Monthly Archives: December 2010

জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশনের প্লেসমেন্ট বাণিজ্য

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের আবেদন বাতিল হওয়ার পর এবার বড় ধরনের প্লেসমেন্ট বাণিজ্য শুরু করেছে জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশনস লিমিটেড। সাড়ে ৫ কোটি শেয়ার ইসু্য করে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে কোন রকম প্রিমিয়াম ছাড়া ৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন নিলেও প্লেসমেন্টের মাধ্যমে গণহারে শেয়ার বিক্রি করছে কোম্পানিটি। শীঘ্রই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির নিশ্চয়তা দিয়ে ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ শেয়ারপ্রতি ৩৫ টাকা হিসাবে সর্বমোট ১৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে দর নির্ধারণের পর শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন লিমিটেড গত ২৮ অক্টোবর এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছিল। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫০ টাকা ৬৩ পয়সা। আবেদন পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী এসইসি’র সংশ্লিষ্ট বিভাগ তাদের প্রসপেক্টাসে উল্লিখিত আর্থিক ও সম্পদের হিসাব পরীৰা-নিরীৰা করে। এ সময় কোম্পানির সম্পদের হিসাবে অসামঞ্জস্যতা চিহ্নিত হয়। শেয়ারের দর বাড়ানোর জন্য কোম্পানিটি কৃত্রিমভাবে সম্পদের পরিমাণ বেশি দেখিয়েছে বলে এসইসির মূল্যায়নে ধরা পড়ে। নিরীৰিত হিসাবে কোম্পানির সম্পদ হিসাবে উলেস্নখ করা ৪৩৫.৬৫ ডেসিমেল জমির মধ্যে ৩০৬.৫০ ডেসিমেল কোম্পানির চেয়ারম্যান তাওহিদুল ইসলাম চৌধুরীর ব্যক্তি মালিকানাধীন বলে এসইসির নিরীৰায় ধরা পড়ে। এর ফলে কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনইভি) অনেক বেশি দেখানো সম্ভব হয়েছে। এছাড়া এসইসির বিধি অম্যান্য করে একই প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কোম্পানির সম্পদ মূল্যায়ন এবং হিসাব নিরীৰা করানো হয়। এসব অনিয়মের কারণে গত ১০ নবেম্বর কোম্পানির আইপিও আবেদন বাতিল করে দেয় এসইসি।
সূত্র জানায়, আইপিও আবেদন বাতিলের পর ২৯ নবেম্বর কোম্পানির পৰ থেকে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারেেদর মধ্যে সাড়ে ৫ কোটি শেয়ার ইসু্য করে ৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমোদন চেয়ে এসইসিতে আবেদন করা হয়। গত ৮ ডিসেম্বর এসইসির পৰ থেকে কোম্পানিটির মূলধন সংগ্রহের আবেদন অনুমোদন করা হয়। এসইসির পৰ থেকে কোম্পানিকে পাঠানো অনুমোদনপত্রে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে কোন প্রিমিয়াম ছাড়া ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ার ইসু্যর বিষয়টি স্পষ্টভাবে উলেস্নখ করা হয়
জানা গেছে, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে ১০ টাকায় শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন পেলেও জেনারেশন নেঙ্ট গণহারে পেস্নসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করছে। ২৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৩৫ টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের বাইরে পুঁজিবাজার সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের নামে শেয়ার ইসু্য করে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় কোম্পানিটি সর্বমোট ১৯২ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহের লৰ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলে জানা গেছে।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৮ ডিসেম্বর এসইসির অনুমোদন পাওয়ার পর ওই দিন থেকেই কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে শেয়ার ইসু্যর টাকা জমা হতে শুরম্ন করে। ১৭ ডিসেম্বর পর্যনত্ম ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার শেয়ার ইসু্যর বিপরীতে শেয়ারপ্রতি ৩৫ টাকা হিসাবে কোম্পানির হিসাবে মোট ১৫ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জমা হয়।
এসইসিতে জমা দেয়া তালিকায় দেখা গেছে, বর্তমানে জেনারেশন নেঙ্টের সর্বমোট শেয়ারহোল্ডার ৪১। কমিশনের অনুমোদন অনুযায়ী এই শেয়ারহোল্ডারদের কাছেই নতুন সাড়ে ৫ কোটি শেয়ার ইসু্য করার কথা। অথচ ইতোমধ্যে এদের বাইরে ১৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে ৭৯ লাখ ৮৫ হাজার শেয়ার ইসু্য করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে বাকি শেয়ারগুলো ইসু্য করার প্রস্তুতি চলছে। প্রতিদিনই এসব শেয়ারের মূল্য বাবদ কোম্পানির হিসাবে চেক জমা করা হচ্ছে।
সূত্র জানায়, এসইসি থেকে মূলধন সংগ্রহের জন্য যে পরিমাণ শেয়ার ইসু্যর অনুমোদন নেয়া হযেছে তার পুরোটাই বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের বাইরে ইসু্য করা হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের নামে শেয়ার বরাদ্দের তালিকা করে পরবর্তীতে নতুন শেয়ারহোল্ডারদের নামে স্থানানত্মর করা হবে। এজন্য শেয়ারের মূল্য সংগ্রহের সময় অর্থ পরিশোধকারীকে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের স্বাৰর করা শেয়ারের মালিকানা বদলের ফরম (১১৭) দেয়া হচ্ছে।
মূলধন সংগ্রহের জন্য শেয়ার বরাদ্দের ৰেত্রে কমিশনের দেয়া শর্ত ভঙ্গের বিষয়টি অবহিত করা হলে এসইসি সদস্য মোঃ ইয়াসিন আলী জনকণ্ঠকে বলেন, কোন কোম্পানিকে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্য থেকে মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন দেয়া হলে তারা অন্য কাউকে শেয়ার বরাদ্দ করে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে না। জেনারেশন নেঙ্ট এ ধরনের কোন অনিয়ম করলে তাদের বিরম্নদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে চলমান মূলধন সংগ্রহ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর পরই জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন নতুন করে আইপিও আবেদন জমা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। গত ৩০ নবেম্বর কোম্পানির পৰ থেকে দেয়া এক চিঠিতে এসইসি’কে বিষয়টি অবহিত করা হয়।

Source: The daily janakantha, 26 December, 2010

পুঁজিবাজারে আসছে ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড

ওরিয়ন ইনফিউশন এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড (পূর্বে ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিঃ নামে পরিচিত) শিগগিরই বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে শেয়ার ইস্যু করতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ওরিয়ন ফার্মা প্রি আইপিও প্রাইভেট প্লে¬সমেন্ট সম্পন্ন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি পুঁজিবাজার হতে সংগৃহীত অর্থের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক মানের ঔষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং ২০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করতে যাচ্ছে। উক্ত পাওয়ার প্ল্যান্ট দুইটি আগামী বছরের মার্চের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে বলে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ আশা প্রকাশ করেছেন। ওরিয়ন ফার্মার প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ১০ টাকা।
এদিকে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে ১৪ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Source: sheershanews.com, 26 December, 2010

পুঁজিবাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলো

দেশের শেয়ারবাজারে প্রবেশের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে সরকারি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলো।
এগুলো হলো: বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল), বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক এবং টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস)।
প্রক্রিয়াগত প্রস্তুতির পাশাপাশি চারটি প্রতিষ্ঠানই ২০০৯-১০ অর্থবছরে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক লাভ দেখিয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে।
জানা গেছে, গত ২৫ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হয়েছে। তালিকাভুক্তি ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজনে আইনে কিছু ছাড়ও দেওয়া হবে।
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এক আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে সরকারের বেশ কিছু কোম্পানিকে দ্রুত শেয়ারবাজারে প্রবেশের তাগাদা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সরকারি এসব টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান আর্থিক লাভ দেখিয়েই শেয়ারবাজারে প্রবেশ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আবার মুনাফার মুখ দেখায় এর ৪০ শতাংশ সরকারকে প্রাতিষ্ঠানিক বা করপোরেট কর হিসেবে দিতে হবে। কিন্তু পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে এই কর কমে হবে ৩০ শতাংশ। সর্বোপরি শেয়ারবাজারে গেলে নতুন বিনিয়োগ পাওয়াও সহজ হয়।
বিএসসিসিএল: বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) শেয়ার ছাড়তে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু ‘আন্ডার রাইটার’ ও ‘ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু’ নিয়োগ, প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত, শেয়ারের অভিহিত মূল্য পরিবর্তনের জন্য যৌথ মূলধনী কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) অনুমোদন, সংঘ স্মারক পরিবর্তনসহ বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের ঋণমান নির্ণয়ের জন্য ক্রিসেলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বিএসসিসিএলের শেয়ারের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে দর নির্ণয়ের পর সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়া হবে। জুন মাসের মধ্যেই এটি করা সম্ভব হবে।
বিএসসিসিএলের পরিশোধিত মূলধন এখন সাড়ে ৬৭ কোটি টাকা। কর্তৃপক্ষ পুঁজিবাজার থেকে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহের আশা করছে।
২০০৮ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) ভেঙে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে বিটিসিএল ও বিএসসিসিএলের জন্ম হয়। ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে।
টেলিটক: সরকারি মালিকানাধীন মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক ২০০৯-১০ অর্থবছরে ছয় কোটি ৭৭ লাখ টাকা নিট লাভ করেছে। লাভের বিষয়টি নিশ্চিত করে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ২০১২ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি অবশ্যই পুঁজিবাজারে আসবে। তবে চলতি মূলধন কম হওয়ার কারণে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেওয়া টেলিটকের পক্ষে কঠিন।
তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, টেলিটকের লাভের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনসহ (বিটিআরসি) বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে টেলিটকের অনেক দেনা রয়েছে বলে খোদ কমিশন ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও অভিযোগ করেছে। বিভিন্ন গেটওয়ে লাইসেন্সের দাম এখনো পরিশোধ করেনি টেলিটক। একইভাবে কর না দেওয়ার অভিযোগ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘টেলিটকের দেনাগুলো আমরা নিয়মিত কিস্তিতে শোধ করে থাকি।’
এর আগে ২০০৮-০৯ অর্থবছরের শুরুতে টেলিটক ৩১ কোটি টাকা লাভ করার পরিকল্পনা নিয়ে বাজেট তৈরি করলেও শেষে ১০৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা লোকসান হয়। আর ২০০৭-০৮ অর্থবছরে রেকর্ড ১৬২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা লোকসান দিয়েছে।
টেশিস: টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী দেশীয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) দীর্ঘদিন লোকসানি থাকার পর গত বছর ১৩ লাখ টাকা নিট লাভ করেছে।
এ প্রসঙ্গে টেশিসের চেয়ারম্যান ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব সুনীল কান্তি বোস প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে টেশিস পুনর্গঠন করা হয়। এ ছাড়া দ্রুত শেয়ারবাজারে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের দিক থেকেও একটি নির্দেশনা রয়েছে। এ জন্য অবশ্য কয়েক মাস সময় লাগবে।
টেশিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইসমাইল জানান, দুই বছরে টেশিস ১৬ হাজার ল্যান্ডফোন সেট তৈরি করেছে। বিটিসিএলের কয়েক কোটি টাকার স্লুইস কেবিনেট তৈরি, টেলিটকের ৩০ কোটি টাকার বিটিএস টাওয়ার নির্মাণ, ১২ কোটি টাকায় কয়েকটি কোম্পানির পিএবিএক্স সিস্টেম তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করে অনেক লাভ করেছে টেশিস।
বিটিসিএল: সরকারি ল্যান্ডফোন বিটিসিএল ফিক্সড লাইনের টেলিযোগাযোগ সেবাসহ ব্রডব্যান্ড সেবাও দিচ্ছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রতিবেদনে নিট লাভ ৬১২ কোটি ১৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবসার আলম বলেন, ‘শেয়ারবাজারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলেও নির্দিষ্ট কোনো সময় এখনই বলা যাবে না।’

Source: The daily prothom alo, 19 December, 2010

SEC defers LankaBangla IPO proposal

The securities regulator is seeking “legal” opinion fromDhaka Stock Exchange (DSE) before it endorses the IPO proposal of brokerage LankaBangla Securities, officials said.

LankaBangla has filed the listing application with the Securities and Exchange Commission (SEC) to raise as much as Tk 7.5 billion through book building. It will float 30 million shares.

Currently the brokerage firm’s paid-up capital amounts to Tk 550 million, which is set to reach Tk 850 million after the launch of the IPO.

Source: The financial express, 15 December, 2010

NBL issues Tk 2.5b fixed rate subordinated bonds

National Bank Ltd. (NBL) has issued fixed rate (11.0 per cent) subordinated bond worth of BDT 2.5 billion with a maturity period of seven years to increase its capital base in line with Basel-II requirement.

Standard Chartered Bank (StanChart) was the mandated lead arranger for this issue management that was placed privately for subscription after getting approval from Bangladesh Bank and the SecuritiesExchange Commission.

Director and Chairperson of the Executive committee of NBL Ms Parveen Haque Sikder was present as the chief guest at the closing ceremony of bond subscription at a city hotel Tuesday. StanChart CEO Jim McCabe and Managing Director of NBL Neaz Ahmed were also present.

“The bond has been fully subscribed by the investors, which is a sign of their confidence in National Bank”, Mrs. Sikder said in the closing ceremony.

The bond has been subscribed by investors from different segments including state-owned banks, private commercial banks, non-banking financial institutions and corporate houses.

“Along with increasing the capital base of the bank, we have plan to invest the rest of the fund in industrial financing”, Mr. Neaz Ahmed said, charting his plan of using the fund.

Highlighting its role in managing the bond issuance, CEO of StanChart Jim McCabe said, “This is the first ever subordinate bond issuance by NBL in Bangladesh and we’re proud to be part of it”.

StanChart has been providing value-added services to financial institutions globally for years. The ceremony was attended by managing directors and senior officials of investor institutions.

Source: The financial express, 15 December, 2010

Planned IPO to ‘bloat the bubble’

An initial public offering (IPO), pending approval by the Securities and Exchange Commission, is speculated to be going to make matters worse for the red-hot, grossly overpriced market.

Brokerage firm Lanka Bangla Securities has recently applied to the market regulator to raise Tk 7.5 billion from the market by floating 30 million shares.

The offered price of each share is Tk 250, with a face value of Tk 10 and a premium of Tk 240.

If approved, it would be the first brokerage house in the country to be listed in the seemingly unsustainable capital market that is going through correction after a dramatic cataclysm last week.

According to the prospectus of Lanka Bangla Securities, the company intends to use 30 percent of the IPO proceed on margin loans.

Margin loans, disbursed by brokerage firms and merchant banks to share market investors against their holdings, are meant for trading purposes.

The company also stated that another 40 percent of the proceeding will be used for “strategic investment and proprietary investment”, which indicates capital market investment due to its nature of business.

“The net proceeds from the IPO shall be used in margin loan, investment in capital market, business expansion and others within 12 months of the receipt of the net IPO proceeds,” reads the prospectus obtained by bdnews24.com.

Analysts have been long saying that the capital market has been seeing an unreasonable hike for quite some time. An imminent crash has been warned of, one that could be devastating for short-term investors who could lose their savings.

Concerns blossomed into full-blown fear when, last Sunday, as much as 285 points were wiped off of the key index on Dhaka Stock Exchange in what was the biggest single-day fall.

It soared to the steepest ever level of 8,918 points on the opening session of the week before plummeting by 547 points, only 75 minutes into the start of trading just two days later.

Back in 1996, the first bubble peaked, pumped up by wild speculation and lax regulation, and helped set off five months of bear market until November before the stocks came crashing down in December that year.

The bursting of that bubble still shapes skepticism about stocks and provides a rough high-water mark for the market to reach before any recovery will be considered substantive.

Since last month, Dhaka Stock Exchange’s general index has gained over 1000 points. On Nov 10, the general index or the DGEN was at 7292 points and on Dec 13 it closed at 8329 points.

Cooling measures including the SEC decision to increase margin loan ratio to 1:1 from 1:0.5 after the massive plunge.

“The market has long been overpriced,” former SEC chairman AB Mirza Azizul Islam told bdnews24.com on Wednesday when the market lost more than 500 points in just an hour.

A general index between 6500 and 7000 points is reasonable for this market, according to Islam who was also the finance adviser to the last caretaker government.

Speaking to bdnews24.com on Thursday, Islam said that he had “reservations” allowing a brokerage firm to float shares.

“A brokerage firm’s intention will be always toward overpricing as it will yield more commission for them,” said Islam, who also served as the finance adviser of the immediate past caretaker government.

According to him, there will be a “conflict of interest” if the floating is allowed.

The market regulator is not sure either about whether to allow Lanka Bangla Securities to float shares at this moment in a market where many of the roughly 2.7 million investors are engaged in mindless gambling.
“This is a brokerage firm, not an industry, bank or financial institution, the sole purpose of which is to put money on the market,” a senior SEC official told bdnews24.com preferring anonymity.

He agreed that if the portion of the raised capital comes into the market in the form of margin loans, it would certainly create a liquidity overflow, further overpricing the market.

According to him, the SEC will examine why such an entity should be allowed to raise money from the capital market.

The SEC official also pointed to the ‘irrationally high’ premium of Tk 240.

“The market may agree to pay the premium, but it’s very high and looks odd as well.”

Source: bdnews24.com, , 14 Dec,2010

পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়বে নাভানা রিয়েল এস্টেট

ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে মূলধন সংগ্রহের জন্য পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আবাসন শিল্প খাতের কোম্পানি নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানিটি আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে (আইসিএমএল) ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার এ বিষয়ে দুই কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাৰরিত হয়েছে। আইসিএমএল এ কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরিসহ যাবতীয় কাজ করবে।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর নাভানা রিয়েল এস্টেট প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসবে। বর্তমানে এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা। যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ডিসেম্বর মাসে কোম্পানির আইপিও আবেদন এসইসিতে জমা দেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান নাভানা সিএনজি ও আফতাব অটোমোবাইলস ইতোমধ্যেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে।

Source: The daily janakantha, 09 Nov, 2010

Robi IPO falters on licence renewal

Telecom operator Robi said yesterday it might have to backtrack on the plan of an initial public offering (IPO) in the near future if the company is to pay huge sums on licence renewal.

Robi has seen its revenue jump to record levels in the third quarter of 2010, but it fears a return to losses if it has to defray so much in the renewal of licences.

On the recent media reports that four telecom operators have to pay a combined Tk 14,000 crore for licence renewal next year, Robi CEO Michael Kuehner said yesterday: “We are quite concerned and unhappy with what we heard lately.”

However, the telecom regulator is yet to inform the operators of the amount to be needed for licence renewal.

“Even from an IPO perspective, the move is quite discouraging,” he said at a press conference on third quarter financial review of the operator, at Dhaka Sheraton Hotel.

“Defraying such a high amount could take us back to the loss making territory and no shareholder would be interested in investing in a loss making company.”

According to the media reports published earlier this month, the four operators — Grameenphone, Banglalink, Robi and Citycell — will have to pay a combined Tk 28,000 crore in frequency charges over the next fifteen years, half of which would have to be paid during the licence renewal next year.

As a result of the new directive, it is estimated that Grameenphone has to pay around Tk 7,000 crore during licence renewal, while Robi and Banglalink would each pay around

Tk 3,000 crore and Citycell around

Tk 1,000 crore.

The Robi CEO called the numbers “outrageous”.

“With that sort of investment in licence renewal alone, it would be literally difficult for us to go very strong in 3G as well.”

“With the amount being so high, we will also find difficulties in raising funds, given the limitations of the country’s banks,” Kuehner added.

The recently re-branded company generated revenues worth Tk 690 crore in the third quarter this year, rising from Tk 490 crore in the same period last year.

The company’s average revenue per user and minutes of use per user was also quite stable, while earnings before interest, taxes, depreciation and amortisation (EBITDA) was up by 41 percent from the same time in 2009, company statistics show.

“The revenue was primarily boosted by prepaid voice, prepaid VAS (value added services) and IDD (international direct dialling) revenue share from other operators and international gateways, while the strong subscriber growth of 41 percent in the meantime also helped maintain the momentum,” said Robi Chief Financial Officer Mahtab Uddin Ahmed.

The most notable growth was in the profit-after-tax during the first nine months this year, which rose to Tk 80 crore from Tk 15 crore during the same period last year. The growth was attributed to EBITDA and efficient fund management.

The company is planning to invest around $12.2 million this year and a significant focus for the telecom operator will be to invest more in data services, said the officials.

“Currently, 20 lakh subscribers are using our internet or data services and our target is to double the number in 2011,” said Chief Marketing Officer Bidyut Kumar Basu.

The company invested $40 million in modernising its network, including 1,033 base stations, the officials said.

It posted net profit after tax worth |Tk 39.7 crore in the third quarter of 2010, compared to a loss of Tk 47.2 crore in the same period last year.

Source: The Daily Star, 13 December, 2010

Govt assurance of offloading SoEs shares gets stuck again

The government assurance of offloading its holdings in eight listed state-owned enterprises (SoEs) within 20 days to stabilise the often-volatile stock market apparently got stuck in bureaucratic tangles.

Almost 41 days have passed since the government declaration of offloading shares of SoEs but there is no clear indication yet about the progress of the move.

Market observers claim that most of the shares are being overvalued mainly due to short supply of quality shares, which is certainly not a sound indicator of a stable market

The offloading of additional shares of the eight SoEs, market analysts think, will strengthen the supply side in the market, where demand for new shares is increasing every day with the entry of thousands of fresh investors.

The SoEs from which the government intends to offload its shares are Titas Gas, Atlas Bangladesh, Desco, Powergrid, Meghna Petroleum, Padma Oil, Bangladesh Shipping Corporation (BSC) and National Tubes.

While talking to UNB, Chittagong Stock Exchange (CSE) President Fakhor Uddin Ali Ahmed said: “Most of the shares have become overvalued. We urgently need to increase the flow of good shares in the market.”

Asked to comment on the delay in offloading government shares, he said the market urgently needs supply of shares, both of private and public companies, to keep it stable.

“Long-, mid- and short-term measures will have to be taken to attract new companies and keep the supply side vibrant. I believe, the government is sincere to offload its shares in the SoEs but it will have to be harsh to keep its promises,” he said.

CSE president also said that the market needs strong regulation to avert any disarray. “Securities and Exchange Commission (SEC) should increase its workforce to ensure strong monitoring over the market.”

Dhaka Stock Exchange (DSE) Director M Rakibur Rahman said he had requested the finance minister to transfer the officials who are creating obstacles in offloading government shares and bring dynamic people in their places to accomplish the urgent task.

“Almost all shares are overvalued. The investors should be careful in buying shares. It’ll be better to wait for initial public offerings (IPOs). Market is very volatile right now,” he said.

Mr Rahman hoped that the market would get a good number of quality shares by March next year.

Source: The financial express, 12 December, 2010