows earnings per share of MI are Tk 93.87 and net asset value is Tk 37.01 per share as of June 2009.

Earlier, the SEC asked the company to buy back shares, if its share prices slip below the offer price within the first six months of trading, and asked the bourses to take proper actions as per the listing rules.

But the listing committee of bourses opposed the move on a condition of buy-back, saying huge complexities would arise if the company is listed.

The stalemate was created over MI Cement after the stockmarket regulator suspended the book building method in January following a government instruction.

A volley of criticisms came from economists, market experts, analysts and stakeholders over the misuse of the mechanism.

At yesterday’s meeting, the SEC however rejected rights offering proposal of Saiham Textiles, a listed company.

“The rejection came after the commission found inconsistency between the company’s net asset value and the offering price for rights shares,” the SEC executive director said.

Earlier, Saiham Textiles recommended one and a half rights shares for each existing share at an issue price of Tk 40, including Tk 30 in premium.

Meanwhile, stocks continued to decline for a third day with investors gradually losing their confidence in the market.

The benchmark index of the Dhaka Stock Exchange, DSE General Index, fell 57 points, or 0.9 percent, to 5,806 at the end of a four-hour trading session.

Of the issues traded on the DSE floor, 154 declined, 88 advanced and 11 remained unchanged.

The low confidence also left its impact on the day’s turnover, which came down to Tk 446 crore, down by Tk 167 crore from that of the previous day.

Source: The daily star, 27 April, 2011

শর্ত সাপেক্ষে তালিকাভুক্ত হবে এমআই সিমেন্ট

শেষ পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার চূড়ান্ত অনুমোদন পেল এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) গতকাল মঙ্গলবার কোম্পানিটিকে কিছু শর্ত জুড়ে দিয়ে তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে নির্দেশনা জারি করেছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে গতকালই এ নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত রোববার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ও এমআই সিমেন্টের প্রতিনিধিদের এক যৌথ সভায় প্রতিষ্ঠানটিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিন কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছিল, তালিকাভুক্তির পরের ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দাম প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে কমে গেলে কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকেরা প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেবেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শেয়ারধারী যতটুকু আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন, কেবল ততটুকুই দেওয়া হবে।
কোম্পানির এ প্রস্তাবে বৈঠকে উপস্থিত সব পক্ষ রাজি হলে ওই দিনই তালিকাভুক্ত করার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই গতকাল এসইসি চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করল।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের দাম কমে গেলে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসগুলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রাথমিক শেয়ারধারীদের তালিকা প্রণয়ন করে কোম্পানির কাছে পাঠাবে। এরপর কোম্পানি তাদের কাছে থাকা প্রাথমিক শেয়ারধারীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে ২৫ কার্যদিবসের মধ্যে ক্ষতিপূরণ বাবদ চেক প্রদান করবে। এ জন্য কোম্পানিকে যেকোনো একটি তফসিলি ব্যাংকের এস্ক্রো হিসাবে পাঁচ কোটি টাকা জামানত রাখতে হবে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের ৭৫ লাখ শেয়ার (মোট শেয়ারের ২৫ শতাংশ) দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে গচ্ছিত (লিয়েন) রাখা লাগবে। এর মধ্যে ৫৫ লাখ ডিএসইতে এবং ২০ লাখ সিএসইতে রাখতে হবে, যেন প্রয়োজনের সময় উদ্যোক্তারা এসব শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে পারেন।
এ জন্য এসব শেয়ারের ওপর থেকে বিক্রয় নিষেধাজ্ঞা বা লকইন তুলে নেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের নিয়মানুযায়ী উদ্যোক্তাদের শেয়ার তালিকাভুক্তির পর তিন বছর পর্যন্ত লকইন থাকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কেবল দুই স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে গচ্ছিত থাকা শেয়ারের ওপর ছয় মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকছে না।
এসব তথ্য শেয়ারধারীদের অবগতির জন্য দুটি বহুল প্রচলিত জাতীয় দৈনিকে পর পর দুই দিন বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশের কথাও নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

Source: The prothom-alo, 27 April, 2011

শর্তসাপেৰে তালিকাভুক্ত হচ্ছে এমআই সিমেন্ট

অর্থনেতিক রিপোর্টার ॥ লেনদেন শুরুর পর ছয় মাসের মধ্যে শেয়ারের বাজার মূল্য বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে গেলে পরিচালকদের পৰ থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের শর্তে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির অনুমোদন পাচ্ছে এম আই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড (ক্রাউন সিমেন্ট)। বিনিয়োগকারীদের ৰতিপূরণ দেয়ার জন্য লেনদেন শুরম্নর আগেই কোম্পানির পরিচালকরা স্টক এক্সচেঞ্জের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি টাকা এবং ৭৫ লাখ শেয়ার জমা রাখবেন। গতকাল রবিবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি), দুই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং এমআই সিমেন্টের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এসইসির কাছ থেকে লিখিত নির্দেশনা পাওয়ার পর ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনী জটিলতা থাকলেও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ জন্য কোম্পানির পরিচালকরা কয়েকটি শর্ত মেনে নিয়েছেন। তালিকাভুক্তির ৬ মাসের মধ্যে কোম্পানির শেয়ারের দর বরাদ্দ মূল্যের নিচে নেমে এলে প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দপ্রাপ্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। কোম্পানির পরিচালকরা নিজস্ব তহবিল থেকে ৰতিপূরণের টাকা যোগান দেবেন। প্রাথমিক শেয়ারধারীরা তাদের শেয়ার বিক্রি করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্রোকারেজ হাউসগুলো আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কোম্পানিকে অবহিত করবে। পরে নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাব থেকে বিনিয়োগকারীদের ৰতির সমপরিমাণ টাকা পাঠিয়ে দেয়া হবে। কোম্পানির পরিচালকরা প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে জমা রাখার প্রসত্মাব দিয়েছেন। পাশাপাশি উদ্যোক্তা পরিচালকদের মালিকানায় থাকা ৭৫ লাখ শেয়ার ডিএসই ও সিএসইতে জমা রাখা হবে। নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে টাকা না থাকলে এসব শেয়ার বিক্রি করে ৰতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। এজন্য প্রয়োজনে এসইসি পরিচালকদের নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ারের ওপর লক-ইন তুলে নেবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনী জটিলতা থাকলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করেই এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধানত্ম নেয়া হয়েছে। কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া না হলে এটি একটি খারাপ দৃষ্টানত্ম হিসাবে পরিগণিত হতো। তবে বিশেষ বিচেনায় এই কোম্পানির তালিকাভুক্তির অনুমোদন দেয়া হলেও ভবিষ্যতে এটিকে উদাহরণ হিসাবে দেখান যাবে না এবং এ বিষয়ে একটি নির্দেশনাও দেয়া থাকবে।
তিনি আরও বলেন, মবিল যমুনার তালিকাভুক্তি নিয়ে একই ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকেও এমআই সিমেন্টের মতো প্রসত্মাব দেয়া হলে তালিকাভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী জনকণ্ঠকে বলেন, পরিচালকদের পৰ থেকে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তসহ এসইসি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলে এমআই সিমেন্টের তালিকাভুক্তির বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
এমআই সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোক্তার এইচ তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এসইসির সকল শর্ত মেনে নিয়েছি। শর্তানুযায়ী প্রাথমিক শেয়ারধারীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা ব্যাংকে রাখা হবে। এছাড়া যে পরিমাণ শেয়ার অফলোড করা হয়েছে তার এক-চতুর্থাংশ দুই স্টক এঙ্চেঞ্জে লিয়েন রাখা হবে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এমআই সিমেন্ট বাজারে আসবে।
এর আগে প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডারদের কোম্পানির প্রিমিয়াম হিসাব থেকে ৰতিপূরণ প্রদানের শর্তে এমআই সিমেন্টকে তালিকাভুক্ত করতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে প্রয়োজনীয় পদৰেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছিল এসইসি। কিন্তু ৰতিপূরণ প্রদানের ৰেত্রে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ৫৭(২) এর গ ধারাকে ভিত্তি ধরা হলেও ওই ধারায় প্রিমিয়াম আয় থেকে এ ধরনের ব্যয় অনুমোদন না করায় এমআই সিমেন্টের পাশাপাশি মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টকে তালিকাভুক্তিতে অসম্মতি জানায় ডিএসই। এ কারণে গত বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময় শেষ হলেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারেনি কোম্পানি। তবে ওইদিনই কোম্পানির তালিকাভুক্তির সময় দু’ সপ্তাহ বৃদ্ধি করে এসইসি।

Source: The daily janakantha, 25 April, 2011

Clouds clearing over MI Cement

The Securities and Exchange Commission will ask the two bourses today to end the stalemate over the listing of MI Cement Factory Ltd for “greater interests of investors”.

The SEC discussed the listing plan with both bourses and set the company a condition of compensations from the directors’ accounts, at a meeting presided over by SEC Chairman Ziaul Haque Khondker.

MI Cement will have to deposit Tk 5 crore in security funds to compensate the investors if the share prices go below the offer price within the first six months of trade. Also, the company will have to set aside a fourth of total shares from the directors’ portion for the bourses. If the compensation amount crosses Tk 5 crore, the exchanges could go for selling those shares.

An SEC official said the market would get some liquidity when the company gets listed, he added.

Mukter H Talukder, general manager of MI Cement, told reporters that the company would meet all conditions set by the commission for listing.

MI Cement has already raised Tk 335.05 crore from the capital market under the book-building method by floating 3 crore ordinary shares with Tk 10 in face value per share and at an indicative price of Tk 111.6.

Data submitted by the company to the DSE shows earnings per share of MI are Tk 93.87 and net asset value is Tk 37.01 per share as on June 2009.

Earlier, the SEC asked the company to buy back shares, if its share prices slip below the offer price within the first six months of trading, and asked the bourses to take proper actions as per the listing rules.

But the listing committee of bourses opposed the move on a condition of buy-back, saying huge complexities would arise if the company is listed.

A stalemate was created over the listing of MJL that used the book building method for its IPO after the stockmarket regulator suspended the method in January following a government instruction.

A volley of criticisms came from economists, market experts, analysts and stakeholders over the misuse of the mechanism.

MJL Bangladesh is yet to take any decision of compensation from the directors’ account to be listed in the bourses.

MJL offered 30 percent bonus shares to the shareholders but the listing committee opposed it because before listing in the market a company cannot issue bonus shares.

Source: The daily star, 25 April, 2011

 

প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টিতে এসইসিকে প্ররোচিত করা হচ্ছে

প্লেসমেন্ট ব্যবসার নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) প্ররোচিত করা হচ্ছে। প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের জন্য হাতিয়ার হিসেবে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। এটি অনুমোদনের জন্য এসইসিতে জোর তদবির চালাচ্ছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

সোমবার এসইসির কমিশন সভায় কোম্পানিটির বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব প্রাধান্য পাবে বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, পুঁজিবাজার তদন্ত রিপোর্টে আইনের মধ্যে থেকে অনৈতিক প্লেসমেন্ট বাণিজ্য এবং এসইসিকে প্ররোচিত করে নতুন নতুন বিধিমালা তৈরির অভিযোগ উঠেছে বেক্সটেক্স কোম্পানির মালিক সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে।

তারই সংশ্লিষ্টতায় একই কায়দায় আবারও অনৈতিকভাবে প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের সুযোগ নিতে নর্দার্ন পাওয়ার সলিউশনের কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ কোম্পানিতে বেক্সটেক্স লিমিটেডের ৪৯.৯৭ শতাংশ মালিকানা রয়েছে।

গত ৬ এপ্রিল এসইসির কমিশন বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সদস্যের দ্বিমতের কারণে নর্দার্ন পাওয়ার বন্ডের অনুমোদন দেওয়ার কথা থাকলেও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।

কিন্তু কোম্পানি থেকে অনুমোদনের জন্য এসইসির সদস্যদের বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খন্দকার বিতর্কিত এ কনভার্টেবল বন্ডটি অনুমোদনের জন্য সম্মত রয়েছেন। কিন্তু অন্যান্য সদস্যদের দ্বিমতের কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।

কোম্পানি কর্তৃপক্ষের তদবিরের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় দফায় আগামীকাল সোমবার বন্ড ইস্যুর বিষয়ে আলোচনায় বসবে এসইসি।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্লেসমেন্ট বাণিজ্যকে প্রশ্রয় দিয়ে এসইসি নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। নতুন করে এ কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়া হলে তা প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের আর একটি নতুন সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে।

তবে এক্ষেত্রে এসইসি প্লেসমেন্ট বাণিজ্য বন্ধে কোম্পানিটিকে কিছু শর্ত দিয়ে অনুমোদন দিতে পারে।

প্রথমত: কোম্পানিটি কনভার্টেবল বন্ড ইস্যু করার প্রস্তাব দিয়েছে। এক্ষেত্রে তারা বন্ড ইস্যু করতে চাইলে নন কনভার্টেবল করতে হবে।

দ্বিতীয়ত: কনভার্ট করতে চাইলে ফেসভ্যালুতে না করে মার্কেট প্রাইসে করতে হবে।

তৃতীয়ত: কোম্পানি বন্ড ইস্যু না করে আইপিওর মাধ্যমে আসতে পারে।

জানা যায়, এসইসিতে দেওয়া আবেদন অনুযায়ী, নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত ১৭৫ কোটি টাকার বন্ডের পুরোটাই প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

বার্ষিক সুদের হার রাখা হয়েছে ১৮ শতাংশ। ৬ মাসের অবকাশকালসহ (গ্রেস পিরিয়ড) বন্ডের মেয়াদ ধরা হয়েছে সাড়ে ৪ বছর।

অবকাশকাল শেষে প্রতি তিন মাস পর পর বন্ডধারীদের নির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করা হবে। প্রতি এক বছর পর মূল বিনিয়োগের ২৫ শতাংশ করে পরিশোধ করা হবে।

মূল বিনিয়োগের অর্ধেক নগদ অর্থে এবং বাকি অর্ধেক কোম্পানির শেয়ার প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে বন্ডের বিনিয়োগকারীরা অভিহিত মূল্যে (১০ টাকা) নর্দার্ন পাওয়ারের শেয়ার পাবেন।

নর্দার্ন পাওয়ারের প্রস্তাবিত বন্ডের সুদের হার এবং শেয়ারে রূপান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ১৩-১৪ শতাংশ হার সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও কী কারণে কোম্পানিটি ১৮ শতাংশ সুদে বন্ড ইস্যু করছে তা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়।

ব্যাংকে আমানত রেখে যে হারে সুদ পাওয়া যায় তার চেয়ে কমপক্ষে ৬ শতাংশ বেশি সুদ দেওয়ার পরও অভিহিত মূল্যে শেয়ারের রূপান্তরের সুযোগ প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

Source: banglanews24.com, 17 April, 2010

আবারো এমজেএল’র তালিকাভুক্তির সময় বাড়ল

ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (শীর্ষ নিউজ ডটকম): আবারো মোবিল যমুনা লুব্রিকেন্টস (এমজেএল) বাংলাদেশ লিমিটেডের তালিকাভুক্তির সময় বাড়াল সিকিউরিটিজ এন্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।এসইসি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা যায়।
এ নিয়ে এমজেএল’র তালিকাভুক্তির মেয়াদ দ্বিতীয় বারের মত বাড়ানো হলো। এবার সময় বাড়ানো হয়েছে এক সপ্তাহ। এসইসি’র এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
এর আগে গত ২৭ মার্চ এমজেএল’র তালিকাভুক্তির মেয়াদ দু’সপ্তাহ বাড়ায় এসইসি। সে মোতাবেক আগামীকাল শেষ হচ্ছে তালিকাভুক্তির সময়।
নিয়মানুসারে ৭৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্তি বাধ্যতামূলক। সে অনুসারে ৩১ মার্চ এমজেএল’র তালিকাভুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকা সত্ত্বেও দু’দফা সময় বাড়াল এসইসি।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহের রোববার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) বোর্ড সভায় এমজেএলকে তালিকাভুক্ত না করা সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে একই দিন চিটাগাং স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) লিস্টিং কমিটির বৈঠকে এমজেএলকে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। লিস্টিং কমিটির বৈঠক থেকে তা বোর্ডে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

Source: sheershanews.com, 13 April, 2011

MJL seeks two more weeks to settle listing issue

FE Report

The state-run fuel company Mobil Jamuna Lubricants (MJL) Monday sought two more weeks from the securities regulator as it failed to be listed within the deadline the regulator fixed earlier.

The MJL authorities applied for time extension as both the bourses refused Sunday to accept listing proposal of the company as they think that the shares of the company are overpriced.

An official of the Securities and Exchange Commission (SEC) said the MJL authorities submitted an application to the SEC Monday seeking two more weeks to settle the issue.

But the official was reluctant to make comment about the future of the company’s listing issue.

Both the bourses rejected the listing application of the company Sunday as the probe body formed on recent share market scam mentioned in its reportthat the offer price of the company, which recently completed its bidding process, was abnormal.

The company has offered 30 per cent stock dividend in compensation to the general investors. But the bourses observed that such dividend could not change the company fundamentals so the offer price would not be questionable.

Ahasanul Islam, senior vice-president of DSE, said as per their decision the company would have to refund the money it collected from its shareholders within 15 days of listing refusal.

The MJL has floated 40 million shares with the face value of Tk 10 each at a premium of Tk 142.40 per share. Under the book building system, the offer price of each of MJL shares has been fixed at Tk 152.40.

Source: The financial express, 12 April, 2011

Efforts on for facilitating IPO floatations by low-cap ins cos

FE Report

Bangladesh Bank (BB) has withdrawn the compulsory system of enlistment of insurance companies with banks in response to a demand made by Bangladesh Insurance Association (BIA).

BIA chairman Sheikh Kabir Hossain disclosed this in a recent meeting of the chairmen of all private insurance companies.

“I met the honourable Governor of Bangladesh Bank and raised the long outstanding problem of enlistment of insurancecompanies with banks and the BB issued a letter withdrawing the system,” the BIA chairman told the meeting.

He also said that efforts are also going on for going public by the low-cap insurance companies on the basis of the paid-up capital at the time of registration of the respective insurance companies.

The meeting put thrust on restoring the image of the industry by withdrawing commission strictly as per provision to avoid unhealthy competition in the market.

Withdrawing the provision barring directors of insurance companies to become directors of banks & financial Institutions, shortage of qualified human resource in the industry, stopping migration of manpower from one company to another without release order and fixing minimum qualifications at the entry point to join any insurance company, taking necessary steps for early recovery of claims against reinsurance treaty from Sadharan BimaCorporation also came up elaborately for discussion.

The BIA chairman hailed the government for enactment of Insurance Act 2010 and formation of the Insurance Development and Regulatory Authority. He hoped this would go a long way in solving problems of the insurancecompanies ensuring necessary monitoring and supervision over the insurance industry.

Mr. M. Moyeedul Islam, Alhaj Md. Mockbul Hossain, Mr. Nizam Uddin Ahmed, Mr. Zahid Maleque, M.P., Mr. Abdul Matlub Ahmad, Mr. Tofazzal Hossain, Mr. Syed Moazzem Hussain and Mr. M. G. Quddus also spoke on the occasion.

Soure: The financial express, 11 April, 2011