Monthly Archives: November 2010

নির্দিষ্ট সময় পার হলেও তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো শেয়ার ছাড়তে পারেনি

অব্যাহত শেয়ার সঙ্কটের মুখে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের আরো শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা দেয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ শুরু করতে পারেনি। অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী নিদ্দিষ্ট সময় পার
হলেও তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার কোন অগ্রগতি নেই।
জানা গেছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রি করতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি যে প্রতিষ্ঠানের নামে এসব শেয়ার রয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সরকারি শেয়ারের তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করলে সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিডিবিএল) আবেদন করতে হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে শেয়ার ছাড়তে হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারী শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে কোন কোম্পানি থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। ফলে সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার ঠিক কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা কোন সুনির্দিষ্ট ধারণা দিতে পারছেন না। এ বিষয়ে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা আবদুর রউফ শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডে বিও হিসাব খোলা রয়েছে। এমনকি এসব কোম্পানির শেয়ারের ডিমেট প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা আছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো শেয়ার ছাড়তে চাইলে মাত্র দুই দিনের মধ্যেই তা করা সম্ভব। কিন্তু এখন পর্যন্ত তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আইসিবির সঙ্গে কোন যোগাযোগ করেনি।
উল্লেখ্য পুঁজিবাজারে শেয়ার সঙ্কট দুর করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারের হাতে থাকা শেয়ারের একাংশ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকাভুক্তির প্রস্তাবও অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার প্রধানের এই অনুমোদন পাওয়ার পরই গত ৩১ অক্টোবর ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আরো শেয়ার পুঁজিবাজারে ছাড়া হবে বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লিখিত অনুমোদন পাওয়ার পর গত সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ৯টি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়া হয়। এতে তাদের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয় নভেম্বর মাসের মধ্যে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়া হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এসব প্রতিষ্ঠান তাদের শেয়ার বিক্রির বিষয়ে বাস্তব প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেনি।
প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রাথমিকভাবে রূপালী ব্যাংকের ২৪ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ১৭.৫ শতাংশ, পাওয়ার গ্রিডের ১৬.২৫ শতাংশ,
ডেসকোর ১৫ শতাংশ, তিতাস গ্যাসের ১৫ শতাংশ, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ১৭ শতাংশ, যমুনা অয়েলের ১৭ শতাংশ, ন্যাশনাল টিউবসের ১.৯৪ শতাংশ এবং ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টের ১৭.৩০ অংশ শেয়ার বিক্রি করা হবে। ইতোমধ্যেই পদ্মা অয়েল, উসমানিয়া গ্লাস এবং এটলাস বাংলাদেশের ৪৯ শতাংশের মতো শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছেড়ে দেয়ায় নতুন করে এসব কোম্পানির কোন শেয়ার বিক্রি করা হবে না।

ঢাকা, ২০ নভেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): অব্যাহত শেয়ার সঙ্কটের মুখে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের আরো শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা দেয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ শুরু করতে পারেনি। অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী নিদ্দিষ্ট সময় পার হলেও তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার কোন অগ্রগতি নেই। জানা গেছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রি করতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি যে প্রতিষ্ঠানের নামে এসব শেয়ার রয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সরকারি শেয়ারের তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করলে সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিডিবিএল) আবেদন করতে হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে শেয়ার ছাড়তে হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারী শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে কোন কোম্পানি থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। ফলে সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার ঠিক কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা কোন সুনির্দিষ্ট ধারণা দিতে পারছেন না। এ বিষয়ে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা আবদুর রউফ শীর্ষ নিউজ ডটকমকে বলেন, তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডে বিও হিসাব খোলা রয়েছে। এমনকি এসব কোম্পানির শেয়ারের ডিমেট প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা আছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো শেয়ার ছাড়তে চাইলে মাত্র দুই দিনের মধ্যেই তা করা সম্ভব। কিন্তু এখন পর্যন্ত তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আইসিবির সঙ্গে কোন যোগাযোগ করেনি।উল্লেখ্য পুঁজিবাজারে শেয়ার সঙ্কট দুর করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তালিকাভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারের হাতে থাকা শেয়ারের একাংশ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকাভুক্তির প্রস্তাবও অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার প্রধানের এই অনুমোদন পাওয়ার পরই গত ৩১ অক্টোবর ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আরো শেয়ার পুঁজিবাজারে ছাড়া হবে বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দিয়েছিলেন। সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লিখিত অনুমোদন পাওয়ার পর গত সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট ৯টি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়া হয়। এতে তাদের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয় নভেম্বর মাসের মধ্যে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ দেয়া হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এসব প্রতিষ্ঠান তাদের শেয়ার বিক্রির বিষয়ে বাস্তব প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেনি।প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রাথমিকভাবে রূপালী ব্যাংকের ২৪ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ১৭.৫ শতাংশ, পাওয়ার গ্রিডের ১৬.২৫ শতাংশ, ডেসকোর ১৫ শতাংশ, তিতাস গ্যাসের ১৫ শতাংশ, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ১৭ শতাংশ, যমুনা অয়েলের ১৭ শতাংশ, ন্যাশনাল টিউবসের ১.৯৪ শতাংশ এবং ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টের ১৭.৩০ অংশ শেয়ার বিক্রি করা হবে। ইতোমধ্যেই পদ্মা অয়েল, উসমানিয়া গ্লাস এবং এটলাস বাংলাদেশের ৪৯ শতাংশের মতো শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছেড়ে দেয়ায় নতুন করে এসব কোম্পানির কোন শেয়ার বিক্রি করা হবে না।

Source: শীর্ষ নিউজ ডটকম, ২০ নভেম্বর

শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির শর্ত শিথিল

ঢাকা, ১৫ নভেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ও ন্যূনতম শেয়ার ছাড়ার শর্ত শিথিল করেছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। বর্তমান এবং আইপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহের জন্য প্রস্তাবিত তহবিল মিলিয়ে কোনো কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি হলে ওই কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসতে পারবে। এক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে কমপক্ষে ১২ কোটি টাকার শেয়ার বাজারে ছাড়তে হবে। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কমিশন। এরআগে ১৯ অক্টোবর কমিশন সভায় এ সংক্রান্ত  কার্যবিবরণী অনুমোদন করে এসইসি। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ারের পরিমাণ কোম্পানির মোট শেয়ারের ১০ শতাংশের কম হতে পারবে না। এছাড়া শেয়ারের মার্কেট লট এক হাজার টাকার মধ্যে রাখার বিধান রাখা হয়েছে। এসইসির জারি করা প্রজ্ঞাপনে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ার ছাড়ার ক্ষেত্রে অবকাঠামো, জ্বালানি ও বিদ্যুৎখাতের কোম্পানিগুলোর জন্য তালিকাভুক্তির নীতিমালা শিথিল করা হয়েছে। এসব কোম্পানি এক বছরের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড ও লভ্যাংশ থাকলেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আবেদন করতে পারবে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে আইপিও কেনার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নির্দেশক মূল্যের জন্য আয়োজিত রোড শোতে অংশগ্রহণ না করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিডিং-এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
উল্লেখ্য, আগে ৪০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির জন্য পুঁজিবাজারে আসার সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
এদিকে এসইসির এমন সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে শেয়ারবাজারে কম মূলধনের ছোট কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তির পথ সুগম হলো।
অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজার থেকে আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কম মূলধনের কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তিতে আর কোন বাধা থাকলো না। এতে ছোট ছোট কোম্পানি সহজেই বাজারে আসতে পারবে। সালাহউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, একটু দেরিতে হলেও এসইসি একটি ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি অবশ্যই শেয়ার সরবরাহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Source: http://www.sheershanews.com , 15 November, 2010

Trading of Active Fine, IFIL IMF-1 to start Nov 22

FE Report

The trading of Active Fine Chemicals and IFIL Islamic Mutual Fund-1 (IFIL IMF-1) will start at the DSE on November 22, officials said.

The Dhaka Stock Exchange(DSE) Thursday took the decision at a board meeting.

According to the initial public offering (IPO) prospectus, Active Fine Chemicals has offloaded 16 million ordinary shares of Tk 10.0 each totaling Tk 160 million, with market lot of 500 shares.

The IPO lottery draw of the company was held on October 17, and its subscription was 56.25 times higher than the IPO size.

The IPO lottery draw of IFIL IMF-1 was held on October 26, and its IPO was oversubscribed by 3.31 times.

Among the total units worth Tk 1.0 billion, the IFIL IMF-1 has offloaded units worth Tk 500 million through IPO with a face value of Tk 10.0 each.

Source: The financial express, 12 November, 2010

জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশনের আইপিও আবেদন বাতিল

সম্পদ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কারসাজির আশ্রয় নেয়ায় জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন বাতিল করে দিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
আবেদন বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে এসইসির ক্যাপিটাল ইসু্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান জনকণ্ঠকে বলেন, কোম্পানিটি যে প্রক্রিয়ায় সম্পদ মূল্যায়ন করেছে_ তা সংশিস্নষ্ট বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কমিশনের কাছে দাখিল করা প্রসপেক্টাস গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় জেনারেশন নেঙ্টের আইপিও আবেদন বাতিল করে দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে দর নির্ধারণের পর শেয়ারবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য জেনারেশন নেঙ্ট ফ্যাশন লিমিটেড এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছিল। এজন্য কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য ৫০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। সেই হিসেবে কোম্পানিটি ৩০ কোটি টাকা মূলধনের শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে কমপৰে ১৫২ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তুতি নিয়েছিল।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেনারেশন নেঙ্টের আইপিও আবেদন পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী এসইসির সংশিস্নষ্ট বিভাগ তাদের প্রসপেক্টাসে উলিস্নখিত আর্থিক ও সম্পদের হিসাব পরীৰা-নিরীৰা করে। এ সময় কোম্পানির সম্পদের হিসাবে অসামঞ্জস্য চিহ্নিত হয়। শেয়ারের দর বাড়ানোর জন্য কোম্পানিটি কৃত্রিমভাবে সম্পদের পরিমাণ বেশি দেখিয়েছে বলে এসইসির মূল্যায়নে ধরা পড়ে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য পৃথক দু’টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোম্পানির সম্পদ ও আর্থিক প্রতিবেদন নিরীৰার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু জেনারেশন নেঙ্ট একই নিরীৰা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের আর্থিক প্রতিবেদন নিরীৰা এবং সম্পদ মূল্য নির্ধারণ করেছে। শুধু তাই নয়, কোম্পানির সত্মাবর সম্পদ হিসাবের ৰেত্রে বড় ধরনের কারসাজির আশ্রয় নেয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, কোম্পানির চেয়ারম্যান তাওহিদুল ইসলাম চৌধুরীর ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি জমিকে কোম্পানির সম্পত্তি হিসেবে দেখিয়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে এই জমিটি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে কোম্পানির নামে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। অথচ এসইসিতে জমা দেয়া প্রসপেক্টাসে এই জমিটিকে ২০০৮ সাল থেকে কোম্পানির সম্পত্তি হিসাবে দেখানো হয়েছে। এর ফলে কোম্পানির প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনইভি) অনেক বেশি দেখানো সম্ভব হয়েছে। ফলে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য আয়োজিত রোড শোতে যে এনএভি উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে কোম্পানির প্রকৃত অবস্থানের প্রতিফলন ঘটেনি। ফলে রোড শোর মাধ্যমে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়াটিকে অস্বচ্ছ এবং অগ্রহণযোগ্য মনে করে এসইসি এই কোম্পানির আইপিও’র অনুমোদন বাতিল করেছে।
যোগাযোগ করা হলে জেনারেশন নেঙ্টের ইসু্য ব্যবস্থাপক ব্র্যাক ইপিএলের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জনকণ্ঠকে বলেন, আইপিও আবেদন বাতিলের কোন চিঠি এখনও আমাদের কাছে পেঁৗছেনি। এসইসির চিঠি পেলে তারা কোন কোন বিষয়ে আপত্তি করেছে তা দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।
সম্পদ মূল্যায়ন সংক্রানত্ম বিষয়ে তিনি জানান, কোম্পানির একটি জমির মালিকানা নিয়ে এসইসির পৰ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল। ওই জমিটি কোম্পানির নামে রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া চলছে। এসইসিকে তা অবহিত করা হয়েছে।

Source: The Daily Janakantha, 11 Nov, 2010

বিলম্বিত হচ্ছে সরকারী কোম্পানির শেয়ার বিক্রির প্রক্রিয়া

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সরকারী প্রতিষ্ঠানের আরও শেয়ার বিক্রি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। অর্থমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট ঘোষণার পর ১০ দিন পার হলেও তা বাস্তবায়নের কোন তেমন কোন অগ্রগতি নেই। ইতোমধ্যেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশিস্নষ্ট ৯টি প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হলেও সংশিস্নষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ শুরু করতে পারেনি বলে জানা গেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেৰিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তালিকাভুক্ত সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারের হাতে থাকা শেয়ারের একাংশ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছেন। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকাভুক্তির প্রস্তাবও অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার প্রধানের এই অনুমোদন পাওয়ার পরই গত ৩১ অক্টোবর ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আরও ১০ শতাংশ করে শেয়ার পুঁজিবাজারে ছাড়া হবে বলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে লিখিত অনুমোদন পাওয়ার পর গত সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশিস্নষ্ট ৯টি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়া হয়। এতে তাদের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে নবেম্বর মাসের মধ্যে শেয়ার বিক্রির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়নের তাগিদ দেয়া হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এসব প্রতিষ্ঠান তাদের শেয়ার বিক্রির বিষয়ে বাসত্মব কাজ শুরম্ন করতে পারেনি।
জানা গেছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার বিক্রি করতে হলে সংশিস্নষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি যে প্রতিষ্ঠানের নামে এসব শেয়ার রয়েছে সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। উদাহরণস্বরূপ জ্বালানি খাতের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার সরকারী শেয়ারের মালিকানা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি)। ফলে এসব কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করতে হলে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে বিপিসির পরিচালনা পর্ষদ চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম নেবে।
সূত্র জানায়, সংশিস্নষ্ট কোম্পানির সরকারী শেয়ারের তত্ত্বাবধায়নকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ চূড়ানত্মভাবে অনুমোদন করলে তাদের হাতে থাকা শেয়ারের ডিমেট (অজড়করণ) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এজন্য প্রতিষ্ঠানের নামে কোন একটি ব্রোকারেজ হাউসে বিও হিসাব খুলতে হবে। এৰেত্রে সরকারী প্রতিষ্ঠান আইসিবির সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিবি সিকিউরিটিজ ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডে (আইসিটিসিএল) বিও হিসাব খোলার সম্ভাবনাই বেশি। তবে এখন পর্যনত্ম সরকারী শেয়ার ছাড়ার বিষয়ে কোন কোম্পানি থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে সরকারী কোম্পানিগুলোর শেয়ার ঠিক কবে নাগাদ বাজারে আসবে_ সে বিষয়ে সংশিস্নষ্টরা কোন সুনির্দিষ্ট ধারণা দিতে পারছেন না।
সূত্র জানায়, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রাথমিকভাবে রূপালী ব্যাংকের ২৪ শতাংশ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ১৭.৫ শতাংশ, পাওয়ার গ্রিডের ১৬.২৫ শতাংশ ডেসকোর ১৫ শতাংশ, তিতাস গ্যাসের ১৫ শতাংশ, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের ১৭ শতাংশ, যমুনা অয়েলের ১৭ শতাংশ, ন্যাশনাল টিউবসের ১.৯৪ শতাংশ এবং ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টের ১৭.৩০ অংশ শেয়ার বিক্রি করা হবে। ইতোমধ্যেই পদ্মা অয়েল, উসমানিয়া গস্নাস এবং এটলাস বাংলাদেশের ৪৯ শতাংশের মতো শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ছেড়ে দেয়ায় নতুন করে এসব কোম্পানির কোন শেয়ার বিক্রি করা হবে না। উলেস্নখ্য, চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৬ মাসের মধ্যে ২৬টি সরকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বাজারে ছাড়ার নির্দেশ দেন। এরমধ্যে কয়েকটি কোম্পানিকে মে মাসে এবং বাকিগুলোকে জুন মাসের মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারী বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) দায়িত্ব দেয়া হয়। শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য গত ২০ মে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠক থেকেও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আলাদা আলাদাভাবে সময় নির্ধারণ করা হয়। তবে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে এখন পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

Source: The Daily Janakantha, 10 Nov, 2010

Road show for price discovery of GMG Airlines

Road show for price discovery of indicative price of GMG Airlines will be held in Sheraton Grand Ballroom on 30 November 2010. Eligible Institutinal Investors can participate in the road show to discover the indicative price for issuance of 60,000,000 ordinary shares of GMG Airlines through IPO under book building method.

BRAC EPL Investments Limited is the issue manager of this IPO.

The details of the road show are as follows:

OFFERING SUMMARY:
Public Offer  : 60,000,000 Ordinary shares
Face Value    : Tk. 10/- each share

DETAIL OF ROAD SHOW:
Vanue : Sheraton Grand Ballroom
Date  :  30 November 2010
Time  : 6:00 PM (followed by dinner)

Source: Own correspondence, bdipo.com

মডার্ন পলি’র আইপিও অনুমোদন বাতিল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে বিধিমালা ভঙ্গ করায় মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও অনুমোদন বাতিল করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। একই সাথে এ কোম্পানির তালিকাভুক্তির আবেদনে তথ্য গোপনের দায়ে মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ, মডার্ন ফাইবার লিমিটেড এবং ইস্যু ম্যানেজার এলায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে এসইসি। সোমবার এসইসির নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভা শেষে এসইসি’র ক্যাপিটাল ইস্যু বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহি পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে যে কোম্পানির শেয়ার কিনবে সেই কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসইসি’র বিধিমালা ভঙ্গ করা হয়েছে। শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য আয়োজিত রোড শো’তে সেই তথ্য গোপন করা হয়েছে। এসইসি’র কাছে দেয়া আবেদনেও তা গোপন করা হয়েছে। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটিকে অস্বচ্ছ এবং অগ্রহণযোগ্য মনে করে কমিশন এই কোম্পানির আইপিও’র অনুমোদন বাতিল করেছে।
তিনি বলেন, একটি কোম্পানি আইপিও’তে আসতে চাইলে প্রাথমিকভাবে তার সব রকম তথ্যের যথার্থতা নির্ণয় করা ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব। শেয়ারবাজারে আসার জন্য সব রকম যোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরই ইস্যু ব্যবস্থাপক আইপিও আবেদনটি এসইসিতে জমা দেবে। বড় কোনো সমস্যা না থাকলে তাদের দেয়া তথ্যের প্রতি আস্থা রেখেই এসইসি আইপিও অনুমোদন করে। মডার্ন পলির ক্ষেত্রেও তাই করা হয়েছে। কিন্তু ইস্যু ব্যবস্থাপক মডার্ন ফাইবারের মূলধন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসইসি’র অনুমোদন না নেয়ার তথ্য গোপন করেছে। এ কারণেই এসইসি প্রাথমিকভাবে বিষয়টি চিহ্নিত করতে পারেনি।
তিনি জানান, এই কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ মডার্ন ফাইবারে বিনিয়োগ করবে। ফলে বিধি-বহির্ভূতভাবে ওই কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধির বিষয়টি আইপিও’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এক্ষেত্রে তথ্য গোপনের দায়-দায়িত্ব ইস্যু ব্যবস্থাপকের উপর বর্তায়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে শীঘ্রই এই কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপক এলায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। একই সাথে তথ্য গোপনের অভিযোগে মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ ও মডার্ন ফাইবার লিমিটেডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, একই ব্যবসায়িক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মডার্ন ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার কেনার জন্য শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের আবেদন করেছিল মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজকে শেয়ারবাজার থেকে ১৯২ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমতি দেয় এসইসি। গত ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই কোম্পানির আইপিও অনুমোদন করা হয়।
সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে মডার্ন ফাইবার ইন্ডাস্ট্রিজের পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হলেও আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে এসইসি’র অনুমোদন নেয়া হয়নি। পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে নিবন্ধিত যে কোনো কোম্পানি ১০ কোটি টাকার বেশি মূলধন সংগ্রহ করতে চাইলে এসইসি’র অনুমোদন নেয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু মডার্ন ফাইবারের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। আইপিও আবেদনে মূলধন বৃদ্ধির বিষয়ে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মসের (আরজেএসসি) সনদ জমা দেয়া হলেও এসইসি’র অনুমোদন না নেয়ার বিষয়টি গোপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী এসইসির অনুমোদন নেয়ার আগে আরজেএসসি থেকে মূলধন বৃদ্ধির সনদ পাওয়ার কথা নয়।
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকা অতিক্রিম করলে ওই কোম্পানিকে পাবলিক লিমিটেডে রূপান্তর করতে হয়। আবার পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা বা তার বেশি হলে কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হয়। মডার্ন ফাইবারের মূলধন এর চেয়ে বেশি হলেও কোম্পানিটি এখনও প্রাইভেট লিমিটেড রয়ে গেছে। কমিশন সভায় এসব বিষয় পর্যালোচনা করে এর আগে দেয়া আইপিও অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছিল। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৬৪ টাকা। ফলে কোম্পানির আইপিও’র জন্য বরাদ্দ শেয়ারের প্রস্তাবিত সর্বমোট মূল্য ছিল ১৯২ কোটি টাকা। একই শিল্প গ্রুপের মডার্ন ফাইবার ইন্ডাস্ট্রিজ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের ৫ লাখ ৬ হাজার ৩০০ শেয়ার কেনার জন্য এই অর্থ সংগ্রহ করা হতো। ওই কোম্পানির ১ হাজার টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ২৮৮০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ৩৮৮০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। প্রসঙ্গত ২০০৯ সালে মডার্ন ফাইবার লিমিটেডে আগুন লেগে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সে বছর কোম্পানির আয় অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হয়েছে।
জানা গেছে, অস্বাভাবিক হারে প্রিমিয়াম মূল্য যুক্ত করে একই গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কেনার জন্য পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন দেয়ার বিষয়ে শুরু থেকে ডিএসই বিরোধিতা করছিল। ডিএসই’র পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এভাবে সুযোগ দেয়া হলে অনেক ভুয়া কোম্পানি নানা ধরনের কারণ দেখিয়ে পুঁজিবাজার থেকে টাকা নেয়ার চেষ্টা করবে- যা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। মডার্ন পলি ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে আপত্তির বিষয়টি ডিএসই’র পক্ষ থেকে এসইসিকে অবহিত করা হয়। কিন্তু এই আপত্তি উপেক্ষা করেই প্রথম অবস্থায় আইপিও অনুমোদন করেছিল এসইসি।

Source: sheershanews.com, 09 Nov,2010

Radisson Water Garden Hotel to go public

Radisson Water Garden Hotel, one of the country’s five-star hotels, plans to go public through book building method to build another unit of it in Chittagong, officials said Monday.

The eight-storey hotel will be the third hotel to list with the stock exchanges once it gets clearance from the Securities and Exchange Commission (SEC).

“We are in talks with the hotel authorities about its listing,” Md Abdur Rouf, chief executive officer of ICB Capital Management Limited told the FE.

“What portion of it will be sold to the public is yet to be determined but it is expected to finalise all the formalities within the next two months,” he said.

Owned by Sena Hotel Developments Limited (SHDL), the hotel, the most profitable five-star hotel in Bangladesh, makes up a 40 per cent share of the total market.

Sprawling over seven acres of manicured grounds and

gardens, it is located on Airport Road and adjacent to the diplomatic enclave. The hotel offers a wide array of exquisite cuisine served in beautiful surroundings.

The SHDL’s first venture was Radisson Water Garden Hotel that was inaugurated in February 2006. The SHDL, formed in 1995, is a joint venture of Sena Kalyan Sangstha and Army Welfare Trust.

Radisson, the flagship brand of US-based international chain, Carlson Hotels Worldwide, manages and operates the hotel.

Source: The financial express, 09 Nov, 2010

Padma, Atlas, Usmania droapped from govt’s share offloading list

The government has dropped the plan to offloadshares of three of its companies—Padma Oil, Atlas Bangladesh and Usmania Glass– listed on the bourses as 49 per cent of their stakes are already held by private investors, a top official in the Ministry of Finance (MoF) said.

Prime Minister Sheikh Hasina has recently approved a proposal of the MoF on offloading certain portion of shares of nine public sector companies listed on the stock markets, keeping the government control over at least 51 per cent stake of each of the companies, the official said.

Besides, the Prime Minister also approved offloading up to 49 per cent stakes of the enterprises fully owned by the government.

Presently, the government holds 51 per cent stake in both Atlas and Usmania, while 50.35 per cent in Padma. Usmania was listed in 1987, Atlas in 1988 and Padma Oil in 1976.

“There is no scope to offload stakes of three listed state-owned enterprises (SoEs) as 49 per cent shares of these companies have been already sold to public through stock exchanges,” a top finance official told the FE.

“We will not lose our majority share holding in already listed state firms or would- be listed ones,” he added.

According to the latest decision of the government, another nine listed companies will undertake efforts to offload certain portion of government’s stakes latest by this month.

The percentage of government’s shares to be offloaded by the listed state firms are-Rupali Bank 24 per cent, Bangladesh Shipping Corporation Ltd 17.5 per cent, Power Grid 16.25 per cent, DESCO 15 per cent, Titas Gas 15 per cent, Meghna Petroleum 17 per cent, Jamuna Oil 17 per cent, National Tubes 1.94 per cent and Eastern Lubricants 17.30 per cent.

The finance ministry last week asked the companies concerned through their administrative ministries to implement the decision of the government within the stipulated timeframe.

“We will offload up to 49 per cent stakes of the government in nine SoEs in phases,” another MoF official said.

However, a top official of one of the nine SoEs said the offloading would not be possible by November as it will take at least two to three months to complete the necessary formalities for going public. The formalities include approval from the board of directors and the controlling ministries, appointing issue managers and getting approval from Securities and Exchange Commission.

Meanwhile, the MoF last week asked the power ministry to increase theshares of Padma Oil in the capital market through issuing one right share for one existing share at a face value of Tk. 10 each.

Source: The financial express, 09 Nov, 2010

পুঁজিবাজারে শেয়ার ছাড়বে নাভানা রিয়েল এস্টেট

ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে মূলধন সংগ্রহের জন্য পুঁজিবাজারে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আবাসন শিল্প খাতের কোম্পানি নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেড। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কোম্পানিটি আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডকে (আইসিএমএল) ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার এ বিষয়ে দুই কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাৰরিত হয়েছে। আইসিএমএল এ কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরিসহ যাবতীয় কাজ করবে।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর নাভানা রিয়েল এস্টেট প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসবে। বর্তমানে এই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা। যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ডিসেম্বর মাসে কোম্পানির আইপিও আবেদন এসইসিতে জমা দেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান নাভানা সিএনজি ও আফতাব অটোমোবাইলস ইতোমধ্যেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে।

Source: The Daily Janakantha, 09 Nov, 2010