Monthly Archives: October 2010

Orion Lab to go public, set up pharma and power plants

Orion Laboratories Limited, a member company of one of the largest business conglomerates of Bangladesh, ORION GROUP signed an issue management agreement with the ICB Capital Management Limited (ICML) recently.

The ICML will work as an issue manager of Orion Laboratories Limited for issuing initial public offering (IPO) through Book Building Method.

Mohammad Obaidul Karim, managing director of Orion Laboratories Limited and Mohammad Abdur Rauf, chief executive officer (CEO) of ICML signed the agreement on behalf of their respective companies.

It is worth mentioning that Orion Laboratories Limited has decided to collect money from the general investors issuing shares to set up a world class pharmaceutical plant in Bangladesh. This new plant will be the biggest in the pharmaceutical sector of Bangladesh in terms of investment, covered area, number of varieties of dosage forms to be produced as well as superb in terms of pharmaceutical technology, waste management, monitoring system and eco-friendliness. The facilities of this plant will be created in accordance with the “Current Good Manufacturing Practices” standards of International regulatory authorities like US FDA, UK MHRA, Health Canada, Australian TGA etc.

In addition to manufacturing conventional products, this new plant will have dedicated facilities for manufacturing cephalosporin, biological products including blood products, probiotics, vaccines, hormones, anti-cancer and other biotech products.

Moreover, the money collected through IPO will be used to set up 200mw power plant under the purview of Orion Laboratories Limited which will be added to the national grid by March of next year.

Right now share market faces high demand of good shares and Bangladesh Government is also trying to help with the logistic support to float new shares in the market.

In this respect, Orion Laboratories Limited will fulfill the demand to the shareholders to some extent.

Source: The financial express, 26 October, 2010

One lac BO account holders get service from bdipo

This is a huge success of the whole bdipo community. Tonight on Oct 26 at about 1:15 am the one hundred thousandth BO account is created in bdipo system.

Thanks to all our customers, well-wishers and developers. This success is yours.

When we first made this site, people started to doubt if Bangladeshi people would be tech savvy enough to use this site. Truly speaking, we weren’t very much confident, too.

Now bdipo Team is really proud of its users. bdipo Team is really proud to be Bangladeshi!

পুঁজিবাজারে স্রোতের মতো আসছে বিনিয়োগকারী ॥ ৩০ লাখ!

ধারাবাহিক উর্ধগতির কারণে বিনিয়োগ ঝুঁকি বাড়লেও পুঁজিবাজারে নতুন বিনিয়োগকারীদের আগমন থামছে না। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য প্রতিদিনই বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব খুলছেন অসংখ্য মানুষ। পুঁজিবাজারমুখী স্রোতের এ ধারা অব্যাহত থাকায় ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। গত বছর বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৭। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৬৩৯।
সেন্ট্রাল ডিপোজটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের আওতাধীন বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ ১৮ হাজার ১২২টি। বর্তমানে সক্রিয় বিও হিসাবগুলোর মধ্যে ২২ লাখ ২১ হাজার ৬৭৪টি পুরুষ বিনিয়োগকারী এবং ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৩৪টি নারী বিনিয়োগকারীদের। এছাড়া বাকি ৭ হাজার ৯১৪টি বিও হিসাব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে বর্তমানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নামে চালু থাকা বিও হিসাবের সংখ্যা ১ লাখ ২৩ হাজার ৪০৪।
সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএইচ সামাদ জানান, প্রতিমাসেই বিও হিসাবের সংখ্যা বাড়ছে। গত দেড় বছরের মধ্যে এ সংখ্যা বেড়ে প্রায় তিনগুণ হয়েছে। তিনি বলেন, এবার বিও হিসাব নবায়নে ভাল সাড়া মিলেছে। ফি বাড়ানো হলেও হিসাবধারীরা নির্ধারিত সময়ের আগেই নবায়ন করেছেন।
বাজার বিশেস্নষকদের মতে, শেয়ারবাজারে যে হারে বিও হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ছে তা অস্বাভারিক নয়। বিশ্বের অনেক দেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী নিজস্ব পেশাগত কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি শেয়ারবাজারের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। কিন্তু সে অনুযায়ী বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় বিনিয়োগকারীর হার অনেক কম। প্রায় ১৬ কোটি মানুষের দেশে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩০ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার মাত্র সাড়ে ৫ শতাংশেরও কম। তবে শেয়ারবাজারের বর্তমান গতিশীলতা ধরে রাখা সম্ভব হলে নিশ্চিতভাবেই শেয়ারবাজারের সঙ্গে জড়িত মানুষের সংখ্যা অনেক বাড়বে।
তাঁদের মতে, বর্তমান বাজারকে ধরে রাখতে হলে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী উদ্যোক্তাদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাজারে ভাল শেয়ারের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
ডিএসইর সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসিরউদ্দীন চৌধুরী বলেন, বাজারে বিও হিসাব বৃদ্ধির মানে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া। এটি পুঁজিবাজারের জন্য একটি ইতিবাচক দিক। বাজারে এখন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে বলেই সাধারণ জনগণের এ মার্কেটের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। তবে বিনিয়োগকারীর সঙ্গে সঙ্গে ভাল শেয়ারের সরবরাহ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উলেস্নখ করে তিনি বলেন, বর্তমান বাজারে চাহিদার সঙ্গে শেয়ার সরবরাহের সমন্বয় নেই। এ সমন্বয়হীনতা দূর করা জরম্নরী।
সংশিস্নষ্টরা জানান, ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি গত এক বছরে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় বাজারে নগদ টাকার প্রবাহ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিও হিসাবের সংখ্যা ৭ হাজার ৯১৪টি। শেয়ারবাজারে এ ধরনের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাল শেয়ারের চাহিদা বেড়ে গেছে আগের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ না থাকার কারণে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। বাজার মূলধন ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ার এটাই মূল কারণ।
বিশেস্নষণে দেখা গেছে, ১৯৯৬ সালের বড় ধসের পর শেয়ারবাজার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ব্যাপক নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল। ওই সময়ে পুঁজি হারানো হাজার হাজার মানুষের মধ্যে শেয়ারবাজার ছিল বড় আতঙ্কের নাম। ‘৯৬-এ পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরা তো বটেই, সাধারণ মানুষের মধ্যেও নতুন করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের চিনত্মা আসেনি। ফলে হাতেগোনা কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে শেয়ারবাজারের লেনদেন। ২০০৪ সালের পর থেকে বাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়তে থাকে। মূলত শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার অবাধ সুযোগ দেয়ার কারণেই সেই সময় বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
তবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের উর্ধগতি শুরম্ন হয় গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। ওই সরকারের নানামুখী অভিযানের কারণে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় অনেকেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করতে শুরম্ন করেন। তাছাড়া দুর্নীতির বিরম্নদ্ধে অভিযান চালালেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারও কালো টাকার প্রশ্নহীন বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ায় শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের পর বর্তমান মহাজোট সরকার ৰমতাগ্রহণের পর শেয়ারবাজারে লেনদেন ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। বিপুল পরিমাণ নতুন বিনিয়োগ যুক্ত হওয়ায় বেড়ে যায় অধিকাংশ শেয়ারের দর। গত ২০ মাসে শেয়ারবাজারের শক্তি-সামর্থ্য ব্যাপকমাত্রায় প্রসারিত হলেও চাহিদার তুলনায় শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে না পারায় ইতোমধ্যেই দেশের শেয়ারবাজার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পেঁৗছেছে বলে বিশেস্নষকরা মনে করেন।
২০০৯-১০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজারবান্ধব বিভিন্ন সিদ্ধানত্ম এবং উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগে মন্দার কারণে শেয়ারবাজারে অর্থপ্রবাহ ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। চলতি অর্থবছরের বাজেটেও শেয়ারবাজারের বিকাশে বিভিন্ন পদৰেপের পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমিয়ে দেয়ায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) দৈনিক লেনদেনের গড় ছিল প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। ২০০৯ সালে গড় লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে ৬০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকায় দাঁড়ায়। চলতি বছরে দৈনিক লেনদেনের গড় ইতোমধ্যে ২০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে গত ৭ অক্টোবর ২৮০১ কোটি ৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার, মিউচু্যয়াল ফান্ড ইউনিট এবং কর্পোরেট বন্ড লেনদেন হয়েছে_ যা দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
বিনিয়োগকারী এবং অর্থপ্রবাহ বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভাল শেয়ারের যোগান না বাড়ার কারণেই শেয়ারের দর ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে বলে মনে করেন বিশেস্নষকরা। দরবৃদ্ধির এ হার কোম্পানির আয় বৃদ্ধির চেয়ে বেশি হওয়ায় বাড়ছে শেয়ারের পিই অনুপাত_ যা বাজারকে ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোকেই সবচেয়ে বড় সমাধান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Source: The Daily Janakantha, 25 Oct 2010

Luring more companies to go public

All concerned — investors, securities regulator, the management of the bourses, experts and policymakers — are convinced that the stock market is overheated and sporadic measures taken by the regulator has failed to rein in the bull that has been roaming freely for a period of more than a year. And the outcome has been quite obvious. The general index of the country’s premier bourse, the Dhaka Stock Exchange (DSE), has gone up by more than 130 per cent during that period. However, the market deserved a certain amount of boost after its lacklustre performance since its collapse in 1996. But a host of factors, greed being at the top of those, have taken the indices beyond what can be described as justified limit. Sceptics suspect foul play by organized groups, including a few who masterminded the 1996 share scam, while some others hold some built-in weaknesses of the market responsible for it.

And the lack of regular infusion of new issues into the market has been cited as one of the leading reasons for the market being overheated. The arrival of new issues, either through initial public offering (IPO) or through direct listing has actually been highly inadequate compared to the soaring demand for stocks from the investors, individuals and institutions. The government more than a year back pledged to offload partially the stocks of more than two dozen state-owned enterprises (SoEs). But the promise until now has remained unfulfilled due to opposition from within. The leaders of the bourses and the parliamentary standing committee on the finance ministry have time and again taken exception to the government’s failure to offload the SoE stocks as promised earlier claiming that the replenishment could have helped in easing the current pressure on the market. In the meanwhile, theSecurities Exchange Commission (SEC) had put into effect some restrictions, in terms of paid-up capital and size of the IPO, hindering further the normal flow of new issues into the market. The SEC move, that had its origin in the finance ministry, drew strong criticism from the bourses and the investors alike.

However, the SEC action was taken not without a reason. When the market heats up and investors develop a sort of insatiable appetite for stocks, some small cap companies having questionable track records try to enter the market, collect funds and vanish in thin air. Actually, it did happen during the 1996 stock bubble in this country. Investors lost a sizeable amount of money that they had put in the stocks of a good number of issues that, either by design or default, managed the regulator’s permission to enter the market that was full of schizophrenic investors. A good number of non-performing small cap companies, having a combined paid-up capital worth over Tk.6.0 billion, have already been de-listed and placed in the over-the-counter (OTC) market.

The SEC, in view of the need for adding new issues under the circumstances prevailing in the market, has decided to modify its capital issue rules, allowing a company with a minimum paid-up capital of Tk 300 million to float IPO. The minimum paid-up capital for a company for floating IPO was earlier set at Tk 400 million. The regulator has also brought about changes in the rules concerned for medium and large cap companies. However, the SEC while relaxing the requirements for floating IPOs should ensure that the companies with dubious track records cannot sneak into the market. But the latest changes in capital rules are unlikely to encourage many private companies having strong fundamentals to go public, primarily for two reasons — lack of enough incentives and their reluctance to face the scrutiny of the general shareholders and the regulator.

Source: The financial express, 24 October, 2010

IPO subscription of Deshbandhu Polymer Limited starts today

IPO subscription of Deshbandhu Polymer Limited began today, 24 October , 2010 and will close on 28 October, 2010. For NRB it will remain open till 6 November, 2010.

It’s face value is tk. 10 per unit and market lot is tk. 500.

For more information visit http://www.bdipo.com/companies/17

Source: Own correspondence, bdipo.com

Price discovery of Mobil Jamuna Lubricants

Bidding of MJL Ltd. will take place from 07 November 2010 at 11L00 AM to 10 November 2010 at 4:00 PM round the clock. Period for depositing bid money will be from 02 November 2010 to 10 November 2010.

The size of the public offer is of 40,000,000 ordinary shares of Tk 10/- each. Indicative price for the issue in Tk. 127/- per share including a premium of 117/- per share. Price band for bidding will be 20% upward or downward band of indicative price (e.e. Tk. 101.60 to 152.40).

Prime finance & investment ltd is the issue manager and Grameen capital management ltd is the registrar to the issue.

Source:Own Correspondence, bdipo.com

IFIL Islamic MF draw Oct 26

FE Report

The lottery draw for IPO (initial public offering) of IFIL Islamic Mutual Fund-1 (IFILIMF-1) will be held on October 26 at the National Sports Council, officials said.

The IPO has been oversubscribed by 3.31 times, an official said.

The official said the draw of the mutual fund will start at 10.30 am and the schedule for refund warrants will be announced later.

Among the total units worth Tk 1.0 billion, the IFILIMF-1 will offload the units valued at Tk 500 million in IPO at a face value of Tk 10.0. The mutual funds and non-resident Bangladeshis are allowed to buy the units of Tk 50 million each.

Source: The financial express, 22 October, 2010


Co with Tk 300m paid-up capital can now go public

FE Report

Securities and Exchange Commission (SEC) has brought changes in the capital issue rules allowing a company with a minimum paid-up capital of Tk 300 million to go public. The SEC Thursday approved the decision taken Tuesday after the commission meeting with its chairman Ziaul Haque Khondker in the chair. “The commission will issue a notification soon regarding the changed capital issue rules,” an SEC official said. The capital issue rules were relaxed in the wake of experts’ strong criticism over the SEC’s setting of IPO rules which said a company having a minimum paid-up capital of Tk 400 million would be allowed to hit the market. Under the new capital issue rules, a company with an existing paid-up capital of Tk 180 million will be able to go public. In that case the company will have to offload shares of at least Tk 120 million in the initial public offering (IPO). But the company with a paid-up capital of more than Tk 300 million will have to float shares worth at least 10 per cent of its paid-up capital. On March 11 last, the SEC issued a notification saying that minimum paid-up capital requirement for a company must be Tk 400 million to go public. A company with a paid-up capital of Tk 750 million will have to offload shares worth 40 per cent of its total paid-up capital. The minimum public offer for a company with a paid-up capital of more than Tk 750 million and up to Tk 1.5 billion must be 25 per cent of the total paid-up capital or Tk 300 million, whichever is higher. The minimum public offer for a company with a paid-up capital of above Tk 1.5 billion will be 15 per cent of its capital or Tk 400 million, whichever is higher. “I do not think it will help increase share supply to the market as most of the companies are owned by families and they are afraid of accountability and transparency,” former SEC chairman and advisor of the caretaker government AB Mirza Azizul Islam told the FE. “However, I am not against the move taken by the SEC,” he added. An issue manager asking not to be named said, “The previous rules were a bar for many companies to go public because a company with good fundamentals always tries to keep at least 75 per cent stakes in its grip.” “That’s why we were not able to bring new issues in the market,” he said. “But the SEC must be careful about the window-dressing balance sheets of the companies before approval. Otherwise, opportunist companies will take away money from the market capitalising on this scope,” he added.

Source: The financial express , 22 Oct, 2010

Regulator takes step to ease IPO rules

The Securities and Exchange Commission (SEC) will seek permission from the government to relax the rules for initial public offerings to encourage more companies to go public.

The chairman of the stockmarket regulator will talk to the finance minister on relaxing the rules, as the existing ones had been laid out on the government’s prescription, SEC officials said.

SEC Chairman Ziaul Haque Khondker yesterday sat with the commission’s members and executive directors, and asked for their take on the matter. The meeting participants said the move would push non-listed companies to come to market.

In line with the existing rules, a company must have a minimum of Tk 40 crore in paid-up capital, including the IPO offer size, to list on the exchanges.

Following introduction of the new rules last year, only a few companies entered the market. Even though many others were interested, they were deterred by the IPO conditions.

The condition of a required capital base of Tk 40 crore contradicts the book-building method, which allows a company to go for IPO with shares equivalent to 10 percent of the company’s paid-up capital, or Tk 30 crore, whichever is higher, analysts say.

In August, SEC’s Consultative Committee recommended relaxation of the IPO rules to encourage more companies to be listed.

The committee said a company with at least Tk 25 crore in paid-up capital, including IPO offer size, should be allowed to go for listing.

The Bangladesh Association of Publicly Listed Companies at a meeting of the parliamentary standing committee on the finance ministry last month urged the government and SEC to ease the IPO rules.

In addition, Bangladesh Merchant Bankers’ Association, on several occasions, urged SEC to move on the matter.

Merchant bankers, who manage IPO floatation, said if the rules were relaxed, they would be able to attract newcomers into the market.

Source: The Daily Star, 20 Oct, 2010