পুঁজিবাজার থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা তুলতে চায় ২৮ কোম্পানি

আবারও উচ্চহারে প্রিমিয়াম প্রস্তাব
উচ্চহারে প্রিমিয়াম নির্ধারণ করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ৪ হাজার ২৬ কোটি তুলতে চায় ২৮ কোম্পানি। এর আগেও বাজার থেকে অতি উচ্চহারে প্রিমিয়াম নিয়ে বিনিয়োগকারীর সবর্স্ব কেড়ে নিয়েছে বাজারে তালিকাভুক্ত বেশ কিছু কোম্পানি। বাজারে শেয়ার চাহিদাকে পুঁজি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) উদাসীনতায় কোম্পানিগুলো এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়েছে। বিনিয়োগকারীরাও ভাল-মন্দ বাছবিচার না করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে শেয়ার কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব কোম্পানির শেয়ারের দর অভিহিত মূল্যের নিচে নেমে এসেছে।
আগের ধারাবাহিকতায় এবার উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার ধারণ সংক্রান্ত এসইসির প্রজ্ঞাপন মেনে পরিচালকরা ২ শতাংশ শেয়ার ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণ করলে বাজারে শেয়ার সঙ্কট বাড়তে পারে। সার্বিকভাবে কোম্পানিগুলোর প্রায় ৩০ শতাংশ শেয়ার ব্লক হয়ে যাবে। এর সুযোগ নিতে পারে কোম্পানিগুলো এবং উদ্যোক্তা পরিচালকরা। অতীতের মতো আবারও তাঁরা উচ্চহারে প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট এবং আনন্দ শিপইয়ার্ডকে উচ্চ হারে প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছে। ইউনিক হোটেল এ্যান্ড রিসোর্টের প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা এবং আনন্দ শিপইয়ার্ডের ক্ষেত্রে তা নির্ধারিত হয়েছে ৫৮ টাকা। এর আগেও গত কয়েক বছরে বাজারে শেয়ার সঙ্কটের সময়ে সরকারী ও বেসরকারী কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়। পরে বাজার ধসের সময়ে সাধারণ ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চহারে এমন প্রিমিয়াম ধরার ফলে আগামীতেও এমন সঙ্কট সৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, পুনরায় আইপিও’র আবেদন করা ডেল্টা স্পিনার্স লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম প্রস্তাব করা হয়েছে ২০০ টাকা করে। এছাড়া কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ৩০ টাকা ধরা হয়েছে। কোম্পানি ৩০ লাখ শেয়ার ছেড়ে মোট ৯০ কোটি টাকা তুলতে চায়। আর এ ক্ষেত্রে ৬০ কোটি টাকার প্রিমিয়াম তুলতে চায়। এরপরে নাভানা রিয়েল এস্টেট নামের কোম্পানি ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে শুধু প্রিমিয়ামের মাধ্যমে ৩৩০ কোটি টাকা তুলতে চায়। কোম্পানির প্রিমিয়াম প্রস্তাব করা হয়েছে ১১০ টাকা। এনার্জি প্রিমা লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ৫৬ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে ১৪৪ কোটি টাকা তুলবে। ঢাকা রিজেন্সি হোটেল এ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড নামের কোম্পানি ৪০ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে বাজার থেকে ৮০ কোটি টাকা তুলতে চায়। আরগো ডেনিমস লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ৭০ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে ২১০ কোটি টাকা তুলতে চায়। শাহ্জীবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড নামের কোম্পানি ৬০ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাবে বাজার থেকে ২২৫ কোটি টাকা তুলতে চায়। গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস লিমিটেড নামের কোম্পানি ২০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে ২৪ কোটি টাকা তোলার আবেদন জানিয়েছে।
ফার ফাস্ট নিটিং এ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড নামের কোম্পানির প্রিমিয়াম ৪০ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে ১২০ কোটি টাকা তুলতে চায়। কেয়া কটন মিলস লিমিটেড নামের কোম্পানি বাজার থেকে ৩০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ১৫০ কোটি টাকা তুলতে চায়। জেনারেল নেক্সট ফ্যাশন নামের কোম্পানি বাজার থেকে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ৭৫ কোটি টাকা তোলার আবেদন করেছে। মতিন স্পিন মিলস লিমিটেড ৫৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ১৫১ কোটি ২৫ লাখ টাকা তুলবে। এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স ৬০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে বাজার থেকে ৩৪২.৯০ কোটি টাকা তুলবে। কেয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেড প্রতিটি শেয়ারের প্রিমিয়াম ৩০ টাকা। কোম্পানি বাজার থেকে প্রিমিয়াম বাবদ ১২০ কোটি টাকা তুলতে চায়। সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড নামের কোম্পানি বাজার থেকে ২৫ টাকার প্রিমিয়াম ধরে ৩০ কোটি টাকা তুলতে চায়। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড বাজার থেকে ৬০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ২৭০ কোটি টাকা তুলতে চায়। ইফাদ অটোস লিমিটেড বাজার থেকে প্রিমিয়াম বাবদ ২৭০ কোটি টাকা তোলার আবেদন এসইসিতে জমা দিয়েছে। এছাড়া সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড বাজার থেকে ২৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা তুলতে চায়। এমএল ডায়িং লিমিটেড নামের আরও একটি কোম্পানি বাজার থেকে ২০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ৬০ কোটি টাকা তুলতে চায়। এ ড্রাগন সোয়েটার এ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেড নামের কোম্পানি ২০ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাব করেছে। কোম্পানি বাজার থেকে ৬০ কোটি টাকা তুলতে চায়। এছাড়া ওরিয়ন ফার্মা ৩৬০ কোটি, ইনাভো টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ১৩৩ কোটি টাকা, প্রিমিয়ার সিমেন্ট ৪৪ কোটি ৪ লাখ টাকা, হামিদ ফেব্রিক্স লিমিটেড ৭৮ কোটি, প্যারামাউন্ট সিমেন্ট ১০৫ কোটি, বেঙ্গল এন্ডোর থার্মো প্লাস্টিক লিমিটেড ৬০ কোটি, গোল্ডেন হারভেস্ট এ্যান্ড এগ্রোফার্মা লিমিটেড ১৫০ কোটি, এমপি স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৯৮ কোটি এবং আনন্দ শিপ ইয়ার্ড এ্যান্ড শিপ ওয়েজড লিমিটেড ৬৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা প্রিমিয়াম প্রস্তাব করেছে।
এর আগে বাজারে ধসে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশে উচ্চহারে প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে আইপিও’র মাধ্যমে শেয়ার ছাড়ার সমালোচনা করা হয়। এতে বলা হয়, কোন বাছবিচার না করেই ঢালাওভাবে উচ্চ প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে কোম্পানিগুলোকে টাকা উত্তোলনের সুযোগ দেয়া উচিত হয়নি। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই বাজারের স্বার্থে এসব কোম্পানিকে কম প্রিমিয়াম প্রস্তাব করে শেয়ার ছাড়া উচিত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বাজারে অতিমূল্যায়িত হয়ে শেয়ার তালিকাভুক্ত হলে বাজারে প্রভাব পড়ে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া উচিত।
ডিএসইর প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান বলেন, আইপিওতে আসার আগে কোম্পানিগুলো আর্থিক প্রতিবেদন জমা দেয়। মূলত সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোন কোম্পানি কিভাবে কত দরে আসবে তা নির্ধারণ করে। কিন্তু ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী এসইসির চেয়ারম্যান থাকাকালীন কোম্পানির আইপিও প্রতিবেদন নিয়ে ডিএসইর পর্যালোচনা ও সুপারিশ সংযুক্ত রাখার নির্দেশনা ছিল। তিনি আরও বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশের শীর্ষস্থানীয় হিসাব নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে প্যানেল গঠন করা হয়েছে। প্যানেলের সঙ্গে ডিএসইর বোর্ডের কোন সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। এর ফলে শেয়ারবাজারে কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি এবং প্রিমিয়াম নিয়ে অভিযোগের অবসান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফখরুদ্দিন আলী আহমদ বলেন, বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। এজন্য রিপিট আইপিও, প্রেফারেন্স শেয়ার, বুকবিল্ডিং, ঋণকে ইক্যুইটিতে রূপান্তরের কার্যক্রমগুলো নিরুৎসাহিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, আগে দেখতে হবে বাজারে তালিকাভুক্তির সময়েই শেয়ার অতিমূল্যায়িত হয় কিনা। কারণ কোন শেয়ার বাজারে আসার আগেই অতিমূল্যায়িত হলে বাজারে প্রভাব পড়বেই। অতীতেও এটি ঘটেছে।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৫ মে ২০১২

Posted in News | Tagged | 5 Comments

ইউনিক হোটেলের আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব প্রক্রিয়া শেষে আজ মঙ্গলবার ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের (ওয়েস্টিন হোটেল) আইপিও লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আবেদনকারীদের মধ্যে শেয়ার বরাদ্দের জন্য আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। লটারির ফলাফল ডিএসই, সিএসই, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং ইস্যু ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। তবে কোম্পানির সাধারণ বিনিয়োগকারী ও এনআরবি কোটায় আন্ডারসাবসক্রাইব হওয়ায় সকল আবেদনকারী শেয়ার পাবেন। শুধুমাত্র মিউচ্যুয়াল ফান্ড ওভারসাবসক্রাইব হওয়ায় লটারী হয়েছে।

আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে গত ১৫ এপ্রিল থেকে ইউনিক হোটেলের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত এবং প্রবাসীদের জন্য এ সুযোগ ছিল ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিটি শেয়ারে ১০ টাকা ফেস ভ্যালুর ৬৫ টাকা প্রিমিয়াম নেয়া হয়েছে। ফলে প্রতি লটের জন্য বিনিয়োগকারীদের দিতে হয়েছে ৭ হাজার ৫০০ টাকা। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ২ কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে মোট ১৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে।

জানা যায়, ইউনিক হোটেলের আইপিওতে স্থানীয় কোটায় বরাদ্দের চেয়ে কম আবেদন (আন্ডার সাবস্ক্রাইব) জমা পড়ে। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ড কোটায় বরাদ্দের চেয়ে দ্বিগুণ আবেদন জমা পড়ে। এ কোম্পানির আইপিও আবেদনে মোট ২ লাখ ৯ হাজার ৩৫০টি আবেদন জমা পড়ে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও সাধারণ বিনিয়োগকারী মিলিয়ে মোট আবেদন জমা পড়ে ২ লাখ ৫ হাজার ৩০৭টি। আর প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা মোট ৪ হাজার ৪৩টি আবেদন জমা দিয়েছেন।
আইপিও পূর্ব এ কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ছিল ২৩০ কোটি টাকা এবং আইপিও পরবর্তী মূলধন হবে ২৫৬ কোটি টাকা। সর্বশেষ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে (ইপিএস) ৪.৩০ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভি) ১০০.৩৮ টাকা। এর ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে ব্রাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং অডিটে রয়েছে এস এফ আহমেদ অ্যান্ড কোম্পানি।

সূত্র: শেয়ার নিউজ টুয়েন্টিফোর, ১৫ মে, ২০১২

Posted in IPO Lottery Result | Tagged | 7 Comments

আইপিওর সংগৃহীত অর্থ সহযোগীপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা যাবে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা সহযোগী কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ পুনর্বহাল করা হয়েছে।
সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত বছর কমিশনের ৪০১তম সভায় এসইসি আইপিওর টাকা সহযোগী (সাবসিডিয়ারি) ও একই গ্রুপের স্বতন্ত্র অন্য কোম্পানিতে (সিস্টার কনসার্ন) বিনিয়োগ করতে পারবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থাৎ যে কোম্পানি বাজারে তালিকাভুক্ত হবে, আইপিওর অর্থ কেবল সেই কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করতে হবে। এর ফলে বেশকিছু কোম্পানির আইপিও প্রস্তাব আটকে যায়।
এ প্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসে এসইসি দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। কমিটিকে আইপিওর টাকা কোন কোন খাতে ব্যবহার করা যাবে, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবসহ কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ এবং এ টি এম তারিকুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি সম্প্রতি কমিশনের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশন এরই মধ্যে তাদের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে আইপিওর টাকা সহযোগী বা একই গ্রুপের অন্য কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি আইপিওর টাকা সহযোগী বা একই গ্রুপের অপর প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে সেটি নতুন কোম্পানি বাজারে আসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। একই সঙ্গে তা তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ বা প্রবৃদ্ধির পথেও বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
পাশাপাশি কমিটি আইপিওর টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আরও কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরে। কমিটি বলেছে, যদি কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানি আইপিওর টাকা তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে থাকে, তাহলে সহযোগী ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডও নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকির আওতায় থাকবে।
যদি সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না থাকে, তার পরও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ থাকবে ওই প্রতিষ্ঠানের ওপর। একইভাবে যদি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কোনো ব্যবসায়িক সাফল্য, পরিকল্পনা বা পরিবর্তন, যা তালিকাভুক্ত মূল কোম্পানির শেয়ারের দামকে প্রভাবিত করবে, সেসব তথ্য বা পরিবর্তনকেও মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
এরই মধ্যে কমিশন সভায় এসব সুপারিশও নেওয়া হয়েছে। ফলে তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোনো কোম্পানিতে যদি তালিকাভুক্ত কোম্পানির কোনো বিনিয়োগ থাকে, তাহলে ওই কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও এখন থেকে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য হিসেবে বিবেচনা হবে। সেই সঙ্গে সহযোগী কোম্পানির কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির তদারকির আওতায় থাকবে।
দীর্ঘদিনের প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, আইপিও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত টাকা অনেক সময় কোম্পানিগুলো তাদের সহযোগী ও একই গ্রুপভুক্ত স্বতন্ত্র অন্য কোম্পানিতে বিনিয়োগ করত।
প্রচলিত এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি আইপিওর টাকা সহযোগী কোম্পানিতে (যেগুলো বাজারে তালিকাভুক্ত নয়) বিনিয়োগের নামে নানাভাবে অপব্যবহার করেছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ বা ব্যবসায়িক অগ্রগতির সুযোগ তৈরির জন্য মূলত সহযোগী কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই সুযোগের ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে ইতিপূর্বে। এ কারণে বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই অপব্যবহার রোধে আইপিওর টাকা সহযোগী কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো, ৭ মে, ২০১২

Posted in News | Leave a comment

Regulator okays use of IPO proceeds in subsidiaries

Companies that will raise capital through initial public offerings (IPO) will be able to invest the proceeds in their subsidiaries and associated firms, in a move that the stockmarket regulator opposed before.

The Securities and Exchange Commission backtracked on its stance and approved the recommendations by a regulatory panel on the use of IPO proceeds.

IPO is a process to issue shares to the public to raise capital to expand and run business of a company more efficiently.

Earlier last year, the SEC decided not to allow companies to use IPO proceeds in their subsidiaries or sister concerns.

The market watchdog had taken the decision following allegations of misuse of IPO proceeds.

In February, the regulator formed a two-member panel to examine whether the companies should be allowed to use the IPO proceeds.

The committee, after analysing different rules and the practices in India, recommended that companies be allowed to use the IPO proceeds to invest in subsidiaries and associated firms.

The matter of using IPO funds in subsidiaries or associated companies or in other assets is the discretion of the company to maximise value of issuer company’s shares, the committee said.

Source: The Daily Star, May 7, 2012

Posted in News | Tagged , | Leave a comment

ইউনিক হোটেলের আইপিওতে দ্বিগুণ আবেদন

ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেডের (ওয়েস্টিন হোটেল) প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) দুই লাখ ৯ হাজার ৩৫০টি আবেদন জমা পড়েছে। কম্পানির ১৯৫ কোটি টাকার শেয়ারের বিপরীতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা ৩৮৯ কোটি ৩১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫০ টাকার আবেদন জমা দিয়েছেন। কম্পানির পক্ষ থেকে আইপিও আবেদনের এই প্রাথমিক পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে। কম্পানির তথ্যানুযায়ী, মিউচ্যুয়াল ফান্ড ও সাধারণ বিনিয়োগকারী মিলিয়ে মোট আবেদন জমা পড়েছে দুই লাখ পাঁচ হাজার ৩০৭টি আবেদন। আর প্রবাসী বাংলাদেশিরা চার হাজার ৪৩টি আবেদন জমা দিয়েছেন।
তথ্যমতে, ১০০টি শেয়ারে মার্কেট লট নির্ধারিত হওয়ায় সর্বমোট দুই লাখ ৬০ হাজার লট শেয়ার সাধারণ আবেদনকারীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হবে। সেই হিসাবে নির্ধারিত লটের তুলনায় ইউনিক হোটেলের আইপিওতে কম আবেদন জমা পড়েছে। তবে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো বড় অঙ্কের শেয়ার পাওয়ার জন্য আবেদন করায় আর্থিক হিসাবে প্রায় দ্বিগুণ আবেদন জমা হয়েছে। এ কারণে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোয় শেয়ার বরাদ্দের জন্য শিগ্গিরই লটারির আয়োজন করা হবে।
পুঁজিবাজারে দুই কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে কম্পানিটি বাজার থেকে মোট ১৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করছে। আইপিওর মাধ্যমে বিক্রির জন্য কম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ারের বিপরীতে ৬৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ মোট ৭৫ টাকা মূল্য অনুমোদন করেছে এসইসি। কম্পানির ১০০টি শেয়ারে একটি মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আইপিও আবেদনের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সাড়ে সাত হাজার টাকা জমা দিতে হয়েছে।
আইপিওতে শেয়ার বরাদ্দের জন্য গত ১৫ এপ্রিল থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত স্থানীয় বিনিয়োগকারী এবং ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হয়।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ৭ মে ২০১২

Posted in IPO Subscription | Tagged | 7 Comments

IPO result of Aamra Technologies published

IPO result of Aamra Technologies has been published in bdipo.com. To search the result, please click http://new.bdipo.com/companies/42/results/search.

Source: Own correspondence, bdipo.com

Posted in IPO Lottery Result | Tagged | 1 Comment

আমরা টেকনোলজিসের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে

বিডিআইপিও ডট কম-এ আমরা টেকনোলজিসের আইপিও ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সহজে ও স্বল্প সময়ে ফলাফল জানবার জন্য ক্লিক করুন http://new.bdipo.com/companies/42/results/search

সূত্র: নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিআইপিও.কম

Posted in IPO Lottery Result | Tagged | Leave a comment

আইপিওতে বিশেষ কোটা সুবিধা পাবেন ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে নয় লাখ বিনিয়োগকারী

ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী হিসেবে নতুন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে বিশেষ কোটা সুবিধা পাবেন প্রায় সাড়ে নয় লাখ বিনিয়োগকারী।
ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের নাম, বিও (বেনিফিশারি ওনার্স) হিসাব, সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের নামসহ পূর্ণাঙ্গ একটি তালিকা তৈরি করেছে বিশেষ স্কিম প্রণয়ন কমিটি। গতকাল সোমবারই চূড়ান্ত এই তালিকা পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) জমা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুপারিশসহ বিশেষ স্কিম প্রণয়ন কমিটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল, তাতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ২৬ হাজার। এর মধ্যে ঋণগ্রস্ত ও ঋণ ছাড়া উভয় শ্রেণীর বিনিয়োগকারীই রয়েছেন।
কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় ক্ষতিগ্রস্ত (১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ) বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় ছয় লাখ কমে গেছে।
এর কারণ হিসেবে কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, চূড়ান্ত তালিকা করতে গিয়ে দেখা গেছে, এক ব্যক্তির নাম দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যদের তালিকায় রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এক ব্যক্তিকে একবারই বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সাধারণত একজন বিনিয়োগকারী এক নামে একাধিক বিও হিসাব খুলে শেয়ারবাজারে (সেকেন্ডারি মার্কেট) বিনিয়োগ করতে পারেন। তবে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে এক ব্যক্তি একক ও যৌথ নামের হিসাব মিলিয়ে সর্বোচ্চ দুটি আবেদন করতে পারেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত ২০৪টি ব্রোকারেজ হাউসের সাত লাখ ৩৯ হাজার ৮৮৩ জন, অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সদস্যভুক্ত ১০৩টি ব্রোকারেজ হাউসের এক লাখ ৫৪ হাজার ২৭৭ জন এবং ২৫টি মার্চেন্ট ব্যাংকের ৩৯ হাজার ১২০ জন বিনিয়োগকারী রয়েছেন। মোট নয় লাখ ৩৩ হাজার ২৮০ জন।
এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান কমিটির চূড়ান্ত তালিকা পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘গতকাল বিকেলে এই তালিকা কমিশনের হাতে এসে পৌঁছেছে। এখন তালিকাটি যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’
সাইফুর রহমান বিশেষ স্কিম কমিটির সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন।
এর আগে গত ৪ মার্চ শেয়ারবাজার ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা বা স্কিম ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ঘোষিত প্রণোদনার আওতায় এক বছরের সুদের ৫০ শতাংশ মওকুফ এবং আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
শেয়ারবাজারে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ করে তার বিপরীতে যাঁরা ঋণসুবিধা নিয়েছেন, কেবল তাঁরাই সুদ মওকুফের সুবিধা পাবেন। আর ঋণগ্রস্ত বা ঋণ ছাড়া উভয় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী আইপিও কোটা সুবিধা পাবেন। এ জন্য ২০১২ ও ২০১৩ সালে ইস্যু হওয়া সব আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রণোদনা ঘোষণার পরপরই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবি ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিবি ক্যাপিটাল তাদের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের এক বছরের সুদ মওকুফের ঘোষণা দেয়। তবে আইসিবির বাইরে অন্য ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো (ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংক) ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।

সূত্র : প্রথম আলো, ১ মে, ২০১২

Posted in News | Tagged | Leave a comment

Summit Purbanchol Power gets nod for IPO

The Securities and Exchange Commission yesterday approved the IPO prospectus of Summit Purbanchol Power Company Ltd, a subsidiary of Summit Power Ltd, to raise Tk 135 crore from public.

The approval came at a meeting of the stockmarket regulator with SEC Chairman Prof M Khairul Hossain in the chair.

Using the fixed price method, Summit Purbanchol Power Company will float three crore ordinary shares of Tk 10 each at an offer price of Tk 45, including a premium of Tk 35, the SEC said in a statement.

With the proceedings from the IPO (initial public offering), the company will pay off its liabilities that are in the form of preference shares.

The company’s earnings per share is Tk 5.18, while the net asset value per share is around Tk 21, according to its 2010 financial statements.

Summit Purbanchol Power Company has two power plants — Rupganj Power Plant in Narayanganj and Jangalia Power Plant in Comilla, each of which generates 33MW power.

It will be the 14th company to be listed on the stockmarket in the fuel and power category.

Prime Finance Capital Management Ltd is the issue manager of the Summit Purbanchol Power Company’s IPO.

At yesterday’s meeting, the SEC also approved rights offer of two listed companies — Information Services Network Ltd and Tallu Spinning Mills Ltd.

Information Services Network will issue 99.04 lakh ordinary shares of Tk 10 each totalling Tk 9.90 crore.

The company, which will offer one rights share for each existing share, will raise the capital to introduce WiFi mesh technology, expand services and increase cash flow.

BRAC-EPL Investments Ltd will be the issue manager and underwriter for Information Services Network’s rights issue.

Tallu Spinning Mills will issue 4.28 crore ordinary shares of Tk 10 each totalling Tk 42.80 crore.

The spinning mill offered two rights share for existing one.

The company will raise the capital to meet its working capital requirement and repay bank loans.

Banco Financial and Investment Ltd will be the issue manager and underwriter for Tallu Spinning Mills’ rights issue.

Source: The Daily Star, April 25, 2012

Posted in IPO Approval | Tagged | Leave a comment

সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানির আইপিও অনুমোদন

বিদ্যুত খাতের সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার অনুমতি দিল বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাজারে তালিকাভুক্ত হবে। মঙ্গলবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নিয়মিত সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড তিন কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৩৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ ক্ষেত্রে কোম্পানির ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ৪৫ টাকা। প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৩৫ টাকা প্রিমিয়াম নেয়া হবে। প্রতিষ্ঠানটি ১৩৫ কোটি টাকা উত্তোলন করে প্রিফারেন্স শেয়ারের আংশিক (অর্থাৎ ১২৯ কোটি ৮৮ লাখ ৩৬ হাজার ৩৪৪ টাকা রিডিমশন করবে। প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড প্রতিষ্ঠানটির আইপিওর ইস্যু ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করছে।
এসইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রত্যেকটি ইস্যুয়ার কোম্পানির পরিচালকদের আগামী ২১ মের মধ্যে দুই শতাংশ শেয়ার অর্জনের বাধ্যবাধকতা সংক্রান্ত কমিশনের গত বছরের ২২ নবেম্বর প্রকাশিত এসইসির প্রজ্ঞাপন পরিপালনের লক্ষ্যে কমিশনের আদেশ নম্বর এসইসি/সিএমআরআরসিডি/২০০৮-১৭৮/৬৮০ তারিখ ১৫/০১.২০০৮ (জেড গ্রুপের কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের শেয়ার লেনদেন না করার বিষয়ে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জকে প্রদানকৃত নির্দেশনা) উল্লিখিত তারিখ অর্থাৎ আগামী ২১ মে তারিখ পর্যন্ত স্থগিত করার সিদ্ধান্ত আজকের সভায় গৃহীত হয়।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ এপ্রিল ২০১২

Posted in IPO Approval | Tagged | Leave a comment