সেপ্টেম্বরে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চূড়ান্ত করবে এসইসি

সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চূড়ান্ত করবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। ইতোমধ্যে এ পদ্ধতির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে এসইসি। জনমত যাচাইয়ের পরই তা চূড়ান্ত করা হবে বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন বিষয়ক খসড়া জনমত যাচাইয়ের জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বসাধারণের থেকে প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা শেষে আগামী মাসের মধ্যেই পাবলিক ইস্যু বিধিমালা ২০০১-এর নতুন সংশোধন অনুমোদন করার পরিকল্পনা রয়েছে এসইসির। জনমত যাচাইয়ের জন্য ১৫ দিন সময় হাতে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণে অতিমূল্যায়িত হচ্ছে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরকারের নির্দেশনায় গত ২০ জানুয়ারি এসইসি এ পদ্ধতি স্থগিত করে। বুকবিল্ডিং পদ্ধতির খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, নির্দেশক মূল্য কোনক্রমে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয়ের (ইপিএস) ১৫ গুণ বা শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্যের (এনএভি) তিন গুণ বা উভয়ের মধ্যে যেটি কম, তার থেকে বেশি হবে না। তবে নির্দেশক মূল্য কোম্পানির এনএভির কম হতে পারবে না। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দরপ্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বৃদ্ধি করে ৪ মাস করা হয়েছে।
এর আগে প্রণীত খসড়ায় লক ইনের মেয়াদ ৬ মাস নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছিল। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য প্রস্তাব ও বিডিংয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে মার্চেন্ট ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, ব্রোকারেজ হাউস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। কমপক্ষে ২০টি যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Source: Sangbad

This entry was posted in Uncategorized on by .

About bdipo Team

Started our journey in Jan 2009. A simple idea is getting bigger. A baby born and learning to walk, talk, imitate and express. This page is dedicated to that eternal urge of expression. The humane and emotional side of bdipo.