Monthly Archives: December 2010

মিউচ্যূয়াল ফান্ডের মার্জিন ঋণে এনএভির শর্ত বাতিল

মার্জিন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে মিউচ্যূয়াল ফান্ড ইউনিটের বাজার মূল্য এর প্রকৃত সম্পদ মূল্যের (এনএভি) দেড় গুণের মধ্যে থাকার শর্ত প্রত্যাহার করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশনের মুলতবি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। আগামী ২ জানুয়ারি থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। এর ফলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মার্জিন ঋণ প্রদানের ৰেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূর হলো। এনএভির ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিনের বাজার মূল্য বিবেচনার জটিলতা কেটে যাওয়ায় মিউচু্যয়াল ফান্ডে মার্জিন ঋণ চালু করা সম্ভব হবে বলে একাধিক মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভুঁইয়া জনকণ্ঠকে বলেন, কমিশনের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী আগামী ২ জানুয়ারি থেকে মিউচু্যয়াল ফান্ডের ইউনিটের বিপরীতে মার্জিন ঋণ প্রদানে এএনভি বিবেচনা করার প্রয়োজন হবে না। ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো মিউচু্যয়াল ফান্ড কেনার জন্য ১:১.৫ হারে মার্জিন ঋণ দিতে পারবে।
সভায় মিউচু্যয়াল ফান্ডের পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের ৰেত্রে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোন সীমা থাকছে না। এ ছাড়া এখন থেকে মিউচু্যয়াল ফান্ডগুলো বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে দরপ্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। সম্পদ ব্যবস্থাপনা মিউচু্যয়াল প্রতিষ্ঠানগুলো তার আওতায় থাকা প্রতিটি মিউচু্যয়াল ফান্ডের জন্য আলাদা আলাদাভাবে দরপ্রসত্মাবের মাধ্যমে কোম্পানির শেয়ার বরাদ্দের জন্য আবেদন করতে পারবে।
মার্জিন ঋণের শর্ত তুলে দেয়ার পাশাপাশি পেস্নসমেন্ট বরাদ্দের সীমা বৃদ্ধি মিউচু্যয়াল ফান্ড খাতের বর্তমান সঙ্কট কাটাতে সহায়ক হবে বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন। মার্জিন ঋণ প্রদানে শর্ত বেঁধে দেয়ার কারণেই মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো এতদিন মিউচু্যয়াল ফান্ডে ঋণ দিতে অনীহা প্রকাশ করেছে। কারণ প্রতিদিন বাজার দরের সঙ্গে এনএভি হিসাব করে ঋণের যোগ্যতা নির্ধারণ করাকে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই ঝামেলাপূর্ণ বলে মনে করত। অন্যদিকে মার্জিন ঋণ না থাকায় বিনিয়োগকারীরাও মিউচু্যয়াল ফান্ডের প্রতি অনাগ্রহী হয়ে ওঠে। এ কারণেই বাজারে অধিকাংশ মিউচু্যয়াল ফান্ডের দর অস্বাভাবিক অবস্থানে নেমে আসে।
এনএভির শর্ত বাতিল করায় মিউচু্যয়াল ফান্ডে মার্জিন চালু করার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধানত্ম নেয়া সম্ভব হবে বলে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেট লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোঃ সাইফউল্যাহ জনকণ্ঠকে বলেন, মিউচু্যয়াল ফান্ডে মার্জিন ঋণ প্রদানে বাজার মূল্য এনএভির ১৫০ শতাংশের কম থাকার শর্তের কারণে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই এতদিন ঋণ পুরোপুরি বন্ধ রেখেছিল। কারণ কোন মিউচু্যয়াল ফান্ড ঋণ পাবে বা পাবে না_ প্রতিদিন সেই হিসাব করা কঠিন ও ঝামেলাপূর্ণ। এনএভির শর্ত তুলে দেয়ায় মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ঋণ চালুর বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে।

Source: The daily janakantha, 30 December, 2010

Public offers hit record in 2010

A record number of new IPOs hit the stockmarket this year that sees its last trading today.

According to stockmarket data, a total of 23 initial public offerings (IPOs) worth around Tk 3,500 crore came in the market this year, while the number was 15 last year with a value of Tk 1,900 crore.

Of this year’s new arrivals, 11 were equity securities, 10 mutual funds or investment securities and two convertible bonds.

“It’s good for the stockmarket that it has absorbed a record number of new issues this year,” said Arif Khan, president of Bangladesh Merchant Bankers’ Association.

But, he said, the number could be higher if there were no regulatory complexities in raising fund by new companies through IPO.

“There are many companies whose business is good, profit is enough and have interest to come to the market, but their small paid-up capital structure does not allow them to launch IPO,” he said.

Presently, companies with a minimum paid-up capital of Tk 18 crore are allowed to raise fund from the stockmarket through IPO. However, a company’s IPO size should be minimum Tk 12 crore.

The stockmarket regulator revised the IPO regulations in October this year following heavy criticism from market experts, economists and entrepreneurs, and requests from merchant bankers to reset the previous IPO rules.

In line with the previous IPO rules that were laid out in March this year on the government’s prescription, a company must had a minimum of Tk 40 crore in paid-up capital, including the IPO size, to list on the exchanges.

If the company’s existing paid-up capital and IPO offer size was Tk 75 crore, it had to offer new shares equivalent to 40 percent of Tk 75 crore, while the percentage ratio for paid-up capital above Tk 75 crore to Tk 150 crore was 25 percent or Tk 30 crore, whichever higher; and for more than Tk 150 crore it was 15 percent or Tk 40 crore, whichever higher.

Now, there will be no such slabs.

With the previous rules in place, only a few companies entered the market.

“In the coming year, the number of IPO should not be less than 50, as the merchant banks are working with a lot of non-listed companies to bring them in the market,” said Khan, also deputy managing director of IDLC Finance.

He, however, said the merchant banks, which act as issue managers, should be careful about the quality of the accounts and audit of the interested companies.

“An investor makes investment decision seeing the accounts and audit of a company. So, it should be transparent and credible,” he said, adding that if anybody abuses it, they should be punished by the regulator.

Source: The Daily Star, 30 December, 2010

২০১০ সালে বিনিয়োগকারী বেড়েছে সাড়ে ১৩ লাখ

পুঁজিবাজারে সক্রিয় বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। সেন্ট্রাল ডিপোজেটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সর্বশেষ তথ্যে একথা জানাগেছে।

সিডিবিএল সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর বুধবার পর্যন্ত পুঁজিবাজারে মোট বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৬০ হাজার ১৬৮ জন। অর্থাৎ চলতি বছর বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ।

২০১০ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত পুঁজিবাজারে মোট বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ৩৫ হাজার ৩৮৯ জন। আর ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন বিনিয়োগকারী প্রবেশ করেছে ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৭৯ জন। এর মধ্যে বছরের প্রথম ছয় মাসে ৬ লাখ ৩১ হাজার জন এবং শেষ ছয় মাসে ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ জন নতুন বিনিয়োগকারী বাজারে প্রবেশ করেছে।

চলতি বছরে পুঁজিবাজারে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ নতুন বিনিয়োগকারী প্রবেশ করার পাশাপশি ২৪ টি নতুন কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত হয়েছে। একই সময়ে ২২ টি কোম্পানির ২ হাজার ৪৭২ কোটি ৫ লাখ ২ হাজার টাকার রাইট শেয়ার অনুমোদন দেয় সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ওই বিপুল পরিমাণ শেয়ার বাজারে আসার পরেও বাজারে শেয়ার সংকট থেকেই যায়। ফলে সারা বছর ধরে বাজারে এক ধরনের শেয়ার সংকট সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে বিপুল সংখ্যাক বিনিয়োগকারী প্রবেশের কারলে বাজারে শেয়ারের চাহিদা বেড়ে যায়। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ পর্যাপ্ত না হওয়ায়  বাজারে লেনদেন হওয়া  বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম অতিমুল্যায়িত হয়ে পড়ছে। আর এই অতিমুল্যায়িত শেয়ার কিনে নিজেদের বিনিয়োগকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। আরই এরই পরিনতিতে চলতি মাসে ৮, ১২ ও ১৯ ডিসেম্বর বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়।

ডিএসইর সভাপতি মো. শাকিল রিজভী বাংলানিউজকে বলেন, বাজারে প্রতিনিয়ত নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে এটি পুঁজিবাজরের জন্য অত্যান্ত ভালো দিক। কিন্তু বিনিয়োগকারীদের ধরে রাখার জন্য বাজারে শেয়ারের সরবরাহ আরো বাড়াতে হবে। অন্যথায় বিনিয়োগকারীদের ধরে রাখা যাবে না।

ডিএসইর সাবেক সভাপতি মো. রকিবুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, চলতি বছরে বাজারে প্রচুর বিনিযোগকারী প্রবেশ করেছে। এটা পুঁজিবাজারের জন্য অত্যান্ত ভালো দিক। এই বিনিয়োগকারীদের ধরে রাখার জন্য চলতি বছরে বাজারে রেকর্ড পরিমাণ, রাইট শেয়ার, বুক বিল্ডিং ও নির্ধারিত মূল্য পদ্ধতিতে অনেক বড় বড় কোম্পানি বাজারে এসেছে এবং এই ধারা আগামীতে অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশা করি।

Source: banglanews24.com, 29 December, 2010

SEC’S PERFORMANCE IN THE PAST YEAR

SEC has approved IPOs and Issuance of right share worth Tk 48.27 billion this year. Last year’s figure was Tk 7.47 billion.

In 2010, IPOs worth Tk 23.72 billion got approval. The amount was Tk 6.03 billion in 2009.

In 2010, right shares worth Tk 24.72 billion got approval. The amount was Tk 1.44 billion in 2009.

SEC approved 11 new IPOs this year. Last year, 9 IPOs got approval.

In this regard, Tariquzzaman said, “This year our focus was on the supply of shares in the market.”

Source: bdnews24.com, 29 December, 2010

SEC approves IPO proposals of two cos

The Securities and Exchange Commission has approved the IPO proposals of two companies and the rights offers of two other companies.

The securities regulator has approved the IPO (initial public offering) proposal of Unique Hotel and Resort, which will set up three luxurious five star hotels in the capital with the fund raised through the company’s public offering.

It has also approved the IPO proposal of Barkotulla Electro Dynamite and two rights offers of Continental Insurance and Fu-Wang Foods Limited.

The approvals came at a Commission meeting Monday at the office of the Securities and Exchange Commission (SEC) with its Chairman Ziaul Haque Khondker in the chair.

SEC Executive Director Anwarul Kabir Bhuiyan disclosed this to newsmen after the meeting.

As per SEC nod, the Unique Hotel and Resort will offer 30 million shares of ten taka each under book building method. At the road-show the indicative price of the company’s shares has been estimated at Tk 185.

“Now the company will go for bidding on the indicative price. This larger amount of share supply will help the market stabilise,” SEC Executive Director ATM Tariquzzaman said.

The company will set up three luxury five-star hotels in the capital involving Tk 5.50 billion which will come from its public offering.

The hotels, which are planned to set up, are Westin-2, Lay Meridian and Luxury Collections.

As per the IPO proposal, the earning per share (EPS) of Hotel Unique is of Tk 4.8.

BRAC-EPL is working as the issue manager of the company.

Set up in 2007 at Gulshan, Hotel Unique has emerged as a leading five-star hotel in city. The hotel, managed by US chain hotels operator Starwood, has 241 rooms, six restaurants and five meeting venues.

Earlier, Beximco bought a significant stake of the Unique Hotel.

Under the fixed price method, the power company — Barkotulla Electro Dynamite — will offload 20 million ordinary shares at an offer price of Tk 60 each including a premium of Tk 50.

The company will set up a 51 MW power plant with the fund of Tk 1.20 billion, which will be collected through its public offering.

Prime Finance Limited is the issue manager of the company.

As per SEC approval, Continental Insurance will offer one rights share against two existing shares at an issue price of Tk 150, including a premium of Tk 50.

On the other hand, Fu-wang Foods Limited will offer one rights share against one existing share at an issue price of Tk 10, without taking any premium.

Source: The financial express, 29 December, 2010

৬৭৫ কোটি টাকার ২ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন

বুক বিল্ডিং ও ফিক্সস প্রাইস পদ্ধতিতে ৬৭৫ কোটি টাকার দুই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন(এসইসি)। এ দু’টি কোম্পানি হলো- ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রির্সোস লিমিটেড এবং বরকত উল্লাহ ইলেকট্রোডার্স ডাইনামিক লিমিটেড।

মঙ্গলবার এসইসির ৩৬৮তম  কমিশন সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।  সভা শেষে কমিশনের নির্বাহী পরিচালকট এটিএম তারিকুজ্জামান আইপিও দু’টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

এসময় অপর নির্বাহী পারচালক আনোয়ারুল কবির ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।

এদের মধ্যে হোটেল ইউনিক বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এ কোম্পানির ইন্ডিকেটিভ প্রাইস ধরা হয়েছে ১৮৫ টাকা। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগৃহিত টাকা দিয়ে কোম্পানিটি আরো ৩টি ফাইভ স্টার হোটেল নির্মান করবে।

হোটেল তিনটি হলো হোটেল মেরিডিয়ান, হোটেল লাক্সজারিয়াস কারেকশন ও হোটেল ওয়েস্টিন-১। কোম্পানিটির ইস্যু ম্যানেজার ব্র্যাক ইপিএল।

সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির ইপিএস ৪ টাকা ৮০ পয়সা।

অন্যদিকে, বরকত উল্লাহ ইলেকট্রোডার্স লিমিটেড ফিক্সস প্রাইস পদ্ধতিতে বাজারে তালিকাভুক্ত হবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৫০ টাকা প্রিমিয়াম নেওয়া হচ্ছে। কোম্পানটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এই টাকা দিয়ে কোম্পানিটি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ১৫১ মেগাওয়াটের একটি পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করবে। কোম্পানিটির ইস্যূ ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ফাইন্যান্স।

Source: banglanews24.com, 28 December, 2010

২০১০ সালে ২৩৫৫ কোটি টাকার আইপিও অনুমোদন

ঢাকা: চলতি বছর বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ২ হাজার ৩৫৫ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার আইপিও অনুমোদন করেছে। ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১টি কোম্পানি মাধ্যমে এই টাকার আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

২০০৯ সালে এসইসি মাত্র ৬০৩ কোটি ৭২ লাখ ৫৮ হাজার টাকার আইপিও অনুমোদন দেয়। ওই সময়ে ৯টি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার অনুমোদন পায়।

এ হিসেবে ২০০৯ সালের তুলনায় চলতি বছর প্রায় চারগুণ টাকার আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়।

বাজারে বিনিয়োগকারী সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো জন্য এটি করা হয়েছে বলে এসইসি থেকে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আইপিও অনুমোদন ছাড়া চলতি বছরে রেকর্ড পরিমাণ রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে এসইসি।

২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২টি কোম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। যার আর্থিক পরিমাণ ২ হাজার ৪৭২ কোটি ৫ লাখ ২ হাজার ২২০ টাকা। বিপরীতে ২০০৯ সালে এসইসি মাত্র ৬টি কোম্পানির রাইট শেয়ার অনুমোদন করেছে। যার আর্থিক মূল্যে ১৪৪ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ৪০০ টাকা। ২০১০ সালে ২০০৯ সালের তুলনায় প্রায় ২০৭৬ কোটি টাকার বেশি রাইট শেয়ার বাজারে আসে।

এ ব্যাপারে এসইসির নির্বাহী পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ‘চলতি বছর শুরু থেকে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাগানোর জন্য বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। আর এই কারণে চলতি বছরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সংখ্যার দিক দিয়ে চলতি বছর আগের বছরের তুলনায় ২টি কোম্পানি বেশি তালিকাভুক্ত হয়। কিন্তু আইপিও’র আকার বড় হওয়ার কারণে গত বছরের তুলনায় ২০৭৬ কোটি বেশি শেয়ার বাজারে আসে।’

তিনি আরো বলেন, আইপিও‘র পাশাপাশি অনেক বেশি রাইট শেয়ারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এ বছর।

Source: banglanews24.com, 28 December, 2010

SEC probes alleged anomaly into Deshbandhu IPO

The securities regulator has formed an inquiry committee to probe into the alleged anomaly occurred at the IPO lottery draw of Deshbandhu Polymer Limited, officials said.

The Securities and Exchange Commission (SEC) formed Monday the committee after an IPO (initial public offering) applicant has claimed that hisshares were not credited into his account, despite he was allotted shares.

The company said it has nothing to do with the lottery results as it was done by BUET.

The SEC body comprising director Kamrul Alam Khan and assistant director Rajib Ahmed will submit the report by January 14.

“The complainant said he was present at the venue of IPO lottery draw and saw that he was allotted primary shares. But his shares were not credited into account,” an SEC official said.

Liakat Ali Khan, the company secretary of Deshbandhu Polymer, said the open lottery was conducted by BUET and there is nothing to hide.

“However, we are ready to cooperate with the SEC for the investigation,” he said.

The IPO lottery draw of Deshbandhu Polymer was held at the Banghabandhu International Conference Centre on November 23 last.

According to IPO prospectus, the company offloaded 16 million ordinary sharesworth Tk 10.00 each with the value totalling Tk 160 million and each market lot contains 500 shares. After the IPO, the company’s paid up capital will be Tk 400 million.

A total of 2.19 million applicants applied for the shares of 32,000 market lots. That means the subscription of the company is 68.36 times more than the company’s IPO size.

Of total number of submitted applications, 43,000 applications were declared invalid by the issue manager for duplicate application and some errors in theapplication forms.

Union Capital Limited acted as the issue manager of Deshbandhu.

Source: The financial express, 28 December, 2010

60 MFs awaiting SEC nod to go public

A total of 60 mutual funds with an aggregate size of about Tk 60 billion are awaiting the regulator’s approval to go public, officials said.

An official of the Securities and Exchange Commission (SEC) said, “The size of the individual MFs ranges between Tk 500 million to Tk 5.0 billion.

Among the MFs awaiting the SEC nod, fourteen have got their registrations and after completing the subscriptions the funds will be listed on the bourses.

The funds which have completed their registrations are: LR Global Bangladesh MF one, EBL NRB MF, Sonali Bank Limited First MF, National Life Insurance First MF, SouthEast Bank First MF, First Agrani Bank MF, Rupali Life Insurance First MF, NCC Bank Limited MF-1, Prime Finance Second MF, Sandhani Life Growth Fund, Reliance Insurance MF, AIBL First MF and Mercantile Bank Limited First MF.

On the other hand, the remaining 46 MFs which are at different stages of completing formalities for final approval include: One Bank MF, ICB AMCL Social Responsible MF, ICB AMCL Growth MF, UCBL MF, Standard Bank MF, Northern General Insurance MF, Exim Bank MF, NCCBL NRB MF, BGIC MF, Prime Finance First NRB MF, AB Bank MF, Trust Bank First Client MF, Trust Bank First NRB MF, Prime Bank Second MF, Prime Bank Foundation MF, Phoenix Finance Second MF, GSP Capital MF, Fareast Islami MF, Meghna Life MF, IDLC MF, Padma Islami MF and Agrani Asia-Europe NRB MF.

Source: The financial express, 27 December, 2010