এসইসির অনেক প্রস্তাবে ডিএসইর ভিন্নমত

বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কার্যালয়ে সকাল ১১টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে বাজারসংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনী চূড়ান্ত করা হবে। এতে দুই স্টক এঙ্চেঞ্জসহ বাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে এই পদ্ধতির কয়েকটি দিক নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। ডিএসই সূত্রে এ ভিন্নমতের তথ্য জানা গেছে।
এনএভি ও ইপিএসের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্যসীমা বেঁধে দিতে এসইসি যে প্রস্তাব দিয়েছে তাতে ভিন্নমত রয়েছে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই)। এসইসিতে জমা দেওয়া ডিএসইর লিখিত মতামতে এই ভিন্নমত প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়ার এই ব্যবস্থাকে বুকবিল্ডিংয়ের মৌলিক চেতনার পরিপন্থী বলে মনে করছে ডিএসই। এসইসির প্রস্তাব অনুযায়ী বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে কোনো শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কম্পানির তিন বছরের গড় শেয়ারপ্রতি আয়ের (ইপিএস) ১৫ গুণ এবং নিট সম্পদ মূল্যের (এনএভি) ৩ গুণের বেশি হতে পারবে না। এক্ষেত্রে নির্দেশক মূল্য কম্পানির এনএভির চেয়ে কম হতে পারবে না।
এসইসির প্রস্তাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রস্তাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়েছে। ডিএসইর দেওয়া মতামতে লক ইনের সময় ১৫ দিন বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এসইসির প্রস্তাবে নির্দেশক মূল্য প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠানকে একইসঙ্গে ১০ শতাংশ শেয়ার ক্রয়ের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হলেও ডিএসই এতে আপত্তি জানিয়েছে। তবে একক প্রতিষ্ঠানের ক্রয়সীমা ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে ডিএসই। এসইসির খসড়ায় কম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এই প্রস্তাবটি সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার পক্ষে ডিএসই। ডিএসইর মতামতে বলা হয়েছে, কোনো কম্পানির আর্থিক বিবরণী সন্দেহজনক হলে এসইসি ইচ্ছা করলে তা পুনঃনিরীক্ষা করতে পারে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কম্পানিকে ব্যয় বহন করতে হবে। দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পুঁজিবাজারে নতুন কম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে।

Source: Kaler Kantha

This entry was posted in News on by .

About bdipo Team

Started our journey in Jan 2009. A simple idea is getting bigger. A baby born and learning to walk, talk, imitate and express. This page is dedicated to that eternal urge of expression. The humane and emotional side of bdipo.