Monthly Archives: January 2011

৩১ জানুয়ারি মবিল-যমুনা, ৯ ফেব্রুয়ারি এমআই সিমেন্টের আইপিও লটারি

প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য লটারির তারিখ চূড়ান্ত করেছে মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (এমজেএল) এবং এমআই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেড। আগামী ৩১ জানুয়ারি এমজেএল এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এমআই সিমেন্টের লটারি অনুষ্ঠিত হবে।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণের কারণে এ দু’টি কোম্পানির আইপিও নিয়ে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর দুই কোম্পানির আইপিও নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে বাজারে আসার এক মাসের মধ্যে দর কমে গেলে কোম্পানির পৰ থেকে বরাদ্দ মূল্যে সকল শেয়ার কিনে নেয়ার (বাই ব্যাক) শর্তে আইপিও প্রক্রিয়া শেষ করার অনুমতি দিয়েছে এসইসি।
মবিল-যমুনা : মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের আইপিও লটারি আগামী ৩১ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সাড়ে ৫ গুণ এবং প্রবাসীদের কাছ থেকে ১.৭৫ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে আবেদন জমার গড় হার ৪.৮৬ গুণ। কোম্পানিটি মোট ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করছে। ইতোমধ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির দর প্রসত্মাব (বিডিং) মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ বা ৮০ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ২ কোটি ৪০ লাখ স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের ৪০ লাখ প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের এবং বাকি ৪০ লাখ মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য বরাদ্দ করা হবে।
১৪২ টাকা ৪০ পয়সা প্রিমিয়ামসহ কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারের মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির ইসু্য ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
এমআই সিমেন্ট : এমআই সিমেন্টের আইপিও আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ড্র অনুষ্ঠিত হবে। কোম্পানির আইপিওতে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৫ গুণ এবং প্রবাসীদের (এনআরবি) কাছ থেকে ৩ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩৩৪ কোটি টাকার শেয়ার সংগ্রহ করেছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। কোম্পানির ১০০টি শেয়ারের মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। কোম্পানির ইসু্য ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে এ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

Source: The daily janakantha, 30 Jan, 2011

বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত নয়, প্রয়োজন কার্যকর সংস্কার

টানা বিপর্যয়ের পর দেশের পুঁজিবাজারে আবারও স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরতে শুরু করেছে। গত সপ্তাহের শেষ লেনদেনে বাজারের স্বাভাবিক আচরণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। তবে উলেস্নখযোগ্য হারে দরপতনের পরও অনেক কোম্পানির শেয়ারের দর অতি মূল্যায়িত হয়ে আছে। ফলে একটানা দরবৃদ্ধির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে শেয়ারবাজার আবারও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে ভাল শেয়ারের যোগান বাড়ানো জরুরী। বিপর্যয়ের ফলে বিনিয়োগকারীদের যে লোকসান হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতেও গ্রহণযোগ্য দরে নতুন শেয়ারের যোগান বাড়ানোকেই সবচেয়ে বড় উপায় বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, গত প্রায় দেড় বছর ধরে যৌক্তিক সংশোধন ছাড়াই ধারাবাহিক উর্ধগতির কারণে দেশের পুঁজিবাজার ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। মূলত নানা উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ হলেও তার সঙ্গে পালস্না দিয়ে শেয়ারের যোগান বাড়াতে না পারার কারণেই অধিকাংশ শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়ে পড়ে। এরপরও নানা ধরনের গুজব ও প্রলোভনের কারণে শেয়ার ধরে রাখেন অধিকাংশ বিনিয়োগকারী। একের পর এক পদৰেপ নিয়েও বাজারের রাশ টানতে ব্যর্থ হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। ওই অবস্থায় শেয়ারবাজারে জমে ওঠা পুঁজি উৎপাদনমুখী খাতে স্থানান্তর করে শেয়ারের যোগান বাড়ানো সবচেয়ে জরম্নরী ছিল। কিন্তু কোম্পানির ৪০ শতাংশ শেয়ার ছাড়ার বাধ্যবাধকতা এবং আমলতান্ত্রিক জটিলতার কারণে উলেস্নখযোগ্য সংখ্যক নতুন ইসু্য বাজারে আসতে পারেনি। এর বিপরীতে বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় তীব্র হয়ে ওঠে ভাল শেয়ারের সঙ্কট। চাহিদা ও যোগানের এই অসামঞ্জস্যতাই বাজারে বিপর্যয়ের পথ তৈরি করে।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত রাখার পাশাপাশি প্রক্রিয়াধীন প্রাথমিক গণপ্রসত্মাব (আইপিও) অনুমোদনে ধীরে চলার নীতি অবলম্বন করছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর ফলে পুঁজিবাজারে আসার অপেৰায় থাকা উলেস্নখযোগ্যসংখ্যক কোম্পানির ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আর সামগ্রিকভাবে বাজারে শেয়ারের যোগান বাড়ানোর প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নানামুখী প্রচেষ্টার সঙ্গে ভাল শেয়ারের যোগান বৃদ্ধির প্রক্রিয়াও অব্যাহত রাখতে হবে বলে বিশেস্নষকদের অভিমত।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করতে গিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিকে দায়ী করা হচ্ছে। কারণ বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যনত্ম অনুমোদন পাওয়া সব কোম্পানিই লেনদেন শুরম্নর আগে থেকেই অতি মূল্যায়িত হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগেই শেয়ারের অতি মূল্যায়ন রোধ এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানানত্মরের সুযোগ বন্ধে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির কার্যকারিতা স্থগিত করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এর ফলে ৪৮টি কোম্পানির শেয়ারবাজারে আসার প্রক্রিয়া থমকে গেছে।
জানা গেছে, নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে বাজারে আসার প্রক্রিয়ায় থাকা কোম্পানিগুলোর ৰেত্রেও ধীরে চলার নীতি অবলম্বন করছে এসইসি। টানা দরপতনের প্রেৰিতে সালভো কেমিক্যালের আইপিও আবেদন গ্রহণের সময় পিছিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া সব কিছু চূড়ানত্ম হওয়ার পরও কয়েকটি কোম্পানির আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়া পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।
বিশেস্নষকরা মনে করেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকি কমাতে হলে শেয়ারের যোগান বাড়ানোই হবে সবচেয়ে বড় সমাধান। কারণ বাজারে শেয়ারের মূল্য ও আয়ের গড় অনুপাত এখনও ২০-এর বেশি। এছাড়া সূচক যে অবস্থানে রয়েছে তাতে কয়েকদিন টানা বৃদ্ধিতেই বিপর্যয়ের আগের অবস্থানে চলে যেতে পায়ে। এতে বাজারে আরেক দফা বড় দরপতনের ঝুঁকি বাড়বে। এ অবস্থায় সহনীয় ও গ্রহণযোগ্য মূল্যে নতুন শেয়ারের যোগান বাড়াতে পারলে বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বাজারের জন্যও তা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।
বাজার সংশিস্নষ্টরা মনে করেন, বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হলে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি পুনরায় কার্যকর করতে হবে। পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দের সুযোগ বন্ধ ও দর প্রসত্মাবে (বিডিং) বরাদ্দ পাওয়া শেয়ারের লক ইনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হলে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কারসাজির প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে। পাশাপাশি এসইসির হাতে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য সংশোধনের সুযোগ রাখা হলে অতি মূল্যায়িত হয়ে বাজারে আসার পথ বন্ধ হবে।
তাদের মতে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত করে রাখলে প্রক্রিয়াধীন থাকা ৪৮টি কোম্পানির পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এতে পুঁজিবাজারে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার শেয়ার সরবরাহ বন্ধ হবে। এতে তীব্র শেয়ার সঙ্কট থেকে সৃষ্ট বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে সাময়িক উত্তরণ সম্ভব হলেও তা টেকসই করা যাবে না।

Source: The daily janakantha, 30 Jan, 2011

শর্তসাপেক্ষে তালিকাভুক্ত হবে মবিল-যমুনা, এমআই সিমেন্ট

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে শর্তসাপেক্ষে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে মবিল-যমুনা লুব্রিকেন্টস ও এমআই সিমেন্ট। নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) গতকাল কোম্পানি দুটির উদ্যোক্তাদের শর্ত জুড়ে দিলে তাতে তাঁরা সম্মতি জানান।
গতকাল সোমবার আলাদা আলাদাভাবে কোম্পানি দুটির শীর্ষ নির্বাহীদের ডেকে পাঠায় এসইসি। এ সময় তাঁদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে কোম্পানি কী ব্যবস্থা নেবে।
জবাবে কোম্পানি দুটির নির্বাহীরা এসইসিকে জানান, তালিকাভুক্তির ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে যদি তাঁদের কোম্পানির শেয়ারের বাজারদর শেয়ারের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) দামের নিচে নেমে আসে, তাহলে কোম্পানির উদ্যোক্তারা ঘোষণা দিয়ে আইপিওর দামেই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কিনে নেবেন।
গতকাল সকালে এসইসির সঙ্গে বৈঠকে এমন মৌখিক আশ্বাস দেওয়ার পর বিকেলেই কোম্পানি দুটি আলাদা আলাদাভাবে তাদের লিখিত সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে এসইসিকে।
এর ফলে কোম্পানি দুটির তালিকাভুক্তির অনিশ্চয়তার অবসান হলো। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে কোম্পানি দুটির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল।
ইতিমধ্যে কোম্পানি দুটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিওর মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করেছে। বাকি আছে লটারির মাধ্যমে আইপিও বিজয়ীদের চিহ্নিত করা।
কিন্তু শেয়ারবাজারে বিপর্যয় দেখা দিলে বুক বিল্ডিং পদ্ধতির দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এই পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তিতে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর নির্দেশক দাম নির্ধারণে কারসাজির অভিযোগও তোলা হয়। বলা হয়, পদ্ধতিগত দুর্বলতার সুযোগে শেয়ারের বেশি দাম দেখিয়ে বাজার থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে নিচ্ছে অনেক কোম্পানি।
এমনকি দুই স্টক এক্সচেঞ্জের নেতারা বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে বাজারে তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় থাকা ৪৮ কোম্পানির হিসাব বিবরণী তদন্তেরও দাবি তোলেন।
এমন পরিস্থিতিতে সরকার বুক বিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিতের ঘোষণা দেয়। তাতে মবিল-যমুনা, এমআই সিমেন্টসহ অনেক কোম্পানির তালিকাভুক্তি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়।
বর্তমানে মবিল-যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদনে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের তিন হাজার ৯০৬ কোটি টাকারও বেশি আটকে আছে। সরকারি ঘোষণার পর আইপিও আবেদনকারীরা শঙ্কায় পড়েন।
জানা গেছে, মবিল-যমুনার ৬০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকার আইপিওর বিপরীতে জমা পড়েছে দুই হাজার ৩৬৬ কোটি টাকার আবেদন। আর এমআই সিমেন্টের প্রায় ২১০ কোটি টাকার বিপরীতে জমা পড়েছে প্রায় এক হাজার ৫৪০ কোটি টাকার আবেদন।
দেশীয় বিনিয়োগকারীদের মধ্য থেকেই এই বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। এর বাইরে প্রবাসী বাংলাদেশি (এনআরবি) ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আবেদনের টাকাও রয়েছে।
গত রোববার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছিলেন, ‘মবিল-যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও বাতিল কিংবা আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে।’
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) মবিল-যমুনা লুব্রিকেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজম জে. চৌধুরী এবং এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেন।
এ সময় এসইসির চেয়ারম্যান সরকারের সিদ্ধান্তের কথা তাঁদের জানান এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে কোম্পানিগুলো কী ব্যবস্থা নেবে, তা জানতে চান। তখন কোম্পানি দুটির পক্ষ থেকে বাই ব্যাকের (পুনঃক্রয়) নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।
মবিল-যমুনা লুব্রিকেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজম জে. চৌধুরী জানান, তাঁরা যে দামে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আইপিওর শেয়ার বিক্রি করছেন, তাতে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে এর দায় কোম্পানি নেবে। এই নিশ্চয়তা তিনি এসইসিকে দিয়েছেন।
আজম জে. চৌধুরী প্রথম আলোকে আরও বলেন, যদি বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম নেমে যায়, তাহলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা যে পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, সেটি পুষিয়ে দিতে প্রয়োজনে বাজার থেকে শেয়ার বাই ব্যাক করা হবে।
এমআই সিমেন্টের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এসইসির পক্ষ থেকে আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় আমরা কী করব। তখন আমরা বাই ব্যাকের নিশ্চয়তা দিয়েছি।’
১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এমআই সিমেন্টের প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক দাম ১১১ টাকা ৬০ পয়সা এবং একই অভিহিত মূল্যের মবিল-যমুনা লুব্রিকেন্টসের প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক দাম ঠিক করা হয় ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা। এই দামেই কোম্পানি দুটি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিওর চাঁদা সংগ্রহ করে।

Source: The prothom-alo, 25 Jan, 2011

পুঁজিবাজারে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার ছাড়বে ওরিয়ন ফার্মা

ওরিয়ন গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করবে।
এরই অংশ হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দরপ্রস্তাব গ্রহণের জন্য ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক রোড শোর আয়োজন করা হয়েছে। এতে বেশ কিছু প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ওরিয়ন ফার্মার পরিচালক সালমান ওবায়দুল করিম। এতে অন্যদের মধ্যে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওবায়দুল করিম, ইস্যু ম্যানেজারের পক্ষে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রউফ বক্তব্য দেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৫ সালে ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড নামে এই কোম্পানিটি নিবন্ধিত হয়ে ব্যবসা শুরু করে। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা।
২০১০ সালের ৬ ডিসেম্বর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেডের ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ৯০ টাকার প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের দাম ১০০ টাকায় অনুমোদন করে। এই অনুমোদন লাভের পর প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন বেড়ে ১৫৫ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
প্রতিষ্ঠানটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতির মাধ্যমে চার কোটি শেয়ার ছাড়বে পুঁজিবাজারে। পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে কোম্পানিটি একটি এফডিএ কমপ্লায়েন্স ও আধুনিক ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি স্থাপন করবে। যেটিতে সাধারণ ওষুধসহ অ্যান্টিক্যানসার, ব্লাড প্রোডাক্ট, প্রোবায়োটিকস্, হারবাল, ভ্যাকসিন, হরমোন ও অন্যান্য হাইটেক পণ্য উৎপাদন করে স্থানীয়ভাবে বিপণনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করা হবে।

Source: The prothom-alo, 15 Jan, 2011

Govt to postpone book building for price fixing

The government has decided to postpone temporarily book building (BB) method for price fixing of shares to protect siphoning off money from thestock market through over-pricing, sources said.

The decision came at a meeting Wednesday at the residence of Finance Minister A M A Muhith.

It was said at the meeting that under BB method manycompanies are fixing very high price of their shares before offloading in the stock market. As a result, huge amount of money is being siphoned off from the stock market, and liquidity crisis has been created.

“In such a situation, it was proposed to suspend the BB method temporarily, and the finance minister gave his nod,” it added.

Another source said the Securities and Exchange Commission (SEC) has decided in principle to suspend BB method following the decision of the meeting. The stock regulator is likely to issue a gazette notification within two or three days regarding the matter.

However, some companies have submitted their IPO proposals to the SEC to go public under BB method.

“These companies can be listed under fixed price method, if they intend to go public. But the companies, which have already completed their subscriptions, have no bar to go public under BB method,” an SEC source said.

The SEC issued a guideline on March 9, 2010 to introduce BB method. But the experts criticised high prices of shares, fixed under it. Those who buy shares at the bidding can easily come out of the market by selling shares due to minimum lock-in period imposed on their shares.

Source: The financial express,  20 January, 2011

PHP Float Glass up for public offer

PHP Float Glass Industries Ltd, a glass manufacturing plant in the private sector, plans to enter the country’sstock market to raise funds to enhance its working capital and business expansion.

It will float 30 million ordinary shares of Tk 10 each using the book building method, a pricing mechanism recently introduced for initial public offering (IPO). Alliance Financial Services Ltd is the issue manger for the IPO.

The float glass manufacturer, a concern of Chittagong based PHP Group of Industries, has a paid-up capital Tk 705.10 million and proposed an indicative price of each share at Tk 75 including Tk 65 in premium.

IPO information memorandum of PHP Float Glass said profit of the IPO shall be utilized for expansion of capacity of the plant with diversified and value added products along with strengthening the distribution channel.

It plans to set up an aluminium industry at the cost of Tk 247.5 million by the month of May 2011 and three more projects for glass drilling and edging, tempered glass and the third one for setting up warehouses and distribution facilities in the current calendar year from the IPO sales proceeds.

Currently the principal products of the company are clear glass and mirror glass sheets. PHP mirror glass covers around 70 per cent of the mirror market share in Bangladesh.

Source: The financial express,  20 January, 2011

বিএসসির ৬৩ কোটি টাকার শেয়ার শীঘ্রই পুঁজিবাজারে ছাড়া হবে

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) প্রায় ৬৩ কোটি টাকার শেয়ার শীঘ্রই পুঁজিবাজারে ছাড়া হবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই আইসিবিকে ইস্যু ম্যানেজার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি ১শ’ টাকার শেয়ার প্রিমিয়ামে এক হাজার টাকায় ছাড়া হবে। এছাড়া বিএসসিকে লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। বুধবার চট্টগ্রামে শিপিং কর্পোরেশনের বার্ষিক সাধারণ সভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান। একই সভায় নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, সমাপ্ত ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠান নিট মুনাফা অর্জন করায় শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণার সুপারিশ করা হয়েছে।
নগরীর হোটেল আগ্রাবাদে বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসসির বোর্ড অব ডিরেক্টসের চেয়ারম্যান নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান। সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল মান্নান হাওলাদার, বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাকসুমুল কাদের, অর্থমন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলের মহাপরিচালক ড. চৌধুরী সালেহ আহমেদ, বিএসসির নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) গোলাম মাওলা, নির্বাহী পরিচালক (বাণিজ্য) মোসত্মফা কামাল উদ্দিন, এম শহীদুল আলম, মোঃ সাঈদ উলস্নাহসহ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডাররা। সভা পরিচালনা করেন বিএসসির সচিব গোলাম হোসেন।
নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মুখ্য উদ্দেশ্য আনত্মর্জাতিক নৌপথে নিরাপদ ও দক্ষ শিপিং সেবা প্রদান করা এবং বাংলাদেশের আমদানি ও রফতানি পণ্য নিজস্ব জাহাজ দ্বারা পরিবহন করা। স্বাধীন বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী নৌবাণিজ্যের সহায়ক পরিবহন নেটওয়ার্কের ভিত গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে সরাসরি তাঁর অধীনে রাখেন। বঙ্গবন্ধুর সুচিনত্মিত নির্দেশনায় একটি শক্তিশালী নৌবহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। বিএসসির উন্নয়নের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ৬টি জাহাজ ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার, একটি কন্টেনার জাহাজ, একটি মাদার ট্যাঙ্কার ও দুটি প্রোডাক্ট ক্যারিয়ার সংগ্রহের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি মাদার ট্যাঙ্কার সংগ্রহের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া ঢাকায় নিজস্ব জমিতে ৪৫ কোটি ৮২ লাখ টাকায় একটি ২৫ তলা ভবন নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে।

Source: The daily janakantha, 20 Jan, 2011

Ananda Shipyards hosts IPO price discovery road show

Ananda Shipyards and Slipways Limited hosted a ‘Price Discovery Road Show’ Monday in the city.

A total of 30 million (3 crore) shares will be floated with the IPO at a face value of Tk 10.

The authorized capital of Ananda Shipyard is Tk five billion (500 crore) and the issued shared capital Tk 1.9 billion (190 crore).

Chairman of Ananda Shipyards Abdullahal Bari,managing director Afrozi Bari, deputy managing director Abdullah Nahid Nigar, executive director Tariqul Islam, among others, were present at the program.

Ananda Shipyards raised the country’s international standard of shipbuilding by exporting the Stella Maris Denmark in May 2008 followed by another export of six ships to Mozambique and Stella Moon Denmark, the 8th ship, to be exported from Bangladesh.

The shipyard is now busy with construction of 10 ships. They are also working on the construction of oil tanker, tugboat and repairing of two crane boats of astanding order amounting USD 129 million.

Issue manager and director of Prime Finance Capital Management Rezaul Haque,managing director Mosharraf Hossain, investors from various institutions, DSE, CSE officials were also present on the occasion.

Source: The financial express,  19 January, 2011

Road show for price discovery of Saiham Cotton Mills on 6 February, 2011

Road show for price discovery of indicative price of Saiham Cotton Mills Ltd will be held in Grande Ballroom, Radisson Water Garden Hotel, Dhaka on February 06, 2011. Eligible Institutinal Investors can participate in the road show to discover the indicative price for issuance of 30,000,000 ordinary shares of Summit Shipping Ltd through IPO under book building method.

Lanka Bangla Investment Limited is the issue manager of this IPO.

The details of the road show are as follows:

OFFERING SUMMARY:
Public Offer  : 30,000,000 Ordinary shares
Face Value    : Tk. 10/- each share

DETAIL OF ROAD SHOW:
Vanue : Grande Ballroom, Radisson Water Garden Hotel, Dhaka
Date  :  February 06, 2011

Time : 06:30 P.M

Source: Own correspondence, bdipo.com