Monthly Archives: October 2010

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারবাজারে আসবে ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজ

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হবে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী ওরিয়ন গ্রম্নপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। আইপিওসংশিস্নষ্ট কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য গত সোমবার কোম্পানিটি আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের (আইসি-এমএল) সঙ্গে ইসু্য ব্যবস্থা-পনাসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি অনুযায়ী বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ এবং আইপিওসংশিস্নষ্ট সব বিষয়ে ইসু্য ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করবে আইসিএমএল। কোম্পানির পৰ থেকে জানানো হয়েছে, ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড বিশ্বমানের ওষুধ উৎপাদনের জন্য নতুন কারখানা স্থাপনের লৰ্যে শেয়ারবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে বিনিয়োগের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে। এ ছাড়াও আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত টাকার একাংশ কোম্পানির আওতাধীন ২০০ মেগাওয়াট রেন্টাল পাওয়ার পস্ন্যান্ট স্থাপনের কাজে ব্যয় হবে_ যা আগামী বছরের মার্চের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে সংযোজিত হবে। ওরিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের বিশ্বমানের ওষুধ কারখানা স্থাপিত হলে এটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, এই উপমহাদেশের ওষুধ শিল্পের ক্ষেত্রেও একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রসত্মাবিত এই কারখানায় প্রচলিত ওষুধের পাশাপাশি পস্নাজমা প্রোডাক্টস ভ্যাকসিনসহ বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্ট, সেফালোসপরিন, প্রো-বায়োটিকস, হরমোন, এন্টি-ক্যান্সারসহ অন্যান্য বায়োটেক প্রোডাক্টস তৈরি করার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রতিস্থাপন করা হবে। বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারে ভাল শেয়ারের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। বর্তমান সরকার বাজারে শেয়ার সরবরাহের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

Source: The Daily Janakantha, 20 Oct 2010

৪৩ কম্পানি পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেই

তালিকাভুক্তির শর্তে আবদ্ধ ৪৩ কম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেই। পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকার ওপরে হওয়ায় পুঁজিবাজারে আসার বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়েছে এ ৪৩টি কম্পানি। তবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নজরদারির অভাবে এসব কম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না।
কমিশনের আইন অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি হলে বাজারে আসা বাধ্যতামূলক। না এলে কম্পানিকে প্রতিবছর এক লাখ টাকা করে জরিমানা গুনতে হবে। কিন্তু এ আইন অমান্য করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার কোনো চেষ্টাই করছে না তালিকাভুক্তির শর্তে আবদ্ধ ৪৩ কম্পানি। কিন্তু এসব কম্পানিকে এক টাকাও জরিমানা করতে পারেনি এসইসি। এ প্রসঙ্গে এসইসির সদস্য ইয়াসীন আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, লোকবলের অভাবে এসইসি ৫০ কোটি টাকার ওপরে মূলধন থাকা কম্পানির বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
বাজার-সংশ্লিষ্টদের অভিমত, চরম শেয়ার সংকটের কারণে বাজার যখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তখন শুধু সরকারি কম্পানির শেয়ার আনার কথা না বলে বেসরকারি কম্পানিগুলোর শেয়ার আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়া জরুরি। এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী গত ৯ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কম্পানিকে স্থায়ীভাবে টিকে থাকতে হলে তাদের নিজেদের স্বার্থেই পুঁজিবাজারে আসা উচিত। যেসব প্রাইভেট কম্পানির পরিশোধিত মূলধন বেশি সে কম্পানিগুলোকে বাজারে নিয়ে আসার জন্য এসইসির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এসইসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকায় উন্নীত হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তাকে পাবলিক লিমিটেড কম্পানিতে রূপান্তর করতে হবে। আর পাবলিক লিমিটেড কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকার ওপরে হলে পুঁজিবাজারে আসা বাধ্যতামূলক। তা না হলে ওই কম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কম্পানি উৎপাদনে থাকলে এক বছর ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় থাকলে তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে আসতে হবে। অন্যথায় প্রতিবছর কমপক্ষে এক লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
এদিকে গত এক বছরে এসইসি প্রায় ৪০টি কম্পানিকে ৫০ কোটি টাকার ওপরে মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে গত ছয় মাসেই ৫০ কোটি টাকার ওপরে অনুমোদন পেয়েছে ১১ কম্পানি। সম্প্রতি এসইসি এক কোটি টাকার ওপরে মূলধনী ১৩৪ প্রাইভেট কম্পানির একটি তালিকা তৈরি করেছে। এসইসির ওয়েবসাইটে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ তালিকায় ৪৩টি কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটির ওপরে রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কম্পানি ইতিমধ্যে পুঁজিবাজারে আসার অনুমোদন পেয়েছে।
এসইসি থেকে মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন নেওয়া ৫০ কোটির ওপরে থাকা কম্পানিগুলো হলো_হোটেল ইন্টারন্যাশনাল (মূলধন ৫৯৩ কোটি ৩৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা), দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেড (১১৬ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা), ইউনাইটেড হসপিটাল (১৭৫ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকা), টিএম ইন্টারন্যাশনালের (৯৯১ কোটি), কর্ণফুলী ফার্টিলাইজারের (৪৬০ কোটি), ইমপেরিয়াল হসপিটাল (৯৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা), ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি (৬৬ কোটি টাকা), আমেরিকান সুপার স্পেসিয়ালিটি হসপিটাল (১০৮ কোটি টাকা), ফোকাস মাল্টিমিডিয়া (৭০ কোটি), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ (৬৯ কোটি ২০ লাখ), এসটিএস হোল্ডিংস (১৫০ কোটি ৯৪ লাখ), এমআই সিমেন্ট (৭০ কোটি টাকা), সোনালী ব্যাংক (৯০০ কোটি), জনতা ব্যাংক (৩৮৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা), অগ্রণী ব্যাংক (২৪৮ কোটি ৪২ লাখ), আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট (৫৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা), পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কম্পানি (৫২ কোটি ৫৫ লাখ), টেলিটক (৬৪৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা), কেয়া কটন (৬৬ কোটি), ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ (দুই হাজার ৪৭৬ কোটি ৪৮ লাখ), বরকতউল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিক (৬০ কোটি টাকা), ঢাকা রিজেন্সি হোটেল (৫০ কোটি), এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ (৮২ কোটি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল্ (৬৭ কোটি ৩১ লাখ), ইনফরমেশন টেকনোলজি ৫৭ কোটি, ঢাকা সাংহাই (৬১ কোটি), সামিট পূর্বাঞ্চল (৫৭ কোটি), এনার্জি প্রিমা (৬০ কোটি), মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজ (৬৫ কোটি), জিএমজি এয়ারলাইন্স (১৬৬ কোটি ৬৬ লাখ), শাহীবাজার পাওয়ার কম্পানি (৯৬ কোটি), জিপিএইচ ইস্পাত (৫০ কোটি), দেশবন্ধু সুগার মিলস (১০০ কোটি), এআইবিএল ক্যাপিটেল মার্কেট সার্ভিসেস (২০০ কোটি), লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ (৫৫ কোটি), ট্রাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট (৩০০ কোটি), সোনালী ইনভেস্টমেন্ট (১০০ কোটি), প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট (৩০০ কোটি), বেলহাসা (১০০ কোটি), ইস্পাহানি ডিস্ট্রিবিউশন (২০০ কোটি) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (৪০০ কোটি) টাকা।

ওয়েস্টিন ও এ্যাপোলোর আইপিও আবেদন ফেরত পাঠিয়েছে এসইসি

বিধিমালা অনুযায়ী কোম্পানির মোট শেয়ারের নির্দিষ্ট পরিমাণ অংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির শর্ত ভঙ্গ করায় ওয়েস্টিন হোটেলের মূল প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড এবং এ্যাপোলো হাসপাতালের মূল প্রতিষ্ঠান এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির শর্ত পূরণ করতে হলে কোম্পানি দু’টিকে কমপৰে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়তে হবে। কিন্তু ইউনিক হোটেল ৩০ কোটি টাকার এবং এসটিএস হোল্ডিংস ২২ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকার শেয়ার ছাড়ার প্রস্তাব এসইসিতে জমা দিয়েছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে কোম্পানিগুলোকে শর্ত পূরণ করে নতুন প্রসত্মাব জমা দিতে হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
জানতে চাওয়া হলে এসইসি’র মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারম্নল কবীর ভুঁইয়া জনকণ্ঠকে বলেন, চলতি বছরের ১১ মার্চ জারি করা এসইসি’র প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কোন কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১৫০ কোটি টাকার বেশি হলে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য ওই কোম্পানিকে কমপৰে ১৫ শতাংশ অথবা ৪০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি সেই পরিমাণ শেয়ার ছাড়তে হবে। ইউনিক হোটেল এবং এসটিএস হোল্ডিংসের পরিশোধিত মূলধন ১৫০ কোটি টাকার বেশি হলেও দু’টি কোম্পানিই ৪০ কোটি টাকার কম শেয়ার ছাড়ার প্রসত্মাব দিয়েছে। এ কারণেই তাদের আবেদন ফেরত পাঠানো হয়েছে। শর্ত পূরণ করে পুনরায় আবেদন করলে কমিশন তাদের আইপিও অনুমোদনের বিষয়টি বিবেচনা করবে।
জানা গেছে, ওয়েস্টিন হোটেলের মূল প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেলস এ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ২৩০ কোটি টাকা। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য কোম্পানিকে আইপিও’র মাধ্যমে কমপৰে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়তে হবে। কিন্তু কোম্পানিটি ৩০ কোটি টাকা মূল্যের ৩ কোটি শেয়ার ছাড়ার জন্য এসইসিতে আবেদন জমা দিয়েছে। কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। তবে আইপিও’র জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোম্পানির শেয়ারের নিদেৃশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮৫ টাকা। সেই হিসাবে কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে ৫৫৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রসত্মাব করেছে।
সূত্র জানায়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের পর আইপিও’র মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য কোম্পানির পৰ থেকে গত ৩ অক্টোবর এসইসিতে আবেদন জমা দেয়া হয়। প্রয়োজনীয় পরীৰা-নিরীৰার পর এসইসি’র প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়ার শর্ত ভঙ্গের বিষয়টি চলতি সপ্তাহে কোম্পানি এবং এর ইসু্য ব্যবস্থাপক ব্র্যাক ইপিএলকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হলে কোম্পানিটিকে কমপৰে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়ার জন্য নতুন করে প্রসত্মাব জমা দিতে হবে। অন্যদিকে এ্যাপোলো হাসপাতালের স্বত্ব্বাধিকারী এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেডের বর্তমান পরিশোধিত মূলধন ১৫০ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ফলে এই কোম্পানির জন্যও কমপৰে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু কোম্পানিটি মোট ২ কোটি ২৬ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার ছেড়ে ২২ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকা সংগ্রহের জন্য আবেদন করেছে, যা কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ১৫ শতাংশ।
জানা গেছে, শেয়ারবাজারের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহের জন্য গত ১৯ সেপ্টেম্বর এসইসিতে আবেদন জমা দেয়। তাদের প্রসত্মাবটি পরীৰার পর শর্ত ভঙ্গের বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়। গত ৪ অক্টোবর কোম্পানি ও এর ইসু্য ম্যানেজারের কাছে কমপৰে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়ার জন্য নতুন করে প্রসত্মাব জমা দেয়ার বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছে এসইসি।

Source: The Daily Janakantha, 14 Oct 2010

Rangpur Dairy to float IPO

Rangpur Dairy and Food Products Ltd (RD Milk) is going to offload 16,341,400 shares in the capital market soon subject to the approval of Securities and Exchange Commission (SEC).

The company will expand its business with the money raised from stock market, RD Milk sources said.

The company has already submitted its prospectus to the SEC.

According to sources, the company proposed the face value at Tk 10 with a premium of Tk 15.

The company’s shareholder’s equity was Tk 400 million till April, 2010 and yearly Earning Per Share (EPS) was Tk 2.108 against each share of Tk 10 in 2009 .This year’s quarterly EPS is Tk 0.875 against Tk 10 per share.

Alliance Financial Service Ltd has been appointed the company’s issue manager, the source added.

“Our company is on production since 2007 and we have been able to run the company profitable. Our processing capacity is now 60,000 litre per day but packaging capacity is 25000.”

Now we are planning to expand our packaging capacity to 60,000 to 65000 litre per day, said the official.

He said the company is going to introduce ‘tetra packaging facilities’ very soon.

This new journey to the capital market would heighten our production and it would enlarge the employment generation too, said the official.

He said some 30,000 people are now earning their livelihood due to the strong presence of the company.

RD milk usually produces fresh milk and processed milks namely RD milk, RD mango milks, RD banana milks, RD chocolate milk and RD ghee.

Source: The Financial Express, 14 Oct 2010

Subscription of 25% convertible bonds of Brac Bank starts from 5th December, 2010

BRAC BANK to issue 300,000 subordinated 25% convertible bonds of BDT 1,000 each totalling to BDT 300,000,000. The conversion strike price is 1.70 times the Net Asset Value (NAV) per share based on the last audited financial statement of the issuer.

For general public subscription will begin 5th December, 2010 and close on 9th December, 2010. For NRB it will be open till 18th December, 2010.

The bond rating is AA3, bank rating is AA2 and the date of rating is April 12,2009.

The issue manger is IDLC Finance Limited and the trustee is The City Bank Limited.

বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগে কমিটি গঠন

ঢাকা, ১০ অক্টোবর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির প্রয়োগ সঠিকভাবে হয়েছে কি-না তা যাচাইয়ে ৪ সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠন করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এসইসির নির্বাহি পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামানকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন ঢাকা
ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফ খান। রিপোর্ট  দেয়ার কোন সময় বেঁধে দেয়া না হলেও তা দ্রুত দিতে কমিটিকে বলা হয়েছে। এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহি পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া ।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়েছে কিনা এবং এ পদ্ধতিতে দর নির্ধারনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কারসাজির আশ্রয় নেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে আহবায়ক কমিটি। এছাড়া কিভাবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি আরো গ্রহণযোগ্য করা যায় সে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট প্রদান করবে কমিটি।
এর আগে গত ৯ জুন শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করে এসইসি। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে কারসাজি প্রমাণিত হওয়ায় এ সংশোধন করা হয়। সংশোধন অনুযায়ী শেয়ারের প্রাথমিক দর নির্ধারণের জন্য সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির ৫টি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে সকল যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে মূল্য নির্দেশের জন্য আহ্বান জানাতে হবে।
পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্দেশক মূল্য প্রস্তাবের প্রক্রিয়ায়ও পরিবর্তন আনা হয়। রোড-শো’র জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নির্দেশক মূল্য গ্রহণ করা যাবে না বলে সংশোধনে উল্লেখ করা হয়। রোড-শো আয়োজনের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবং আর্থিক বিশ্লেষকের (ফাইন্যান্সিয়াল এনালিস্ট) যৌথ স্বাক্ষরে নির্দেশক মূল্যের প্রস্তাবনা পেশ করতে হবে। অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবনার গড়ের ভিত্তিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় ৫টি মার্চেন্ট ব্যাংকসহ কমপক্ষে ১৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ না করলে পুনরায় নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করতে হবে। এর আগে সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করলেই নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা যেতো।
২০০৯ সালে আইন প্রণয়নের এক বছর পর গত মার্চ মাস থেকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির বাস্তব প্রয়োগ শুরু হয়। ইতিমধ্যে ওশেন কন্টেইনার এবং খুলনা পাওয়ার এই পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণ করে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া আরএকে সিরামিকস, মালেক স্পিনিং বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর আইপিওতে লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ প্রক্রিয়া শেষ করে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা এসব কোম্পানির শেয়ারের দর নিয়েই বাজার বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর আগেই প্রতিটি কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়েছে বলে তারা মনে করেন।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রেই কোম্পানিগুলো নিজেদের পছন্দ মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে অতিরিক্ত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল্য নির্ধারণে সমঝোতার সুযোগ বন্ধের জন্যই বিধিমালা সংশোধন করা হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। এরপরও বিতর্ক সৃস্টি হওয়ায় এ পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগ নিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হলো।

Source: sheershanews.com, 10 Oct 2010

Private Placement

What Does Private Placement Mean?

The sale of securities to a relatively small number of select investors as a way of raising capital. Investors involved in private placements are usually large banks, mutual funds, insurance companies and pension funds. Private placement is the opposite of a public issue or IPO, in which securities are made available for sale on the open market.

Since a private placement is offered to a few, select individuals, the placement does not have to be registered with the Securities and Exchange Commission. In many cases, detailed financial information is not disclosed and a the need for a prospectus is waived. Finally, since the placements are private rather than public, the average investor is only made aware of the placement after it has occurred.

Generation Next to float IPO

FE Report

Textile maker GenerationNext Ltd Wednesday held a road-show for institutional investors, as the company plans to go public under the book building method.

BRAC EPL Investment Ltd, the issue manager ofGeneration Next, valued shares at Tk 50 each: Tk 10 in face vale and Tk 40 in premium.

Generation Next will use the proceeds from the initial public offer to expandbusiness and repay outstanding loans.

The company will offload 30 million ordinary shares. Of the 30 million shares, 60 percent will be allotted for the general public, 20 percent for eligible investors, 10 percent for mutual funds and 10 percent for non-resident Bangladeshis.

Now, the investors will have to offer bidding prices in three workdays, which will ultimately fix an indicative price.

“We will finally submit the indicative price to the market regulator after averaging all biding prices from the eligible investors,” said Khaled Farazi, managing director of BRAC EPL.

Tauhidul Islam Chaudhury, chairman of Generation Next, described the strengths of the business, while Javed Chaudhury, chief executive officer of the company, presented the company’s fundamentals.

Officials of BRAC EPL Investments Limited, the issue manager of GNFL, said the company demanded Tk 40 premium for each of its shares of Tk 10.

“The indicative price of GNFL’s shares will be approved by the stocksregulator after justifying the bidding prices, quoted by the institutional investors,” Mr Khaled Yusuf Farazi said at the road-show.

GNFL will offload 30 million ordinary shares, of which, 60 per cent will be allotted for general public, 20 per cent for eligible investors, 10 per cent for mutual funds, and 10 per cent for non-resident Bangladeshis.

“In our stock market the participation of garment sector is very minimal, compared to other sectors. That’s why GNFL plans to go public,” Javed Chaudhury, chief executive officer of the company, said during his presentation.

“Our compliance standard is very high, and the company will share its profits with the investors,” he added.

Source: The financial express, 08 Oct, 2010

দুই কোম্পানির রাইট শেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফু-ওয়াং সিরামিক এবং ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের রাইট শেয়ারের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংকের ২৫ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ডের আরপিও (পূন: গণ প্রস্তাব) অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। বৃহস্পতিবার কমিশনের সভায় এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
ফু-ওয়াং সিরামিকের প্রস্তাব অনুযায়ী এ কোম্পানির প্রতি দুটি সাধারন শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার পাওয়া যাবে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের দর ধরা হয়েছে ১২৫ টাকা (২৫ টাকা প্রিমিয়াম সহ)। রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ২০ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করবে কোম্পানিটি। রাইট শেয়ারের টাকা দিয়ে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি করা ছাড়াও  কোম্পানির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ঢাকা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা হবে বলে এসইসির মুখপাত্র আনোয়রুল কবীর ভূইয়া জানিয়েছেন।
অপরদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের শর্তানুয়ায়ী ব্যাসেল-টু বাস্তবায়নে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর জন্য রাইট শেয়ারের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করবে ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক। ব্যাংকের প্রতি ৫টি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার পাওয়া যাবে। রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ৫০ কোটি ৬০ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকের প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। রাইট শেয়ারের জন্য কোন প্রিমিয়াম নেয়া হবেনা।
ব্র্যাক ব্যাংক ২৫ শতাংশ রূপান্তরযোগ্য বন্ড ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। প্রতিটি বন্ডের দর ধরা হয়েছে ১০০০ টাকা। বন্ডের ২৭০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট এবং ৩০ কোটি টাকা আরপিও’র মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। গত ২৫ মার্চ বিশেষ সাধারন সভার মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

Source: sheershanews.com, 07 Oct, 2010