Monthly Archives: February 2011

৩ মার্চ সালভো কেমিক্যালের আইপিও লটারি

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের প্রাথমিক শেয়ার বরাদ্দের জন্য আগামী ৩ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লটারি অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে ২৬ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে ১ হাজার ৯৫ কোটি ৯ লাখ ১০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে_ যা নির্ধারিত শেয়ারের ৪২.১২ গুণ।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সালভো কেমিক্যাল ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে কোন প্রিমিয়াম ছাড়াই পুঁজিবাজার থেকে ২৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতি ৫০০টি শেয়ারে এক মার্কেট লট হিসাবে সর্বমোট ৫২ হাজার আবেদনকারী এই কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এর বিপরীতে সর্বমোট ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৩টি আবেদন জমা পড়েছে। এরমধ্যে বিভিন্ন অসঙ্গতি থাকায় ৩৭ হাজার ১৬২টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে। বাকি ১৬ লাখ ৫ হাজার ৮২১টি আবেদনপত্রের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ করা হবে।
জানা গেছে, সালভো কেমিক্যালের নির্ধারিত শেয়ারের মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ কোটি ৮০ লাখ টাকা মূল্যের ২ কোটি ৮ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। এর বিপরীতে ৭৭৫ কোটি ৮৩ লাখ ১৫ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে_ যা নির্ধারিত শেয়ারের ৩৭.৩০ গুণ। অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ২৬ লাখ শেয়ার। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৪৬ কোটি ২৯ লাখ টাকা ৯৫ হাজার টাকা বা ১৭.৮০ গুণ। মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত ২ কোটি ৬০ লাখ টাকার ২৬ লাখ শেয়ারের জন্য ২৭ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা বা ১০.৫০ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।
সালভো কেমিক্যালের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ১৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। আইপিও প্রক্রিয়া শেষ মূলধনের পরিমাণ ৪০ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ৯১ পয়সা। তবে আইপিও প্রক্রিয়া শেষে ইপিএস দাঁড়াবে ৮০ পয়সায়। শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির ঋণ পরিশোধ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের কাজে ব্যয় করা হবে।

Source: The daily janakantha, 28 Feb, 2011

Five IPOs hit hurdles

The initial public offerings (IPO) of five companies, now awaiting regulatory approval to float shares worth Tk 721 crore, are uncertain on the back of a current bearish trend on the stockmarket.

The five companies, including a listed one, submitted IPO proposals to the Securities and Exchange Commission (SEC) under fixed price method. They are Central Depository Bangladesh Ltd (CDBL), STS Holdings Ltd, GBB Power Ltd, Rangpur Dairy and Food Products Ltd and Shurwid Industries Ltd.

Of them, CDBL plans to float four crore ordinary shares of Tk 10 each, with Tk 50 as premium. CDBL operates the central depository system for electronic share transfer. STS Holdings will offer three crore primary shares of Tk 10 each, at an issue price of Tk 125 including Tk 115 as premium.

GBB Power will float 2.05 crore ordinary shares of Tk 10 each, in addition to Tk 60 as premium, while Shurwid Industries will float 1.4 crore shares of Tk 10 each.

Rangpur Dairy will come up with 1.64 crore primary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 25, including Tk 15 as premium.

Bangladesh Shipping Corporation, which is a listed company, will go for repeat public offering (RPO). The company, however, did not finalise the RPO size, which will be announced after primary approval.

Officials at Securities and Exchange Commission (SEC) said, although the five companies’ IPO proposals are pending for approval, more information are needed from some of them.

“The commission has already sent letters to them,” said Yeasin Ali, a member of the SEC.

Ali said it will not be a proper time to give nod to those IPOs, as the secondary market is now on a declining trend. The SEC will consider the IPOs when the market stabilises, he added.

Source: The Daily Star, 27 Feb, 2011

তারল্য বাড়াতে এসইসির জরুরী সভায় ৫০০ কোটি টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তারল্য সঙ্কট কাটাতে ৫০০ কোটি টাকার একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সোমবার এসইসির জরুরী কমিশন সভায় ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ড নামের মিউচু্যয়াল ফান্ডটির ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদন করা হয়। এর ফলে ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান আজ (মঙ্গলবার) থেকেই উদ্যোক্তাদের দেয়া ২০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান জনকণ্ঠকে জানান, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিঙ্ড ইনকাম ফান্ডের মোট আকার ৫০০ কোটি টাকা। ফান্ডটির উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এবং ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) সর্বমোট ২০০ কোটি টাকা যোগান দিয়েছে। বাকি অর্থ প্রাক-আইপিও পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। ফান্ডরি সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে রেইস এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।
তিনি জানান, ট্রাস্ট চুক্তি অনুমোদনের পর ফান্ডের ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান চাইলে মঙ্গলবার থেকেই উদ্যোক্তাদের দেয়া ২০০ কোটি টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। এতে বাজারে তারল্য প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
গত প্রায় দু’মাস ধরে শেয়ারবাজারে তারল্য সঙ্কট তীব্র হয়ে উঠেছে। ক্রেতা না থাকায় প্রতিদিনই ব্যাপক মাত্রায় কমছে অধিকাংশ শেয়ারের দর। এ অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের প্রত্যাশা করা হলেও অনেকটা নীরব ভূমিকা পালন করছে তারা। বাজারে সক্রিয় মিউচু্যয়াল ফান্ডগুলোর কাছে বিনিয়োগ করার মতো তহবিল নেই। এ অবস্থায় বাজারে নতুন তহবিল নিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এ কারণেই এসইসি জরম্নরী ভিত্তিতে বড় আকারের মিউচু্যয়াল ফান্ডটি অনুমোদন করেছে। নতুন এ ফান্ডটির অনুমোদন বাজারে তারল্য প্রবাহ কিছুটা বাড়াতে পারবে বলে মনে করছেন সংশিস্নষ্টরা।

Source: The daily janakantha, 15 Feb, 2011

Govt changes mind on state shares

The finance minister has admitted that the decision to offload shares of state enterprises was not a timely step and some sections tried to cash in on it by reducing stock prices.

But the decision has already led the General Index of Dhaka Stock Exchange (DGEN) to lose almost 950 points within two days, putting thousands of investors into despair.

In the wake of the current stockmarket debacle, the government yesterday shelved its plan, for now, to offload shares of all state enterprises.

The Securities and Exchange Commission offered no explanation for the delay, but analysts said investors have no appetite for new shares. They said newcomers would drive down the prices of the existing shares.

Analysts and bankers blamed a lack of coordination in the government for the free fall and said everybody understands that the problem is not with supply, but with confidence.

“Offloading state shares in a declining market was a wrong decision,” said Mafizuddin Sarker, managing director of LankaBangla Finance.

Finance Minister AMA Muhith on Thursday announced a roadmap for offloading shares of 21 SoEs starting this month, and ruled out any negative impact of the decision.

“I am clueless why the government chose such a bad time to offload shares. Even a naïve understands that it will affect the market badly,” said a top banker requesting anonymity.

“The minister did it without fixing prices for SoE shares, so investors went into desperate sales fearing a downfall in prices,” said the banker.

The finance ministry throughout 2010 had tried to offload shares of 26 SoEs against the backdrop of a severe supply crunch in the stockmarket. The minister also mentioned the initiative in his budget speech in June last year.

The ministry set several deadlines for share release. The first deadline was set for June 2010 and the second was October 2010.

As a consequence, over 30 lakh investors were running after fewer than 250 stocks that made the market severely overpriced. A section of large investors — individuals and institutions — took the chance and made hefty profits.

However, now that the finance ministry has been able to convince the SoEs to offload shares, the market has lost its capacity to consume new supplies.

Yawer Sayeed, a financial analyst, said different quarters had been urging to increase the supply to reduce the prices of stocks at an overheated market.

“The government will be deprived of getting due prices of its shares. Ultimately, it will be a national loss,” said Sayeed. “It should have been done at least six months before.”

He also observed a serious lack of coordination among the government high-ups, including the ministers, chairmen of parliamentary standing committees, lawmakers and the regulators.

“This lack of coordination is dampening investor confidence,” he added.

Source: The Daily Star, 15 Feb, 2011

ওরিয়নসহ ৬ কোম্পানি অবৈধ প্লেসমেন্টে হাতিয়ে নিল ১৫৭২ কোটি টাকা

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের নামে পুঁজিবাজারে অনৈতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে ১৫৭২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ৬ কোম্পানি। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরুর আগেই ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস, জিএমজি এয়ালাইন্সসহ ৬টি কোম্পানি মূলধন সংগ্রহের নামে স্বল্পসংখ্যক শেয়ার প্লেসমেন্টে বিক্রির মাধ্যমে এ বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। দেশের সিকিউরিটিজ আইনে প্লেসমেন্ট বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ আইন না থাকার সুযোগে স্টক এক্সচেঞ্জের বাইরে অবৈধ লেনদেন ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। তবে উচ্চহার প্রিমিয়ামে প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে কোম্পানিগুলো শ’ শ’ কোটি টাকা সংগ্রহ করলেও নির্দিষ্ট সময়ে কোম্পানি তালিকাভুক্ত না হওয়ায় প্লেসমেন্টে বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা বিপাকে পড়েছেন। এদিকে প্লেসমেন্টে শ’শ’ কোটি টাকা আটকে যাওয়ায় পুঁজিবাজারে বিদ্যমান তারল্য সংকট আরো প্রকট আকার ধারণ করেছে। অপরদিকে মূলধন বৃদ্ধির অনুমোদন এবং প্লেসমেন্ট বরাদ্দ সংক্রান্ত আইন না করে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) নিজেই অবৈধ প্লেসমেন্ট ব্যবসার সুযোগ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্লেসমেন্টের কারণে পুঁজিবাজারের বাইরে শেয়ার লেনদেনের নতুন যে পদ্ধতি চালু হয়েছে তা সম্পূর্ণ বেআইনি। সম্প্রতি পুঁজিবাজারেও তালিকাভুক্ত হওয়ার আগেই অযৌক্তিক প্রিমিয়ামে প্লেসমেন্ট বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বেশ কয়েকটি কোম্পানি। অতি মূল্যায়িত পুঁজিবাজারে শেয়ার সংকটের সুযোগ নিয়ে একাধিক দুর্বল কোম্পানি মিথ্যা আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিয়েছে। তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া শুরুর আগেই সম্প্রতি বড় ধরনের প্লেসমেন্ট বিক্রি করা কোম্পানিগুলো হচ্ছে-ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড, ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেড, লংকা বাংলা সিকিউরিটিজ, জিএমজি এয়ারলাইন্স, এসটিএস হোল্ডিংস (এপোলো হাসপাতাল)। এছাড়া কেয়া কটন মিলসও প্লেসমেন্টে শেয়ার বিক্রি করেছে।
জানা যায়, উল্লিখিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ প্লেসমেন্ট বরাদ্দ দিয়েছে ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড। কোম্পানিটি তার পরিশোধিত মূলধন থেকে ৭০ কোটি টাকার শেয়ার প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করেছে ৫২৫ কোটি টাকায়। প্লেসমেন্ট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করেছে ৭৫ টাকায়। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হচ্ছে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৮০ কোটি টাকা থেকে ১৩০ কোটি টাকায় এবং আইপিওর জন্য ৬ ডিসেম্বর ১৩০ কোটি টাকা থেকে ১৫৫ কোটি টাকায় উন্নীত করার অনুমতি দেয় এসইসি। মাত্র ৪ মাসের ব্যবধানে এসইসি এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৭৫ কোটি টাকা বৃদ্ধির অনুমতি দিয়েছে, যা দিয়ে কোম্পানিটি অবৈধভাবে প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ৫২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।
প্লেসমেন্ট বিক্রির ক্ষেত্রে এরপরের অবস্থান হচ্ছে ইউনিক হোটেল এন্ড রিসোর্ট লিমিটেডের। কোম্পানিটি পরিশোধিত মূলধন থেকে মাত্র ৩০ কোটি টাকার শেয়ার প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করেছে ৪৮০ কোটি টাকায়। কোম্পানিটির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার প্লেসমেন্টে বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকায়। একই প্রক্রিয়ায় জিএমজি এয়ারলাইন্স পরিশোধিত মূলধন থেকে ৬০ কোটি টাকার শেয়ার প্লেসমেন্টে বিক্রি করেছে ৩০০ কোটি টাকায়। প্লেসমেন্ট বিক্রির ক্ষেত্রে জিএমজি এয়ারলাইন্স ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ার বিক্রি করেছে ৫০ টাকায়। ইতিমধ্যেই এ কোম্পানির প্রসপেক্টাসে দেয়া আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অপরদিকে লংকা বাংলা সিকিউরিটিজ পরিশোধিত মূলধন থেকে ৫ কোটি টাকার শেয়ার প্লেসমেন্টে বিক্রি করেছে ১২৫ কোটি টাকায়। এ কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার প্লেসমেন্টে বিক্রি হয়েছে ২৫০ টাকায়।
এদিকে প্লেসমেন্ট নিয়ে সবচেয়ে বেশি সন্দেহের সৃষ্টি করেছে এসটিএস হোল্ডিংস (এপোলো হাসপাতাল)। অন্যান্য কোম্পানি যেখানে প্লেসমেন্ট শেয়ার বরাদ্দে দশ থেকে পনের গুণ পর্যন্ত প্রিমিয়াম নিয়েছে সেখানে এ কোম্পানির প্লেসমেন্ট বিক্রি হয়েছে মাত্র দেড়গুণ দরে। এ কোম্পানিটি পরিশোধিত মূলধন থেকে ৮৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করেছে মাত্র ১৩০ কোটি টাকায়। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করেছে মাত্র ১৫ টাকায়। তবে রোড শো’র জন্য প্রস্তুত করা কোম্পানির আর্থিক বিবরণীতে প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য প্রস্তাব করা হয়েছে ১২৫ টাকায়। এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় হচ্ছে ১.৪৪ টাকা। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় ছিল ঋণাত্মক।
এছাড়া কেয়া কটন মিলস লিমিটেড তার পরিশোধিত মূলধন থেকে ৬ কোটি টাকার শেয়ার প্লেসমেন্টে বিক্রি করেছে ১২ কোটি টাকায়। প্লেসমেন্টের মাধ্যমে কেয়া কটন মিলের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে ২০ টাকায়। যদিও কোম্পানিটি রোড শোতে প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য প্রস্তাব করেছে ৬০ টাকায়। এছাড়া সামিট শিপিং লিমিটেড, কেওয়াইসিআর কয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ, গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, ফারইস্ট নিটিং এন্ড ডায়িং ইন্ডাস্ট্রিজ, আনন্দ শিপইয়ার্ড, পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ, নাভানা রিয়েল এস্টেটসহ বেশ কিছু কোম্পানি প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিয়েছে।
জানা গেছে, অনেক আগেই প্লেসমেন্ট নিয়ে নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত থাকলেও তা কার্যকর করেনি এসইসি। প্রাইভেট প্লেসমেন্ট নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত বছরের এপ্রিল মাসে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এসইসি। সেই সময় সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) বিধিমালা সংশোধনপূর্বক আইপিওর ক্ষেত্রে ১৫০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির জন্য প্রাইভেট প্লেসমেন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু সেটি কার্যকর করা হয়নি। এমনকি কোম্পানি থেকে প্লেসমেন্ট বরাদ্দধারীদের তালিকা জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করেনি এসইসি। তবে পুঁজিবাজারে কয়েক হাজার কোটি টাকার জমজমাট প্লেসমেন্ট ব্যবসার পর গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর প্রাথমিকভাবে পাবলিক বা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মূলধন সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ করা শেয়ারের মালিকানা হস্তান্তরে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। এছাড়াও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে মূলধন সংগ্রহের জন্য উদ্যোক্তাদের বাইরে অন্য কারো কাছে শেয়ার বিক্রি করতে হলে কোম্পানির আর্থিক বিবরণীসহ প্রস্তাবনাপত্র (অফার ডকুমেন্ট) প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি। তবে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহে শৃঙ্খলা আনতে এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা জারি করেনি এসইসি। এ বিষয়ে এসইসির চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সাথে টেলিফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

Source: sheershanews.com , 14 Feb, 2011

আইপিও অনুমোদন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি

পুঁজিবাজারের বর্তমান নেতিবাচক পরিস্থিতির কারণে আপাতত নতুন কোম্পানির আইপিও অনুমোদন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারের সংকট কাটাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এসইসির কাছে কয়েকটি বিষয়ে মতামত জানতে চেয়ে চিঠি পাঠায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এরমধ্যে তারল্য সংকট, অতি মূল্যায়ন রোধ, কারসাজিকারকদের শনাক্তকরণসহ বিভিন্ন বিষয় জানতে চাওয়া হয়। এসইসি তাদের সুপারিশমালায় জানিয়েছে যে, পুঁজিবাজারে বর্তমানে তারল্য সংকট চলছে। এ অবস্থায় নতুন আইপিও’র অনুমোদন দেয়া হলে তা তারল্য সংকট আরো প্রকট করে তুলবে। এ অবস্থায় আপাতত নতুন আইপিও’র অনুমোদন দেয়া বন্ধ রেখেছে এসইসি। ইতিমধ্যেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তি স্থগিত করা হয়েছে। তবে ফিঙ্ড প্রাইস পদ্ধতি চালু থাকলেও এ মুহূর্তে আইপিও’র আবেদনও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরই ধারবাহিকতায় গত সপ্তাহে রংপুর ডেইরি এন্ড ফুড প্রডাক্টসের আইপিও ফেরত দেয়া হয়েছে। বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসলে আইপিও অনুমোদন দেয়া শুরু হবে বলে এসইসি সুপারিশে জানিয়েছে। এছাড়া পুজিবাজারের বর্তমান অবস্থায় সরকারি শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি নতুন করে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতে সরকারি শেয়ার বাজারে ছাড়ার বিষয়টি বিলম্বিত হতে পারে। কারণ, এখন বাজারে সরকারি শেয়ার ছাড়া হলে প্রকৃত মূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ইতিমধ্যেই দর পড়ে যাওয়ায় রূপালী ব্যাংকের শেয়ার অফলোড প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তারল্য হ্রাস বৃদ্ধির বিষয়ে এসইসি কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলে তাদের সুপারিশে বলা হয়। মার্জিন ঋণ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করার জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে পৃথকভাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে মার্জিন ঋণ ও আর্থিক সমন্বয় সুবিধা বন্ধের বিষয়ে এসইসি কোনো মতামত দেয়নি বলে জানা গেছে।
সুপারিশমালায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির অতি মূল্যায়ন রোধ বিষয়ে এসইসি জানিয়েছে, কোম্পানির শেয়ারের দর ও মৌলভিত্তিতে সমন্বয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। চিঠিতে পুঁজিবাজারে কারসাজির সাথে জড়িতদের শনাক্তকরণে এসইসির ভূমিকা বিষয়ে জানতে চাইলে এসইসি জানিয়েছে যে, কারসাজির সাথে জড়িতদের শনাক্তকরণে ইউনিফর্ম সফটওয়্যার করবে। একই সাথে পুঁজিবাজারের সার্ভিলেন্স কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এছাড়া পুঁজিবাজারে শেয়ার লেনদেনে বিনিয়োগকারীদের অধিক সতর্ক করার জন্য নিয়মিতভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে এসইসি তাদের সুপারিশে জানিয়েছে।

Source: sheershanews.com , 14 Feb, 2011

এমআই সিমেন্টের আইপিও লটারি আজ

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ (বুধবার) সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (ক্রাউন সিমেন্ট) লটারী অনুষ্ঠিত হবে। লটারীর ফলাফল ডিএসই, সিএসই, সংশিস্নষ্ট কোম্পানি এবং ইসু্য ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
এমআই সিমেন্ট মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩৩৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা সংগ্রহ করছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারের মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির ইসু্য ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এমআই সিমেন্টের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করে ২০০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর বিপরীতে ১ হাজার ২৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকার আবেদন জমা পড়েছে_ যা নির্ধারিত শেয়ারের ৬.৪৪ গুণ। অন্যদিকে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হবে ৩৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা মূল্যের ৩০ লাখ শেয়ার। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ২.৮৬ গুণ। মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য সংরৰিত ৩০ লাখ শেয়ারের জন্য ২৪৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা বা ৭.৪১ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। এর আগে দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ দেয়া হয়।

Source: The daily janakantha, 09 Feb, 2011

New investors rush to open BO accounts despite crash

New investors have kept pouring in the stock market despite a crash that has hurt tens of thousands of small investors severely, an official said Monday.

Since the stocks went on a free fall early December, some 250,000 beneficiary owner (BO) accounts have been opened.

Figures released by the Central Depository Bangladesh Limited, which keeps the electronic data of all share investors including individuals and companies, said 141,000 BO accounts were added alone in December.

An investor has to open a BO account to be able to trade in the share market and to apply for primary shares.

In January, the worst month in the stock market’s recent history, at least 104,000 new BO accounts were opened, said CDBL chief executive M.A. Samad.

“The figures show new investors haven’t turned their back on the capital market. The trend in new BO accounts opening remains strong and encouraging,” he said.

He said in the first five days of February 10,000 BO accounts were opened and he expects the number to get momentum later in the month as an Initial Public Offering (IPO) of a new power company has invited subscription.

In 2010 a record 1.57 million BO accounts were opened as the booming market lured the country’s elderly and female savers and hundreds of thousands of unemployed youngmen.

According to the latest count, the country now has 3,385,302 BO account holders including 144,850 non resident Bangladeshis and 8,607 companies.

The number has doubled in the past 15 months when the market rose more than 100 percent. In October, 2010 the CDBL added nearly 200,000 BO accounts — a monthly record — at the height of the share boom.

CDBL officials said the interest in the market could die down if the the number of new IPOs bottom out as the prospect for lucrative values looked dim following the crash.

The benchmark Dhaka Stock Exchange General (DGEN) Index shed more than 30 percent since it hit the historic high of 8918.51 on December 5 last year.

The smaller Chittagong Stock Exchange also embraced the same fate.

Thousands of small investors hit the streets in Dhaka and across the country, protesting the slump, which prompted the government to admit “mistakes” in handling the market. The government has set up a body to probe the fall.

CDBL officials said investors mainly follow IPO trail to decide whether to open a BO account or not.

“Typically investors rush to open BO accounts when they see declarations of new listings,” he said.

At least 150,000 investors opened BO i.e. share accounts when the country’s largest private company company, Grameenphone, invited subscription for its 141 million dollars IPO in October 2009.

Source: The financial express, 08 Feb, 2011

শেয়ার ছাড়তে দেরি হলে পদত্যাগ করুন: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সরকারি ২৬ প্রতিষ্ঠান এবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেয়ারবাজরে না আসতে পারলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে। রোববার সচিবালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (ডিসিসিআই) নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা তার সাথে সাক্ষাৎ করতে এলে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মুহিত বলেন, ২৬টি সরকারি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ ৩ বছরেও শেয়ারবাজারে আসতে পারেনি। শিগগির তাদের সাথে আলোচনায় বসে সময় বেঁধে দেয়া হবে। এ সময়ের মধ্যে বাজারে আসতে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পদত্যাগ করতে হবে। বিগত ৩ বছর বার বার সময়সীমা বেধে দেয়ার পর সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর ২৬ কোম্পানিকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যেও শেয়ারবাজারে আসতে ব্যর্থ হয় সরকারি কোম্পানিগুলো।
ডিসিসিআই প্রতিনিধিদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজারকে জুয়া খেলার জায়গা মনে করে। এটা খুবই বিপদের কথা। অর্থমন্ত্রী জেড ক্যাটাগরির কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে বাদ যাওয়া উচিত বলেও মনে করেন।
মুহিত বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। আইনটি আগামী বাজেটে কার্যকর করতে আগামী অধিবেশনে সংসদে তোলা হবে। কর অবকাশের দাবির প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি কর অবকাশের পক্ষে নই। কিছু না কিছু কর দিতেই হবে। ডিসিসিআই’র অনুদানের টাকা করমুক্ত রাখার দাবির জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতে সিএসআর (কর্পোরেট সোস্যাল রেসপন্সসিবিলিটিস) চালু রয়েছে। এ বিষয়টি অন্যান্য ক্ষেত্রে চালু করার বিষয়ে কাজ করছি।
ডিসিসিআই’র এক সদস্য বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ না দেয়ার কারণে আমাদের হাজার হাজার ফ্ল্যাট খালি পড়ে আছে। এসব ফ্ল্যাটে আমাদের কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ আটকে আছে।
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলব। বিদ্যুৎ নিয়ে ২০১১ সাল নাগাদ সরকারের যে পরিকল্পনা রয়েছে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিমসহ পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

Source: sheershanews.com , 06 Feb, 2011